| ২০ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মামলায় রাশেদ গ্রেফতার হওয়ায় হুমকির মুখে বাদী পরিবার

পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মামলায় রাশেদ গ্রেফতার হওয়ায় হুমকির মুখে বাদী পরিবার

নিজস্ব  প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মাটি লুটের মামলায় সাবেক ছাত্র লীগ নেতা সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম গ্রেফতার হওয়ায় পর থেকে রাশেদের পিতা একই মামলার পলাতক আসামী নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বাদী পরিবারকে অবিলম্বে মামলা তুলে নিতে হুমকি প্রদানের অভিযোগ পাওয়াগেছে। । ২০২৪ সালে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারী পরওয়ানা থাকায়
পেকুয়া থানা পুলিশ রাশেদকে গ্রেফতার করে। সাবেক ছাত্রলীগের নেতা
আটক রাশেদ ও তার পিতা নুর মোহাম্মদ গরু জাহাঙ্গীরের চাঁদাবাজ ও দখলবাজি চক্রের সদস্য। রাশেদকে গ্রেফতার করলেও তার নামে এখনো অপরাধ জগত পরিচালিত হচ্ছে।
আওয়ামীলীগ সরকারের সময় সাধারণ জনগন ও বিএনপি সমর্থিত লোকদের আটকিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কোন বিএনপি সমর্থিত লোক আওয়ামীগের বিরুদ্ধে বা বিএনপি জামায়াতের নেতাদের পক্ষে ফেইসবুক স্ট্যাটাস দিলে তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করত। নুর মোহাম্মদ গরু জাহাঙ্গীরের রক্ষী বাহিনীর প্রধান হিসাবে কাজ করত।
৫ আগষ্ট পটপরিবর্তন হলে আওয়ামী সমর্থিত দখলবাজ মামলাবাজরা অন্তরালে চলে গেলেও অদৃশ্য শক্তির জোরে চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসী গরুজাহাঙ্গীরের অপরাধ জগতের অন্যতম সহযোগী নুর মোহাম্মদ তার ছেলে সাবেক ছাত্র লীগ নেতা রাশেদ, আনিচ এলাকায় ফিরে এসে পুর্বের ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় লোকজন বলেন তাদের নেতৃত্বে কয়েকটি দখল বেখলের ঘটনা ঘটিয়েছে। শেখের কিল্লা ঘোনার জয়নালের বতঘর জবর দখলের চেষ্টা, বিভিন্ন জায়গায় গরু জাহাঙ্গীরের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি অ্যাহত রেখেছে বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। রাশেদের বিরুদ্ধে বারবাকিয়া টইটং শিলখালীর পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ, বনবিভাগের কর্মকর্তা, ভুমি অফিসে ব্যাপক চাঁদাবাজি অব্যাহত রয়েছে। পিতা পুত্র তিন জনের বিরুদ্ধে দখল বেখলে ভাড়াটে মাস্তান হিসেবে উপস্থিত হয়ে অপরাধ বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ থাকেও তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
জানাযায়, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুবকর, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আনসারী গং এর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত মালিকানাধীন মেহেরনামা মৌজার প্রায় ২২ কানি জমি নুর মোহাম্মদ, নুর মোহাম্মদের ছেলে রাশেদ, আরিফ মেম্বার ও তার পিতা শাহ আলম পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের প্রকাশ গরু জাহাঙ্গীরের সহযোগীতায় জবর দখল করে মাটি লুট করে নিয়ে প্রজেক্ট প্রতিষ্ঠা করেন। জমি থেকে ৪৫/৫০ ফুট গভীর করে মাটি লুট করে বিক্রি করে। ২০২৪ সালে ভোক্তভোগী পরিবারের পক্ষে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ আইন সহ চাঁদাবাজি আইনে মামলা দায়ের করা হয়। সিআর মামলা নং ১২১৯/২৪। মামলাটি আদালত কর্তৃক পিবিআই কক্সবাজারকে তদন্তের নির্দেশ দিলে দীর্ঘ তদন্ত শেষে এমামলার এজাহারনামীয় ৪ জন ছাড়াও যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যূ করে। এমামলায় জাহাঙ্গীর আলম ও আরিফ মেম্বার জেল ভোগের পর জামিনে মুক্তি হয়। অন্য আসামীরা এখনো পলাতক রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য পেকুয়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আহসান উল্লাহ খোকন, কাইছার বলেন, রাশেদ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে নুর মোহাম্মদ মামলা আপোষ দিতে হুমকি দিয়ে আসছে। তারা বলেন,

এজমি গুলো দেড়শ বছর ধরে আমাদের দাদার সময় থেকে খতিয়ান ভুক্ত হিসাবে ভোগদখলে আছি। ১৫ বছর পূর্বে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে গরু জাহাঙ্গীরের সহযোগীরা জবর দখল করে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ ও তার পিতা গরু জাহাঙ্গীরের অস্ত্রধারী ক্যডার নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে রাশেদ, আনিচ ওই জায়গাতে সশস্ত্র অবস্থান নিয়ে দখলদারিত্ব স্থায়ী করে।
ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী হওয়ার পরও নুর মোহাম্মদ গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রত্যেক পরওয়ানাকৃত আসামীকে গ্রেফতারে পুলিশ সচেষ্ট রয়েছে বলে জানান।

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মামলায় রাশেদ গ্রেফতার হওয়ায় হুমকির মুখে বাদী পরিবার

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। ১৭ই এপ্রিল পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, উৎপাদন সক্ষমতা এবং চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমান, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার ওসি তদন্ত প্রতুল কুমার সুশীল সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ি প্রকল্প দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মামলায় রাশেদ গ্রেফতার হওয়ায় হুমকির মুখে বাদী পরিবার

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মামলায় রাশেদ গ্রেফতার হওয়ায় হুমকির মুখে বাদী পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।