| ১৭ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ নৌবাহিনী জুলাই পুনর্জাগরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানমালা ২০২৫ উপলক্ষে ‎ ‎পেকুয়ায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী জুলাই পুনর্জাগরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানমালা ২০২৫ উপলক্ষে ‎ ‎পেকুয়ায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন

‎ ‎বাংলাদেশ নৌ বাহিনী জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা ২৫ উপলক্ষে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎ ‎মগনামা বানৌজা সাবমেরিন নৌ ঘাঁটি এর আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। ‎ ‎

সোমবার (২৮ জুলাই) কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পেইন দুপুর ২টা থেকে চলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। ‎ ‎বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণের তত্বাবধানে বিশেষ মেডিকেল টিম স্থানীয় বাসিন্দাদের চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ফ্রি ঔষধ বিতরণ করেন। ‎ ‎এতে প্রায় ৫ শতাধিক হতদরিদ্র পরিবার ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ চিকিৎসা সেবা ও ‎ফ্রী ঔষধ গ্রহন করেন ।

‎ ‎চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রমিজ উদ্দিন (৭৫) বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী মগনামা ঘাঁটির পক্ষ থেকে দক্ষিণ মগনামা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ করা হবে বলে এলাকায় মাইকিং করে। এখানে এলাকার শত শত মানুষের বড় বড় ডাক্তাররা চিকিৎসা করে ফ্রি ঔষধ দিয়েছে। আমিও চিকিৎসা নিয়েছি,উনার আমাকে খুব ভালভাবে দেখছে আর কিছু ঔষধ ফ্রী দিয়েছে। ‎ ‎ ‎চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মগনামা কালরাপাড়ার রেহেনা বেগম (৪৫) বলেন, বাচ্চার জ্বর, সর্দি,কাশি ও শরীরে পানিবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে । টাকা অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলাম না।  নৌবাহিনীর মাইকিং শুনে চিকিৎসা নিতে আসলাম, অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়ার পর ডাক্তার দেখিয়েছি নৌবাহিনীর ডাক্তাররা ফ্রি চিকিৎসা করে ফ্রী ঔষধ দিয়েছে।

‎ ‎স্থানীয় বাসিন্দা ইছাফ উদ্দিন বলেন, নৌবাহিনী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প আমাদের এলাকার মানুষের জন্য খুবই উপকার হয়েছে, বিশেষ করে গরীব অসহায় জেলে পরিবারের অনেকেই আছেন যারা টাকার অভাবে ঔষধ কিনতে পারেনা। এসব মানুষদের জন্য নৌবাহিনীর এমন উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। এলাকাবাসীর পক্ষে থেকে নৌবাহিনীর একধরণের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান তিনি ।

‎ ‎এবিষয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন এর প্রধান,সিনিয়র মেডিকেল অফিসার বিএনএস পেকুয়া, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এনাম জানান, জুলাই পুনর্জাগরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে সারা দেশে বাংলাদেশ নৌবাহিনী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিএনএস পেকুয়া দক্ষিণ মগনামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী বাংলাদেশ নৌবাহিনী জনস্বার্থে সেবা মূলক এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

চকরিয়ায় অপহৃত দোকান কর্মচারী উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের প্রধান গ্রেফতার

বাংলাদেশ নৌবাহিনী জুলাই পুনর্জাগরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানমালা ২০২৫ উপলক্ষে ‎ ‎পেকুয়ায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন

ডেস্ক রিপোর্ট
কক্সবাজারের চকরিয়ার হারবাং থেকে অপহৃত দোকান কর্মচারী মোহাম্মদ পারভেজকে (১৭) অবশেষে উদ্ধার করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ। দীর্ঘ ১৬ ঘন্টার বিরতিহীন অভিযানে রামু উপজেলার ঈদগড় এলাকা থেকে অপহরণের প্রধান হোতা নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি মতে অপহৃত পারভেজকে বুধবার (১১ মার্চ) রাত ১০ টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রিংভং ছাগীর শাহ কাটা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার (এসআই) ফরিদ হোসেন বলেন, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে লোহাগাড়ার আমিরাবাদ স্টেশন হতে বাড়িতে আসার পথে চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং এলাকা থেকে মো.পারভেজ নামের ছেলেটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৬-৭ জন দুবৃর্ত্ত। পরে একটি নাম্বার থেকে ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ওই মোবাইল নাম্বারের সুত্র ধরে রামু উপজেলার দূর্গম পাহাড়ি এলাকা ঈদগড়ে ১৬ ঘন্টার রুদ্ধদার অভিযান শেষে অপহরণের প্রধান হোতা
রামুর ইদগড়ের বাসিন্দা
নুরুল ইসলামকে আটক করা হয় ও পরে তার স্বীকারোক্তি মতে ভিকটিম পারভেজকে চকরিয়ার ডুলহাজারা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ পারভেজ চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের কোরবানিয়া ঘোনা এলাকার মনজুর আলমের ছেলে।
পারভেজের বাবা মঞ্জুর আলম জানান, তার ছেলে পারভেজ লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ একটি দোকানে চাকরি করতেন। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে দুষ্কৃতিকারীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র পারভেজ কে অপহরণ করে নিয়ে যায়। টানা ১৬ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে রাত ১০ টার দিকে ডুলাহাজারার ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অপহরণকারী দলের একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই ।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপহরণের সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেফতার করতে অভিযানে রয়েছে পুলিশ।

২ শতাধিক হাফেজকে পোশাক প্রদান

পেকুয়ায় মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

বাংলাদেশ নৌবাহিনী জুলাই পুনর্জাগরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানমালা ২০২৫ উপলক্ষে ‎ ‎পেকুয়ায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন

রেজাউল করিম. স্টাফ রিপোর্টার

কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী ইসলামিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ২ শতাধিক এতিম শিক্ষার্থীর হাতে জোব্বা তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করা হয়।
বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে উজানটিয়া এএস আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আবুল কালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের লালখান বাজার অফিসার্স কলোনি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা জে. এম. মনছুর আলম কুতুবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুজ্জামান মঞ্জু, ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আনছার উল্লাহ, মৌলভীবাজার ফারুকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আমিনুর রশিদ এবং টইটং বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পল্লী চিকিৎসক ডা. মোসলেম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন টইটং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাস্টার আমান উল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাস্টার মো. নুরুন্নবী, মাস্টার মিজানুর রহমান, আনিছুর রহমান, আব্দুর রহিম ও রেজাউল করিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রমজান মাসের শুরুতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রায় ৩ শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত মহৎ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

বাংলাদেশ নৌবাহিনী জুলাই পুনর্জাগরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানমালা ২০২৫ উপলক্ষে ‎ ‎পেকুয়ায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন

নিজস্ব প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বান্দরবানের লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলার ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের জন্য নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় সেগুলো তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক পরিবারের সদস্যরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি এই সহায়তা দিয়ে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

পরে দুপুরে মন্ত্রী লামা উপজেলা-পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত
উপজেলা পরিষদ মাঠে বান্দরবান, লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত লোকজনের মাঝে বক্তব্য দেন।