| ২৮ এপ্রিল ২০২৬

চকরিয়ায় বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে আরোহী নিহত

চকরিয়ায় বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে আরোহী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান, চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. আরিফুল আমিন।

নিহত মো. মিজানুর রহমান চট্টগ্রামের দোহাজারী পৌরসভার বাসিন্দা এবং চন্দনাইশে পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ (এমআর) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি আরিফুল আমিন বলেন, সকালে চকরিয়া উপজেলার হারবাং এলাকায় কক্সবাজারমুখী একটি মোটর সাইকেলের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা পূরবী পরিবহন সার্ভিসের একটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মোটর সাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে এক আরোহী গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পরপরই চালক বাসটি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনা কবলিত মোটর সাইকেলটি জব্দ করেছে বলে জানান তিনি।

চিরিংগা হাইওয়ে থানার ওসি আরিফুল আমিন জানান, নিহতের লাশ এখনো চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চকরিয়ায় বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে আরোহী নিহত

ডেক্স রিপোর্ট

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আজ আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী চিন্তায় প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীকে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

মন্ত্রী আজ (২৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও কোস্ট গার্ড দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরেই ‘Guardian at Sea’ মূলমন্ত্রে এই বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ এই বাহিনী মাদক চোরাচালান রোধ, মানব পাচার বন্ধ, জলদস্যু দমন এবং সুন্দরবনের বনজ ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছে। তিনি বিশেষ করে সুন্দরবনে গত এক বছরে ২৯টি সফল অভিযানে ৩৫ জন ডাকাত গ্রেপ্তার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও কাঠ উদ্ধারের জন্য বাহিনীর সদস্যদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

কোস্ট গার্ডের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে সম্প্রতি বহরে ৩টি সার্ভেইলেন্স ড্রোন যুক্ত হয়েছে। জাইকার অর্থায়নে ১টি মাল্টিরোল রেসপন্স ভেসেল ও ২টি অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এছাড়া খুলনা শিপইয়ার্ডের মাধ্যমে বুলেটপ্রুফ হাই-স্পিড বোট ক্রয় এবং ভবিষ্যতে হেলিকপ্টার ও মেরিটাইম সারভেইলেন্স সিস্টেম সংযোজনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। বাহিনীর জনবল ১০ হাজারে উন্নীত করার কাজও প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শুরুতে মন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের, স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মোঃ জিয়াউল হক এনডিসি। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

মন্ত্রী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর কর্মকর্তা, নাবিক এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য ০৪ জনকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক, ০৪ জনকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক, ০৩ জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড পদক এবং ০৩ জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড (সেবা) পদকসহ মোট ১৪ জন সদস্যের হাত পদক তুলে দেন। পদকপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাদের দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ডের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের উপর ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। মন্ত্রী কোস্ট গার্ড সদর দপ্তর চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন এবং ভিজিটর বুকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারে বজ্রপাতে লবণ শ্রমিক নিহত

চকরিয়ায় বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে আরোহী নিহত

নিজস্কব প্রতিবেদক

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডীতে বজ্রপাতে রমিজ উদ্দীন নামে  এক লবণ মাঠের শ্রমিক নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে চৌফলদন্ডী ব্রীজে ঘটে এ ঘটনা। তিনি ঔ এলাকার অছিয়র রহমানের পুত্র।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, লবণের মাঠ থেকে ব্রিজের ওপর ওঠার সময় বজ্রপাতের শিকার হন ওই ব্যক্তি এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম বলেন, স্থানীয়রা বিষয়টি তাকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেছেন বলে জানান।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমিউদ্দিন জানান, বজ্রপাতে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিএনপি-প্রশাসনের কারো খবর নেই

পেকুয়া উপজেলার ২৪ বছর পূর্তি আজ

চকরিয়ায় বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে আরোহী নিহত

এম.আবদুল্লাহ আনসারী
আজ পেকুয়া উপজেলার ২৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অবহেলিত একটি প্রান্তিক জনপদকে উপজেলায় রূপান্তর করে পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন করে উন্নত নাগরিক সুবিধা প্রদানের সুযোগ দিয়ে ছিলেন। রাজনৈতিক সামাজিক মান মর্যাদা লাভ করার সুযোগ পেয়েছিল এ অঞ্চলের মানুষ। বিএনপির হাতধরে সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়াবাসীকে এ মর্যাদা দিতে পেরেছিলেন বলে এঅঞ্চলের মানুষ সালাহউদ্দিন আহমদে অন্ধ বিশ্বাসী। পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেন আলাদা দৃষ্টিতে। সাধারণত যে কোন প্রাতিষ্ঠানিক বয়সের একযুগ দুইযুগ জমকালো আয়োজন করে পালন করে থাকেন। উপজেলার প্রতিষ্ঠার দুই পূর্ন হলেও নিরবে উপজেলা প্রশাসন ও বিএনপি। কারো যেন কোন দায়বদ্ধতা নেই।
কেউ জানেনা মনে হয় আজ দুই যুগের মাইল ফলকে পেকুয়া উপজেলা।
অনেক স্বচেতন মহল মনে করেন প্রতিকূলতার মহাকাব্য পদদলিত করে বিএনপি এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায়। সবচেয়ে বেশি সুবিধায় এখন বিএনপি নেতারা। তাদের হাব ভাব কৃতকর্মে রাজার রাজা। কৃতজ্ঞতা প্রকাশে একটা বিবৃতি হলেও তারা দিতে পারতো। উপজেলার কর্মকর্তারা যে চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করেন তার দায়িত্ববোধ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক আচারের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।
দলীয় কর্তারা কোথায় খাস জমি, কোথায় পতিত জমি কোথায় বিরোধপূর্ণ জমি আছে সেটা কিভাবে আয়ত্ত করা যায় সে হিসাব কষতে ভূল না করলেও উপজেলা প্রতিষ্ঠার ২ যুগ পালন বা স্মরণে ফেল মারলেন স্বাভাবিক গতিতে।

বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজারের প্রবেশ-দ্বার চকরিয়া উপজেলা ছিল একসময় জেলার বৃহত্তর উপজেলা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪দলীয়
জোট সরকারের আমলে তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কক্সবাজার-১(চকরিয়া ও পেকুয়া) আসনের এমপি ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল কক্সবাজারের বৃহত্তর উপজেলা চকরিয়া থেকে রাজাখালী, বারবাকিয়া, মগনামা, পেকুয়া, টইটং উজানটিয়া ও শিলখালী ইউনিয়ন বিভক্ত করে “পেকুয়া উপজেলা” প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য ২০০২ সালে পেকুয়ায় ইউনিয়ন ছিল ৫ টি। পেকুয়া সদর,বারবাকিয়া, রাজা খালী,মগনামা ও টৈটং । পরে ২০০৩ সালে বারবাকিয়া থেকে পৃথক করে শিল খালী ও মগনামা থেকে পৃথক করে উজানটিয়া ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করা হয়। ফলে পেকুয়া উপজেলার ইউনিয়ন সংখ্যা দাড়ায় ৭ টি।পেকুয়ার পশ্চিমে কুতুবদিয়া, দক্ষিণে চকরিয়া ও মহেশখালী,পূর্বে চকরিয়া এবং উত্তরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও লোহাগাড়া উপজেলা। পেকুয়ার পূর্ব
দিকে পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও পশ্চিম দিকে বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেল।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২৭ মার্চ সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের নিরন্তন প্রচেষ্টায় সরকারের পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত নিকার সভায় পেকুয়া উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। ২০০২ সালের ২৩ এপ্রিল পেকুয়া উপজেলার ঘোষণা মুদ্রিত হয় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে।

এসময় পেকুয়া উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, তৎকালীন আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদ, যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন সহ সিনিয়র ডজেন খানেক মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

পেকুয়া উপজেলার শুভ উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারপারসন ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেন,” আমরা পেকুয়াকে যেমন উপজেলা করেছি,তেমনিভাবে পেকুয়ার উন্নয়নও করব।শুধু পেকুয়ায় নয়,সারা বাংলাদেশে একইভাবে আমরা উন্নয়ন করবো। উন্নয়নের জোয়ার বলতে যা বোঝায়,বিএনপি সরকারের আমলে পেকুয়ায় তার সবকিছুই হয়েছিল।যেমন-পেকুয়ার দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়াম, পেকুয়া থানা ভবন, উপজেলা প্রশাসনিক ভবন,ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইত্যাদি ।
২০০২ সালে পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে কক্সবাজার জেলাটি প্রথম শ্রেণির জেলার মর্যাদা লাভ করে।এর আগে কক্সবাজার জেলা ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীর জেলা

অন্যদিকে পেকুয়া উপজেলা মর্যাদা লাভের মাধ্যমে উপকূলীয় জনগণের নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন আর আগের মত চকরিয়ায় গিয়ে সরকারি–বেসরকারি দাপ্তরিক কাজের জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে হয় না। এসএসসি–এইচএসসি এর মতোই বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে যায় বাড়ির পাশের প্রতিষ্ঠানেই। উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকে পেকুয়ার অবকাঠামোগত অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
পেকুয়া একসময় একটি অবহেলিত গ্রাম ছিল।সেই অবহেলিত গ্রাম থেকে ইউনিয়ন, ইউনিয়ন হতে উপজেলায় উন্নীত হওয়া এক বিস্ময়কর ঘটনা। এই কৃতিত্বের মহানায়ক হলেন আমাদের পেকুয়ার গর্বিত সন্তান সালাহউদ্দিন আহমদ,যিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়ার সময় থেকেই পেকুয়ার অবহেলিত ও বঞ্চিত জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের স্বপ্ন দেখতেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এলাকায় রাস্তাঘাট,মসজিদ,মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে অবিস্মরণীয় উন্নয়নে পেকুয়া তথা কক্সবাজারের ইতিহাসের নায়ক । তারই প্রতিদান হিসেবে চকরিয়া ও পেকুয়ার জনগণ ২০০৮সালের ২৯ড়িসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর স্ত্রী গৃহবধু এডভোকেট হাসিনা আহমদ কে কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত করেন। শুধু তাই নয়,২০০৯ এবং ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত এবং সালাহ উদ্দিন আহমদ কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী হিসেবে শাফায়ত আজিজ রাজু বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন অতি তরুণ বয়সে।
বিএনপি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে ‌থাকার পরও শুধুমাত্র উন্নয়নের কারণেই সালাহউদ্দিন আহমদ এর নাম এখনো মানুষের মুখে মুখে রয়েছে।তিনি শুধু পেকুয়া উপজেলায় নয়, সমগ্র কক্সবাজার জেলায় উন্নয়ন করেছেন।তিনি ভারতের শিলং শহরে রাজনৈতিকভাবে নির্বাসিত জীবনযাপনের সময় পেকুয়া ও কক্সবাজার জেলার মানুষ তাঁকে একনজর দেখার জন্য সীমান্ত অতিক্রম করে ছুটে যেতেন ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-নির্বাচনের পর থেকেই পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মূল অংশ কে নিয়ে পৌরসভা গঠনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।গত ২৪ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পেকুয়া কে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়েছে ।

২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পেকুয়া উপজেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়নের কারণেই আমরা এই সময় কে পেকুয়া উপজেলাবাসীর স্বর্ণযুগ বলি। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের হাত ধরেই পেকুয়া উপজেলাবাসীর উন্নয়নের সেই স্বর্ণযুগ ফিরে আসুক – এটাই প্রত্যাশা ।বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০৩ সালের ১৪ এপ্রিল কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা সফর করেছিলেন । তিনি পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দিয়েছিলেন । এখন সেই মোক্ষম সময় এসেছে ।
পেকুয়া উপজেলার ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পেকুয়া উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে দেশ নেতা প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান ও উপজেলার প্রতিষ্ঠাতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।