নিজস্ব প্রতিবেদক
পেকুয়ায় রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি সদস্য নুরুল আবছার প্রকাশ কর্তৃক বয়োবৃদ্ধ লোককে মারধর করার প্রতিবাদ করায় মহিলা মেম্বারকেও মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে রাজাখালী ৬ নং ওয়ার্ডের নেজাম উদ্দিনের স্ত্রী একই ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগম বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।
গত ২০ এপ্রিল দুপুর ১ টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা যায়, রাজাখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল আবছার বদু একই ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫,৬ নং সংরক্ষিত নির্বাচিত মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগমকে কুরুচিপূর্ণ কথা ইজ্জতহানি করে আসছে। তার অনৈতিক কার্যকলাপের কারণে মান সম্মান নিয়ে চলাফেরা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগম অভিযোগ করেন-আমি একজন অসহায় মহিলা সদস্য হিসেবে বদু মেম্বারের ভীতিকর অবস্থায় থাকি। ওই ইউপি সদস্য সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সব সময় চলাফেরা করে। ঘটনার দিন ইউনিয়ন পরিষদে মৎস্য কার্ডের চাল বিতরণের সময় একজন প্রতিবন্ধীকে আগে চাল দেওয়ায় ওই ইউপি সদস্য ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে মারধর করায় আমি প্রতিবাদ করি। এ সময় বিবাদী আমার গলা চেপে ধরে গলার দুই পাশে জখম করে। তাছাড়া ইউপি সদস্য বদু মেম্বার আমার এলোপাতাড়ি কিল, ঘুসি, লাথি মারে বুকে ও তলপেটে জখম করে। বিবাদী পুনরায় লাঠি দ্বারা আমাকে আঘাত করে ডান হাতে ও মাথার বাম পাশে ফুলা জখম করে। বিবাদী আমার কাপড় ছোপড় ছিড়ে ফেলে শ্লীলতাহানি করে। এ সময় বদু মেম্বার আমার মানি ব্যাগ কেড়ে নিয়ে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ফেলে। এরপর বিবাদী আমার গলা চেপে ধরে স্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টা করে। এ সময় আশপাশে থাকা ইউপি সদস্য ও লোকজন এসে আমাকে রক্ষা করে। আমাকে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিনার এমদাদুল হক শরীফ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনলাইন ডেস্ক