| ১৫ জুন ২০২৬

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদন 
কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৩ জুন বিকাল ৫ টায় পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচনের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা জুবাইদা রহমান,
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, চট্রগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল সাবেক এমপি এডভোকেট হাসিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের পেকুয়া মৌজা এবং মেহেরনামা মৌজার অংশ বিশেষ
নিয়ে পৌরসভা গঠনের লক্ষ্যে ২৪ মার্চ মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছিল সরকার। ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। ২৪ মে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে পেকুয়া পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।
প্রকাশিত পেকুয়া মৌজা ও মেহেরনামা মৌজার পৌর সীমানার ট্রেস ভূক্ত দাগ অনুযায়ী পেকুয়া ইউনিয়নের ১নং,২নং,৩নং,৪নং,৫নং ৬নং ও ৭নং ওয়ার্ডের তেলিয়াকাটা পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এস.আর.ও. নং ৭৪-আইন/২০২৬ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩ এর উপ-ধারা (১) অনুযায়ী কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত নির্ধারিত পল্লী এলাকা সমূহকে শহর এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

কৈয়ারবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মনিরুল আমিন

কক্সবাজারের চকরিয়ার কৈয়ারবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক,কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র,বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী,সমাজসেবক মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী।

সংগঠক ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী। শিক্ষা প্রশাসনে অভিজ্ঞ ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত এই নেতার হাতে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গতকাল রবিবার (১৪ জুন) জারি করা এক স্মারকে বিদ্যালয়টির এডহক কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা, ২০২৪-এর ৬৪(১০) ধারা অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অনুমোদিত কমিটিতে বোর্ড কর্তৃক মনোনীত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী। পদাধিকার বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য ফরিদুল আনোয়ার,অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য সালামত উল্লাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।

এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী বলেন,কৈয়ারবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব যেমন আমার জন্য সম্মানের,তেমনি বিশাল দায়িত্বও। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে আমি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অবদান রাখতে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

 

পেকুয়ায় পুকুর দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মগকাটা এলাকায় একটি ভোগদখলীয় পুকুর জবরদখল, হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা করম আলী।

গত ১১ তারিখ (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৩ টার দিকে পুকুর দখলের এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মগকাটা এলাকার বাসিন্দা করম আলী পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের পৈতৃক সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা একটি পুকুর নিয়ে একই এলাকার জহির মিয়া (৪০), খুরশিদা বেগম (৩৫) ও পারভেজ (২০) জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১১ জুন বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্তরা ধারালো দা, লোহার রড, গাছের বাটামসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযোগকারীর বসতবাড়ির সংলগ্ন পুকুরটি জবরদখল করেন। এ সময় বাড়িতে পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে তারা পুকুরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

করম আলী দাবি করেন, ঘটনাটি জানতে পেরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাদের ওপর চড়াও হন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা পুকুরটি ছেড়ে দিতে চাইলে দেড় লাখ টাকা দাবি করেন এবং অন্যথায় পুকুরটি দখলে রাখার ঘোষণা দেন।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তা মানতে অস্বীকৃতি জানান। বরং মামলা-মোকদ্দমা করলে অভিযোগকারী ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে করম আলী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইমরুল হাসান জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে বাকিটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলহাজারা সাফারী পার্কে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরিবেশের সুরক্ষা, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী এ কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন। প্রধান মন্ত্রী ও তার স্ত্রী ডা জুবাইদা রহমানপার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইসতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে কর্মসূচির আওতায় ২৫ হাজার ৯৬০ হেক্টর ব্লক বাগানে ৪ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার চারা, ৩ হাজার ৭২৭ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগানে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার চারা এবং ৪ হাজার হেক্টর ম্যানগ্রোভ বাগানে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৭৬ হাজার চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বসতবাড়ি বনায়নের জন্য আরও ৫৬ লাখ চারা বিতরণ ও রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃহৎ এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দেশের বনভূমি সম্প্রসারণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।