| ১৭ মার্চ ২০২৬

চকরিয়া-পেকুয়া সংসদীয় আসনে মনোনয়ন প্রাত্যাশীদের দৌড়ঝাপে কে এগিয়ে

চকরিয়া-পেকুয়া সংসদীয় আসনে মনোনয়ন প্রাত্যাশীদের দৌড়ঝাপে কে এগিয়ে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘোষণা করা হলেও জামায়াত এনসিপি সহ কয়েকটি দল সংস্কারের যৌক্তিকতার জোরালো আওয়াজ তুলেন, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার রমজানের আগেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে বারবার। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ও তাদের সমর্থকরা ইতি মধ্যে মাঠ সরগরম করে তুলেছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী (বিএনপি) ও জামায়াত ইসলামীর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এবং তাদের অনুসারী নেতাকর্মীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগদান, প্রচারণায়, বিভিন্ন কৌশলে তৎপরতা চালাচ্ছেন। অন্যান্য দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও নিজেদের মতো করে মাঠ পর্যায়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।
এ ছাড়া এবি পাটি থেকে ও সব আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন দলীয় সূত্রে জানাগেছে । বিভিন্ন আসনে এর বাইরেও গণঅধিকার পরিষদ সহ বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে কেউ কেউ প্রার্থী হওয়ার জন্য দৌড়ে আছেন।
২০দলীয় জোটের শরীক হিসেবে দীর্ঘদিন বিএনপি জামায়াত আওয়ামী বিরোধী রাজনীতি করে আসলেও ৫আগষ্টের পর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্ধী হয়ে ওঠায় ভোটের মাঠে পৃথক হিসেব কষতে শুরু করেছে দুদলই। জুলাই গণ-অভূত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জেলার সব আমনে বিএনপি ও জামায়াত পৃথক সমাবেশ করে নির্বাচনী শোডাউন দেখিয়েছে। বোদ্ধা মহলের ধারণা কোন দলের সমাবেশে বেশি লোক জড়ো করা হয়েছে, তার প্রতিযোগিতা দেখানোর চেষ্ঠা ছিল দল দুটির নেতাকর্মী সমর্থকদের মধ্যে।

কক্সবাজার-১ চকরিয়া-পেকুয়া আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং এই আসনের সাবেক ৩বারের এমপি ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে বিএনপির নির্ধারিত প্রার্থী হিসেবে ধরে নিয়েই স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী এ আসনের সাবেক এমপি এডভোকেট হাসিনা আহমেদ ও সালাহউদ্দিন-হাসিনা আহমেদ দম্পতির বড় ছেলে ঢাকাস্থ আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়র সাইদ ইব্রাহীম আহমদ প্রার্থী হওয়ার আলোচনায় রয়েছেন। সম্প্রতি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, তার অবর্তমানে এডভোকেট হাসিনা আহমদকে ২০০৯ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপিকে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করায় বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, চকরিয়া পেকুয়া আসনে তার থেকে তার স্ত্রীকে জনগন বেশী ভোট দিয়ে থাকেন আবার অনেকে বলছেন তার সন্তান আসলে তাকে নাকি আরো বেশী ভোট দিবেন এমন বক্তব্যের পর এ আসনে বি.এনপির প্রার্থী আসলে কে হচ্ছেন তা নিয়ে তিন জনের নাম শুনা যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে এই আসনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা কক্সবাজার শহর জামায়াতের আমীর আবদুল্লাহ আল ফারুককে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা করায় তিনি সবার আগে অনেকটা গণ সংযোগ চালাচ্ছেন। গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় আহবায়ক ভিপি নুর সিনিয়র নেতাদের নিযে চকরিয়া পেকুয়ার পথ সভায় আবদুল কাদের প্রাইমকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেন। তিনিও নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রচার কাজে সুবিধার্থে চকরিয়া উপজেলা সদরে অফিসও চালু করেছেন।
জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে ডুলহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন প্রার্থীর দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি।
জাতীয় পার্টি(জিএম কাদের) থেকে সামশুল আলমের নাম শুনা যাচ্ছে। জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়াম্যান সালাহউদ্দিন মাহমুদ এ বারের সংসদ আসনে প্রার্থী হতে পারেন বলেন বলে আলোচনা শুনা যাচ্ছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মো.সাজ্জাদ হোছাইন প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানান। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ থেকে চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মাও.হাবিবুল গনি বুখারী প্রার্থী হচ্ছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে। তার শিক্ষাগত যোগ্য মাষ্টার্স।
এবি পার্টি থেকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহেদ প্রার্থী হচ্ছেন। সাবেক এ শিবির নেতা ইংরেজী সাহিত্যে বিএ(অনার্স) এম ডিগ্রীধারী।
আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারা অনেকটা অনিশ্চিত হওয়ায় মুল লড়াই হবে বিএনপি জামায়াতের মাঝে এমন প্রত্যাশা সাধারন ভোটার ও রাজনৈতিক বোদ্ধা মহলের।
জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলে জানাযায়, এবারের নির্বাচনে তাদের ভোটার বেড়েছে বলে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী। তবে দলটি পিআর পদ্ধতিতে ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবীতে এখনো অনড় থাকলেও দলীয় নেতাকর্মীরা নির্বাচনী আমেজেই চলছে একেবারে প্রান্তিক ভোটারদের কাছে।
চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম.মোবারক আলীকে আগামী সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে প্রার্থী হিসেবে তারা নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নির্বাচনে বিএনপির সাথে প্রতিদ্বন্ধিতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিএনপির সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করার মতো প্রার্থী এবারের নির্বাচনী মাঠে দেখতে পারছেনা বলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনিও বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ এ আসন থেকে বারা নির্বাচিত হয়েছেন। যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালনকালে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তার জনপ্রিয়তায় ভর করে তার সহধর্মীনিকেও এ আসনের মানুষ বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচন করেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সালাহউদ্দিন আহমদ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব পরিষদে দায়িত্ব পালন করায় মানুষের তার প্রতি আরো আস্থা আরো বেড়েছে।

চকরিয়ায় অপহৃত দোকান কর্মচারী উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের প্রধান গ্রেফতার

চকরিয়া-পেকুয়া সংসদীয় আসনে মনোনয়ন প্রাত্যাশীদের দৌড়ঝাপে কে এগিয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট
কক্সবাজারের চকরিয়ার হারবাং থেকে অপহৃত দোকান কর্মচারী মোহাম্মদ পারভেজকে (১৭) অবশেষে উদ্ধার করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ। দীর্ঘ ১৬ ঘন্টার বিরতিহীন অভিযানে রামু উপজেলার ঈদগড় এলাকা থেকে অপহরণের প্রধান হোতা নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি মতে অপহৃত পারভেজকে বুধবার (১১ মার্চ) রাত ১০ টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রিংভং ছাগীর শাহ কাটা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার (এসআই) ফরিদ হোসেন বলেন, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে লোহাগাড়ার আমিরাবাদ স্টেশন হতে বাড়িতে আসার পথে চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং এলাকা থেকে মো.পারভেজ নামের ছেলেটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৬-৭ জন দুবৃর্ত্ত। পরে একটি নাম্বার থেকে ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ওই মোবাইল নাম্বারের সুত্র ধরে রামু উপজেলার দূর্গম পাহাড়ি এলাকা ঈদগড়ে ১৬ ঘন্টার রুদ্ধদার অভিযান শেষে অপহরণের প্রধান হোতা
রামুর ইদগড়ের বাসিন্দা
নুরুল ইসলামকে আটক করা হয় ও পরে তার স্বীকারোক্তি মতে ভিকটিম পারভেজকে চকরিয়ার ডুলহাজারা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ পারভেজ চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের কোরবানিয়া ঘোনা এলাকার মনজুর আলমের ছেলে।
পারভেজের বাবা মঞ্জুর আলম জানান, তার ছেলে পারভেজ লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ একটি দোকানে চাকরি করতেন। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে দুষ্কৃতিকারীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র পারভেজ কে অপহরণ করে নিয়ে যায়। টানা ১৬ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে রাত ১০ টার দিকে ডুলাহাজারার ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অপহরণকারী দলের একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই ।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপহরণের সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেফতার করতে অভিযানে রয়েছে পুলিশ।

২ শতাধিক হাফেজকে পোশাক প্রদান

পেকুয়ায় মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

চকরিয়া-পেকুয়া সংসদীয় আসনে মনোনয়ন প্রাত্যাশীদের দৌড়ঝাপে কে এগিয়ে

রেজাউল করিম. স্টাফ রিপোর্টার

কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী ইসলামিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ২ শতাধিক এতিম শিক্ষার্থীর হাতে জোব্বা তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করা হয়।
বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে উজানটিয়া এএস আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আবুল কালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের লালখান বাজার অফিসার্স কলোনি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা জে. এম. মনছুর আলম কুতুবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুজ্জামান মঞ্জু, ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আনছার উল্লাহ, মৌলভীবাজার ফারুকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আমিনুর রশিদ এবং টইটং বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পল্লী চিকিৎসক ডা. মোসলেম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন টইটং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাস্টার আমান উল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাস্টার মো. নুরুন্নবী, মাস্টার মিজানুর রহমান, আনিছুর রহমান, আব্দুর রহিম ও রেজাউল করিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রমজান মাসের শুরুতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রায় ৩ শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত মহৎ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

চকরিয়া-পেকুয়া সংসদীয় আসনে মনোনয়ন প্রাত্যাশীদের দৌড়ঝাপে কে এগিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বান্দরবানের লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলার ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের জন্য নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় সেগুলো তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক পরিবারের সদস্যরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি এই সহায়তা দিয়ে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

পরে দুপুরে মন্ত্রী লামা উপজেলা-পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত
উপজেলা পরিষদ মাঠে বান্দরবান, লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত লোকজনের মাঝে বক্তব্য দেন।