| ২৫ এপ্রিল ২০২৬

চকরিয়া মচন্যাকাটায় রেল স্টেশন ও ঢাকা কক্সবাজার রেল পথে একমাত্র বিরতিহীন রেল পর্যটন এক্সপ্রেস চকরিয়া স্টেশনে যাত্রী উঠানামার ব্যবস্থা নেয়া সময়ের দাবী

চকরিয়া মচন্যাকাটায় রেল স্টেশন ও ঢাকা কক্সবাজার রেল পথে একমাত্র বিরতিহীন রেল পর্যটন এক্সপ্রেস চকরিয়া স্টেশনে যাত্রী উঠানামার ব্যবস্থা নেয়া সময়ের দাবী

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে রেলপথ স্থাপিত হলে যোগাযোগ সুবিধার কারণে পর্যটন নগরীর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। রেলওয়ে পর্যটন এক্সপ্রেস নামে বিরতিহীন রেল চালু করে পরিবহন সুবিধা সমৃদ্ধ করেন।
চকরিয়া পেকুয়া মহেশখালী কুতুবদিয়া ও বাঁশখালীর দক্ষিণাংশের মানুষ বিরতিহীন পর্যটন এক্সপ্রেসের যাত্রীরা চকরিয়ায় নামতে না পারার কারনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। চকরিয়ায় নামতে না পারার কারনে যারা এ রেলের যাত্রী তাদের কক্সবাজার চলে গিয়ে আবার গন্তব্যে ফিরে আসা ভোগান্তির চরম শিকার হন। জেলার সিংহ ভাগ জনবসতির চাহিদা চকরিয়া স্টেশনে যাত্রী উঠানামার ব্যবস্থা করলে যাত্রী সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।
মাতারবাড়ী বন্দর ও বিদ্যূত কেন্দ্রের সুবিধাভোগী সহ বিশাল জনগোষ্ঠী রেল যাতায়াতের সুবিধা নিতে পারছেনা ঢাকা থেকে চকরিয়া স্টেশনে নামতে না পারার কারনে।
কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যাল ২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু এক মতবিনিময়ে আক্ষেপ করে বলেন জন চাহিদার আলোকে রেলওয়ের সাথে যোগাযোগ করেও চকরিয়া স্টেশনে শুধু বিরতিহীন পর্যটন এক্সপ্রেস যাত্রী নামানো সুযোগ পাইনি। তার আশা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পক্ষে সম্ভব অতীব জনগুরুত্বপূর্ণ চাহিদা চকরিয়ায় স্টেশনে বিরতিহীন পর্যটন এক্সপ্রেস যাত্রী উঠানামার সুযোগ করে দেয়ার। জনবিচ্ছিন্ন হারবাং এলাকায় রেল স্টেশনটির সুবিধা পেকুয়া কুতুবদিয়া উপজেলার লোকজন ও চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়ন হারবাং ইউনিয়নের বৃহৎ একটি অংশের ও পহরচাদার লোকজনের থেকে বিচ্ছিন্ন তাই পহরচাদা মচন্যাকাটায় রেল স্টেশন স্থাপন সময়ের দাবী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। সাধারণ জনগনের বিশ্বাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সুদৃষ্টি প্রদান করলে একটি রেল স্টেশন স্থাপন করা সহজ সম্ভব।

পেকুয়ায় হাসপাতালে ৮হাম রোগী ভর্তি

চকরিয়া মচন্যাকাটায় রেল স্টেশন ও ঢাকা কক্সবাজার রেল পথে একমাত্র বিরতিহীন রেল পর্যটন এক্সপ্রেস চকরিয়া স্টেশনে যাত্রী উঠানামার ব্যবস্থা নেয়া সময়ের দাবী

নিজস্ব প্রতিবেদক
পেকুয়া উপজেলায় হাম আক্রান্ত হয়ে ৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া আরো চারজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, হাম রোগের সম্ভাব্য বিস্তার ঠেকাতে স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এ লক্ষ্যে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর প্রস্তুত রয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান বলেন, হাম পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু হলে আক্রান্তদের আলাদাভাবে চিকিৎসা দেওয়া সহজ হবে। পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তকরণ কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।

জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩১শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪০ছাড়িয়েছে, চলছে স্বাস্থ্যসেবা

চকরিয়া মচন্যাকাটায় রেল স্টেশন ও ঢাকা কক্সবাজার রেল পথে একমাত্র বিরতিহীন রেল পর্যটন এক্সপ্রেস চকরিয়া স্টেশনে যাত্রী উঠানামার ব্যবস্থা নেয়া সময়ের দাবী

 

মোহাম্মদ ইউনুছ
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে রোগীর সংখ্যা।
হাসপাতালের জরুরি ও বহির্বিভাগের পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে অসংখ্য রোগী।

শুক্রবার (২৪ই এপ্রিল) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ৩১ শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে গড়ে ১৪০ রোগী আন্তঃবিভাগে ভর্তি হয়ে সেবা নিচ্ছেন। হঠাৎ রোগী বৃদ্ধিতে চাপ সামলাতে ও সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

এছাড়া, উক্ত হাসপাতালে আউটডোর ওয়ান স্টোপ, ভায়া ও এনসিডি কর্নার সার্ভিস চালু আছে। টিকেট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। চিকিৎসক দেখিয়ে সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ সংগ্রহ করছেন রোগীরা।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ডিউটিরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাহমিদুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে ডায়রিয়া, বমি, নিউমনিয়া, জ্বর, চর্মরোগ, প্রসূতি, পেট ব্যথা ও হামসহ নানা রোগের লক্ষণ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা আসতেছেন। জরুরি সেবা দিয়ে অসংখ্য রোগাকে বাড়িতে পাঠাচ্ছি তবেও উপচে পড়া রোগীর ভিড়।

এবিষয়ে, পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান জানান-হঠাৎ করে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার ও নার্সিং অফিসারদের ডিউটি করতে হিমসীম খেতে হচ্ছে। আজকে ইনডোরে হাম রোগীসহ ১৪০জন রোগী ভর্তি আছেন। যেভাবে রোগী ভর্তি হচ্ছেন, রোগীর চাপ আরো বাড়তে পারে। বিশেষ করে ডায়েরিয়া ও নিউমনিয়া, হদম রোগের বাচ্ছারা বেশি ভর্তি আছে। বেড সীমিত হওয়ার কারনে ফ্লোরিং করে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করছি আমরা। আমাদের ৩১শয্যা হাসপাতালে ৩১জন রোগী অনুযায়ী স্টাফ রয়েছে। তবুও স্টাফদের রোস্টার অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা চালিয়ে যাচ্ছি।

পেকুয়ার রাজাখালীতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মহিলা মেম্বারকে মারধরের অভিযোগ

চকরিয়া মচন্যাকাটায় রেল স্টেশন ও ঢাকা কক্সবাজার রেল পথে একমাত্র বিরতিহীন রেল পর্যটন এক্সপ্রেস চকরিয়া স্টেশনে যাত্রী উঠানামার ব্যবস্থা নেয়া সময়ের দাবী

নিজস্ব প্রতিবেদক
পেকুয়ায় রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি সদস্য নুরুল আবছার প্রকাশ কর্তৃক বয়োবৃদ্ধ লোককে মারধর করার প্রতিবাদ করায় মহিলা মেম্বারকেও মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে রাজাখালী ৬ নং ওয়ার্ডের নেজাম উদ্দিনের স্ত্রী একই ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগম বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।
গত ২০ এপ্রিল দুপুর ১ টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা যায়, রাজাখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল আবছার বদু একই ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫,৬ নং সংরক্ষিত নির্বাচিত মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগমকে কুরুচিপূর্ণ কথা ইজ্জতহানি করে আসছে। তার অনৈতিক কার্যকলাপের কারণে মান সম্মান নিয়ে চলাফেরা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগম অভিযোগ করেন-আমি একজন অসহায় মহিলা সদস্য হিসেবে বদু মেম্বারের ভীতিকর অবস্থায় থাকি। ওই ইউপি সদস্য সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সব সময় চলাফেরা করে। ঘটনার দিন ইউনিয়ন পরিষদে মৎস্য কার্ডের চাল বিতরণের সময় একজন প্রতিবন্ধীকে আগে চাল দেওয়ায় ওই ইউপি সদস্য ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে মারধর করায় আমি প্রতিবাদ করি। এ সময় বিবাদী আমার গলা চেপে ধরে গলার দুই পাশে জখম করে। তাছাড়া ইউপি সদস্য বদু মেম্বার আমার এলোপাতাড়ি কিল, ঘুসি, লাথি মারে বুকে ও তলপেটে জখম করে। বিবাদী পুনরায় লাঠি দ্বারা আমাকে আঘাত করে ডান হাতে ও মাথার বাম পাশে ফুলা জখম করে। বিবাদী আমার কাপড় ছোপড় ছিড়ে ফেলে শ্লীলতাহানি করে। এ সময় বদু মেম্বার আমার মানি ব্যাগ কেড়ে নিয়ে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ফেলে। এরপর বিবাদী আমার গলা চেপে ধরে স্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টা করে। এ সময় আশপাশে থাকা ইউপি সদস্য ও লোকজন এসে আমাকে রক্ষা করে। আমাকে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিনার এমদাদুল হক শরীফ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।