| ১০ জুন ২০২৬

পেকুয়া নন্দীরপাড়ায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

পেকুয়া নন্দীরপাড়ায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের পেকুয়া নন্দীরপাড়ায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত এসব পরিবারের মাঝে এই নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছেন এমবিএম ব্রিকস স্বত্বাধিকারী মহিউদ্দিন কোম্পানি। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, গণ অধিকার পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ইউপি সদস্য সাহেদুল ইসলাম, সবুজবাংলা বিজনেস এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদল নেতা আব্দুল্লাহ রাফি, যুবদল নেতা মোস্তফাসহ আরো অনেকে।  এসময় মহিউদ্দিন কোম্পানি আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়ানোর জন্য সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ জানান।। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুনে সর্বস্ব হারানো এই তিনটি অসহায় পরিবারের পাশে দাড়ানোর জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য যে, গত শুক্রবারে বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়ে নন্দীর পাড়া এলাকার তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে তিনটি পরিবারের ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।

দুপুর ২ টায় পেকুয়ার শিলখালীতে জানাজা

কাপ্তাই হ্রদে গোসলে নেমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

পেকুয়া নন্দীরপাড়ায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাঙ্গামাটিতে বেড়াতে এসে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে গোসল করতে নেমে ডুবে গিয়ে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম ইনতিশার হাসনাত (২২)। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।


স্থানীয় সূত্র জানায়, রিজার্ভ বাজার এলাকার বালুচরে নৌবিহারের একপর্যায়ে কয়েকজন পর্যটক হ্রদে গোসল করতে নামেন। এ সময় ইনতিশার হাসনাত পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দীর্ঘ সময় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসনাতের বাবা বেলাল হোসেন একজন শিক্ষক। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার ডিএইচএস-এ বলে জানা গেছে। তার পিতা বেলাল হোসেন চট্টগ্রাম ক্যান্টেলম্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ। কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের আলি চান মাতবর পাড়ার বাসিন্দা।
আগামীকাল সকাল ৭:৩০ টায় `চট্টগ্রাম ক্যান্টেলম্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গনে *জীমেলের* জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং আগামীকাল দুপুর ০২টায় পেকুয়া উপজেলার `শিলখালি আলিচান্দ মাতবর পাড়া জামে মসজিদ` সংলগ্ন মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
বোটচালক তরুণ চাকমা জানান, তারা চারজন পর্যটক নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহারে বের হন। রিজার্ভ বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর বালুচরে নৌকাটি নোঙর করা হয়। এ সময় পর্যটকরা পানিতে নামেন। তিনি তাদের সাঁতার জানা আছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তারা জানায় যে তারা সাঁতার জানে। পরে তারা পানিতে নামার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একজন সাহায্যের জন্য ডাকাডাকি শুরু করেন। তিনি দ্রুত এগিয়ে গিয়ে দুইজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ইনতিশার হাসনাতকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক নিউটন দাস জানান, খবর পেয়ে ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পর্যটকদের হ্রদের গভীর পানিতে না নামার এবং সাঁতার না জানাদের হৃদে না নামার নির্দেশনা ছিল।

চকরিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি মা-মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন, আইসিইউতে মেয়ে

পেকুয়া নন্দীরপাড়ায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ৮ থেকে ১০ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়ির গ্রীল কেটে বসতঘরে ডুকে এক স্কুল ছাত্রীসহ দুই নারীকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এসময় ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মালামাল নিয়ে যায়। এঘটনায় পুলিশ ছয়জন ডাকাতকে আটক করেছে বলে চকরিয়া থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে। আহতরা বর্তমানে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সোমবার (৮জুন) রাত ৮টার দিক মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সিকদার পাড়ার ফুরুক আহমদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনার পরপর চকরিয়া সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাসের নেতৃত্বে চকরিয়া থানার ওসি মো.মনির হোসেনসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আটককৃত হলেন- মাতামুহুরী উপজেলার বড় ভেওলা ইউনিয়নের রেজাউল করিম, মেহেদী, বাবু, কেফায়েত, তানজিদ । তবে আরেকজনের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশ^স্ত্র ডাকাতদল প্রবাসী ফুরুক আহমদ চৌধুরীর বাড়ির গ্রীল কেটে বাড়িতে ডুকে পড়ে। পরে বাড়ির লোকজনদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক স্কুল ছাত্রীসহ দুই নারীকে মারধর এবং শারীরিক নির্যাতন করে। এসময় ডাকাতদল আলমারী থেকে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনার খবর পেরে চকরিয়া সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাসের নেতৃত্বে থানার ওসি মো.মনির হোসেনসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর পুলিশ ও স্থানীয় জনতা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জন ডাকাতকে আটক করেছেন।
ভোক্তভাগী স্কুল ছাত্রীর মামা সাইদুল ইসলাম ফারুক বলেন, আমার বোন ও ভাগিনীকে ডাকাতদল পাশবিক নির্যাতন করেছেন। আমার ভাগিনীর অবস্থা আশংকাজনক। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (ওসি) মো.মাসুদ ডাকাতির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ডাকাতদল বাড়ি ডাকাতির পাশাপাশি মা-মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করেছেন।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ও পুলিশ পুরো এলাকা ঘির রাখে। সোমবার রাতে ঘটনার পর থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ছয়জন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে। তারা বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিৎ দাস বলেন, প্রবাসীর বসতঘরে ডাকাতির খবর পাওয়ার পরপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ইতোমধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বলেও স্বীকার করেছেন।

পেকুয়ায় অসুস্থ তাঁতীদল নেতার চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে এলো শ্রমিকদল

পেকুয়া নন্দীরপাড়ায় আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান

স্টাফ রিপোর্ট

কক্সবাজারের পেকুয়ায় অসুস্থ এক তাঁতীদল নেতার চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে এসেছে উপজেলা শ্রমিকদলের নেতাকর্মীরা। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে নেতাকর্মীরা অসুস্থ নেতার খোঁজখবর নেন এবং তার হাতে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।

জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল এর ওয়ার্ড সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের চিকিৎসা সহায়তার আবেদন বিবেচনা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগছেন। উন্নত চিকিৎসা ও জরুরি অপারেশনের জন্য তিনি আর্থিক সহায়তা চেয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিকট আবেদন করেন। আবেদনে তিনি নিজের অসুস্থতা, আর্থিক অসচ্ছলতা এবং চিকিৎসা ব্যয়ের বিষয়টি তুলে ধরেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে চিকিৎসা সহায়তার জন্য উপজেলা শ্রমিকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওসমান গনির নেতৃত্বে অনুদান প্রদান করা হয়। এ সময় অসুস্থ জাহাঙ্গীর আলম অনুদান প্রদানকারী নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

স্থানীয়রা জানান, অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং মানবিক সহমর্মিতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

এ সময় শ্রমিকদলের নেতারা বলেন, রাজনৈতিক সহকর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো তাদের নৈতিক দায়িত্ব। অসুস্থ তাঁতীদল নেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তারা ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সহায়তা গ্রহণকালে অসুস্থ তাঁতীদল নেতা শ্রমিকদলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানোর এই সহযোগিতা তাকে মানসিকভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।