| ২১ জুন ২০২৬

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী এলাকায় অবস্থিত মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানের সংরক্ষিত বনভূমি বিক্রির অভিযোগ ওঠেছেবনবিট কর্মকর্তা মুমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় একটি সেন্ডিকেটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন লোকজনকে বনভূমিতে টাকার বিনিময়ে বসতি স্থাপনের সুযোগ করে দেয়ার সরকারি বনভূমি উজাড় হয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকার সৃষ্টি হয়েছে।
জানাযায় বনভূমিতে বসতি স্থাপনকারী রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হারেসের স্ত্রীও বিটকর্ম কর্মকর্তা কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে বসতি স্থাপনের সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবী করেন। যার ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জাতীয় উদ্যানের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন নিধন করে ও
পাহাড়ের ঢালু কেটে সমতল করে নিত্যদিন বসতি গড়ে তোলা হচ্ছে। কোথাও ঝুপড়ি ঘর তৈরী করে পরিকল্পিত দখলের মহোৎসব চলছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এ দখল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দালালদের মাধ্যমে আগ্রহীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং পরে সেখানে নির্বিঘ্নে বসতি স্থাপন সম্ভব হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, বনবিট কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া এখানে কোনো কিছুই সম্ভব নয়। চা-পানির খরচ দিলেই বসতি নির্মাণে কোনো ধরনের বাধা আসে না বলেও তারা অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে প্রতিটি বসতির জন্য আলাদা করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একটি অংশকে লক্ষ্য করে বনভূমিতে বসতি স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আসা এসব মানুষকে বনভূমির ভেতরে নির্দিষ্ট অংকের টাকার বিনিময়ে ঘর নির্মাণে সহায়তা করা হচ্ছে। বর্তমানে বনবিট এলাকার অন্তত ১০ থেকে ১২টি পাকা ও আধাপাকা বসতঘর নির্মাণাধীন রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের নিয়মিত টহল কার্যক্রমও চোখে পড়ছেনা।

অভিযুক্ত বনবিট কর্মকর্তা মুমিনুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বসতবাড়ি নির্মাণের সুযোগ দিয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা হয়নি। তার দাবি, একটি চক্র তার নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
বনভূমি দখল করে বসতি নির্মাণকারী আবু তাহের নামের এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে “ম্যানেজ” করার চেষ্ঠা করে বলেন, খুটাখালী ১নং ওয়ার্ডের কোনাপাড়া এলাকার আহমদ ছফা, রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হারেসসহ তিনটি বসতঘর নির্মাণের জন্য ১৫ হাজার টাকা করে উৎকোচ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
বিভাগীয় বনবিট কর্মকর্তা মারুফ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, সংরক্ষিত জাতীয় উদ্যানে এ ধরনের অবৈধ দখল কার্যক্রম চলতে থাকলে তা জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে। বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি মানব-বন্যপ্রাণী সংঘাতও বাড়বে।
স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে অবৈধ বসতি উচ্ছেদ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান ধীরে ধীরে দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

নানার বাড়ির পুস্কুনিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

এম.আবদুল্লাহ আনসারী পেকুয়া কক্সবাজার

কক্সবাজারের চকরিয়ার চিরিংগা ইউনিয়নের সওদাগর ঘোনা চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুষ্কুনিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো বোন।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল বেলা ২ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হল,উপজেলার ডুলাহাজরা ইউনিয়নের হেলাল উদ্দিনের কন্যা বকেয়া মনি (৮) এবং চিরিংগা ইউনিয়ন চারা বটতলী এলাকার মিরাজ উদ্দিনের কন্যা হুরিফা জান্নাত (৫)।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,আজ দুপর ২ টার দিকে চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে একটি পুষ্কুনি পাড়ে খেলতে যায় দুই বোন। খেলার এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুষ্কুনি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশুদের মুখ দিয়ে রক্তমিশ্রিত ফেনা বের হচ্ছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

পরে মুমূর্ষু অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন বলেন,দুই শিশুর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।