৩দশকেও সংস্কার হয়নি মগনামা আবদুল্লাহ পাড়া সড়ক…
চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে আবদুল্লাহ পাড়া সড়ক।
পেকুয়া উপজেলার মগনামা ১নং ওয়ার্ড আব্দুল্লাহ পাড়া সড়কটির দীর্ঘ ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে সং’স্কার বঞ্চিত। এই মাটির সড়কটি বর্ষা মৌসুমে হাঁটু ছোঁয়া কাদামাটিতে পরিণত হয়।
ওই এলাকায় প্রায় দুইশ পরিবারের একহাজার মানুষের বসবাস। এই সড়কে প্রতিদিন শত শত মানুষ, শিক্ষার্থী ও অ’সুস্থ রোগী নিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলেন, ২০০৪ সালে ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী মাটির রাস্তাটা নির্মাণ করেন এবং পরে কিছু অংশ ফ্লাট সলিন করে দেন। এরপর দীর্ঘকালেও সড়কটি আর উন্নয়ন দেখেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা বেলাল উদ্দিন বলেন, ২০১৭ সালে সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াসিম স্কেবেটর দিয়ে মাটি কেটে রাস্তাটা প্রসস্থ করলেও রাস্তায় ইট না থাকায় বর্ষা কালে এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই সড়কটি দিয়ে গ্রামের শত শত মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। স্কুল, কলেজ, মাদরাসাগামী প্রায় ৩শ শি’ক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন সবচেয়ে বেশি। রো’গীকে হাসপাতালে নিতে হয় দোলনায় করে। বর্ষা মৌসুমে সড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।তিনি আরও বলেন প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থী ও জনপ্রতিনিধিরা উ’ন্নয়নের আশ্বাস দিলেও ভোটের পর তারা আর ফিরে থাকান না।
নাম গোপন রাখা শর্তে এক বাসিন্দা বলেন, সাবেক মেম্বার ও আওয়ামীলীগ নেতা নুর মোহাম্মদ মাদু সরকারী দলের প্রভাব খাটিয়ে রাস্তা প্রসস্থ করার সময় সম্পূর্ণ রাস্তা ব্রিক সলিন করার কথা বলে পুরাতন ইটগুলো অন্যত্রে নিয়ে যায়, দীর্ঘ সময় রাস্তাটি ব্রিক সলিন
যার কারণে রাস্তার এই বেহাল দশা।
সড়কের বিভিন্ন স্থানে জমির সঙ্গে রাস্তা মিশে গেছে।এবং কিছু অংশে গর্ত হয়ে পড়ায় স্কুলগামী ছোট শিশুরা গর্তে পড়ে বইখাতা নষ্ট হয়ে যায়।
উ’ন্নয়ন হচ্ছে আশপাশের সবখানে, কেবল আমাদের গ্রামটি থেকেই যেন মুখ ফিরিয়ে রেখেছে ক*র্তৃপক্ষ। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা দিয়ে আর হাঁটা যায়না।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল বলেন, এই রাস্তাটি প্রায় ১ হাজার মানুষের চলাচলের মাধ্যম। আমরা কর্ম সজনক প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে কয়েক দফা মাটি দিয়েছি। কিন্তু ইট বসানো না হলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।
এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবিতে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।















