| ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী এলাকায় অবস্থিত মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানের সংরক্ষিত বনভূমি বিক্রির অভিযোগ ওঠেছেবনবিট কর্মকর্তা মুমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় একটি সেন্ডিকেটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন লোকজনকে বনভূমিতে টাকার বিনিময়ে বসতি স্থাপনের সুযোগ করে দেয়ার সরকারি বনভূমি উজাড় হয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকার সৃষ্টি হয়েছে।
জানাযায় বনভূমিতে বসতি স্থাপনকারী রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হারেসের স্ত্রীও বিটকর্ম কর্মকর্তা কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে বসতি স্থাপনের সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবী করেন। যার ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জাতীয় উদ্যানের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন নিধন করে ও
পাহাড়ের ঢালু কেটে সমতল করে নিত্যদিন বসতি গড়ে তোলা হচ্ছে। কোথাও ঝুপড়ি ঘর তৈরী করে পরিকল্পিত দখলের মহোৎসব চলছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এ দখল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দালালদের মাধ্যমে আগ্রহীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং পরে সেখানে নির্বিঘ্নে বসতি স্থাপন সম্ভব হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, বনবিট কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া এখানে কোনো কিছুই সম্ভব নয়। চা-পানির খরচ দিলেই বসতি নির্মাণে কোনো ধরনের বাধা আসে না বলেও তারা অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে প্রতিটি বসতির জন্য আলাদা করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একটি অংশকে লক্ষ্য করে বনভূমিতে বসতি স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আসা এসব মানুষকে বনভূমির ভেতরে নির্দিষ্ট অংকের টাকার বিনিময়ে ঘর নির্মাণে সহায়তা করা হচ্ছে। বর্তমানে বনবিট এলাকার অন্তত ১০ থেকে ১২টি পাকা ও আধাপাকা বসতঘর নির্মাণাধীন রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের নিয়মিত টহল কার্যক্রমও চোখে পড়ছেনা।

অভিযুক্ত বনবিট কর্মকর্তা মুমিনুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বসতবাড়ি নির্মাণের সুযোগ দিয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা হয়নি। তার দাবি, একটি চক্র তার নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
বনভূমি দখল করে বসতি নির্মাণকারী আবু তাহের নামের এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে “ম্যানেজ” করার চেষ্ঠা করে বলেন, খুটাখালী ১নং ওয়ার্ডের কোনাপাড়া এলাকার আহমদ ছফা, রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হারেসসহ তিনটি বসতঘর নির্মাণের জন্য ১৫ হাজার টাকা করে উৎকোচ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
বিভাগীয় বনবিট কর্মকর্তা মারুফ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, সংরক্ষিত জাতীয় উদ্যানে এ ধরনের অবৈধ দখল কার্যক্রম চলতে থাকলে তা জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে। বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি মানব-বন্যপ্রাণী সংঘাতও বাড়বে।
স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে অবৈধ বসতি উচ্ছেদ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান ধীরে ধীরে দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

নানার বাড়ির পুস্কুনিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

এম.আবদুল্লাহ আনসারী পেকুয়া কক্সবাজার

কক্সবাজারের চকরিয়ার চিরিংগা ইউনিয়নের সওদাগর ঘোনা চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুষ্কুনিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো বোন।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল বেলা ২ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হল,উপজেলার ডুলাহাজরা ইউনিয়নের হেলাল উদ্দিনের কন্যা বকেয়া মনি (৮) এবং চিরিংগা ইউনিয়ন চারা বটতলী এলাকার মিরাজ উদ্দিনের কন্যা হুরিফা জান্নাত (৫)।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,আজ দুপর ২ টার দিকে চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে একটি পুষ্কুনি পাড়ে খেলতে যায় দুই বোন। খেলার এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুষ্কুনি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশুদের মুখ দিয়ে রক্তমিশ্রিত ফেনা বের হচ্ছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

পরে মুমূর্ষু অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন বলেন,দুই শিশুর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি-আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক- আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার মগনামা বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১১ (এপ্রিল) ইউপির বেদারবিল পাড়ার নতুন মার্কেট এলাকায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটের সময় ভোট গ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এসময় ৩ টি বুথে ৩৮০ ভোটার মধ্যে ২৮১ ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায় এবং দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবীণদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তারা সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে ৩ টি পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম।

সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান (চেয়ার মার্কা) ১৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
নুরুল হুদা (ছাতা মার্কা) পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বদি আলম (হরিণ মার্কা) ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
দেলোয়ার হোছেন (ফুটবল মার্কা) ৯৮ ভোট, আবু নয়ন (টিউবওয়েল মার্কা) পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আজিম উদ্দিন (গোলাপ ফুল মার্কা) ১৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (দেওয়াল ঘড়ি মার্কা) ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘবছর পর কাদের বলির পাড়া ও বেদার বিল পাড়া এলাকার সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যদি সমাজ পরিচালনা করা হয় তাহলে সমাজের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়। মগনামার সকল সমাজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এবং মগনামায় এই কমিটির মাধ্যমে সকল দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অনলাইন জুয়া ও মাদক চিরতরে বন্ধ করা হবে।

পেকুয়ার শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে গণ বিবাহ সম্পন্ন

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (0.5402778, 0.6631514);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 42;

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোছাইনের অর্থায়নে চার জোড়া বর কনের গণ বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
১১ মার্চ দুপুরে শিলখালী ইউনিয়নের পেঠানমাতবরপাড়াস্থ নিজ বাস ভবনে সহস্রাধিক লোকজনকে আপ্যায়ন সহ বর কনের পোশাক আসবাব পত্র উপহার দিয়ে এগণবিবাহ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিবাহ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান কামাল হোছাইন, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ আনসারী, প্রফেসর সালাহউদ্দিন, ফরিদুল আলম সিকদার, বেলাল উদ্দিন, বশর মল্লিক, মৌলানা মনজুরুল আলম প্রমুখ। বিবাহ উত্তর মুনাজাত পরিচালনা করেন জানেরমার মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুর রশিদ। হতদরিদ্র পরিবারের চার কণে ও বর হলো পেকুয়া উপজেলার কাচারীমোড়া ১নং ওয়ার্ড শিলখালীর আবুল কাশেমের ছেলে হাসান উদ্দিনের সাথে একই ইউনিয়নের চেপটামোড়ার মমতাজ মিয়ার মেয়ে নাসরিন সোলতানা কেয়ার বিয়ে হয়।
মহেশখালীর মাতারবাড়ী ৭ নং ওয়ার্ড মাইজঘোনার
নুর হোছাইনের ছেলে মো আরিফ ও দক্ষিণ জোম ৬ নং ওয়ার্ড শিলখালীর মো হোসাইন আলীর মেয়ে কুলছুমা বেগম, রিয়াজুদ্দিন উকিল সড়ক ৫ নং চান্দগাও চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে আবদুল করিমের সাথে কাচারীমোড়া শিলখালীর রুহুল কাদেরের মেয়ে
রিনা আকতার, দক্ষিণ জোম শিলখালীর মোকতার আহমদের ছেলে আনিসের একই ইউনিয়নের সেগুনবাগিচার লোকমানের মেয়ে
শফিকা বেগমের বিয়ের আয়োজন করা হয়।