| ২৩ মে ২০২৬

কোনাখালীতে ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ

কোনাখালীতে ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজার জেলার মাতামুহুরী উপজেলার কোণাখালী ইউনিয়নের লতাবুনিয়া পাড়া কিল্লা সংযোগ ব্রীজ নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
শ্রমিকের পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো পাওনাদার সহ বিএনপি নেতাকর্মীদের কুৎসা রটনা করার গুরুতর অভিযোগও ওঠেছে ঠিকাদরের বিরুদ্ধে।
চকরিয়া পিআইও অধিদপ্তরের ৪২ লক্ষ টাকার বাজেটের এই ব্রীজ নির্মানের দায়িত্ব প্রাপ্ত ঠিকাদার চকরিয়ার জাকের আহমদ বাবুলে বিরুদ্ধে গতকাল ২২ মে অতি নিম্নমানের মনগড়া কাজ করার অভিযোগে স্থানীয় শত শত লোক বিক্ষোভ করেছেন।

কোনাখালীর লতাবুনিয়ার সাইফুল আলমের ছেলে বদিউল আলম বলেন, ৩ মাস পাহারাদারের চাকুরী করলে ২০ দিনের বেতন ১২৬০০/ টাকা, পাম্প মেশিনের বকেয়া ৭৫০০/টাকা
ডেলি লেবার (নাইট) ২ জনের ২ হাজার টাকা।
মেশিন মেরামত বাবদ ২২৫০/ না দিয়ে মালামাল নিয়ে চলে যেতে চাইলে পাওনাদাররা টাকা খুজতে গেলে ঠিকাদার ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইউনুসের কাছে গিয়ে লেবার বেতন নিয়ে লহিসাব করবে বলেন সবাইকে সেখানে যেতে বলেন। পরে ঠিকাদার ইউনুসের কাছে না গিয়ে সাইটের মালামাল নিয়ে ভিন্ন পথে চলে যাচ্ছে শুনে সবাই গিয়ে আটকায়। তখন ঠিকাদার ও তার ছেলে শরীপ আমাদের সাথে দস্তাদস্তি শুরু করলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হতে দেখে মটর সাইকেল ও একটি মোবাইল ফেলে চলে যায়। পরে আমারা মটর সাইকেল ও মোবাইল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুলকালাম, সদস্য সচিব ইউনুচের কাছে হস্তান্তর করি। কোনাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুল কালাম বলেন, সদস্য সচিব ইউনুস স্থানীয় বিএনপি
ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাতামুহুরি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই হাঙ্গেরি ঠিকাদারের বেয়াই কালু মেম্বারকে ওই মটর সাইকেল মোবাইল হস্তান্তর করি।
এসময় টাকা নেয়া চাদা দাবী করার কোন কথা উল্লেখ করেনি। ওই ঠিকাদার
টিটএন এ মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের কথা বলে বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে।
মটর সাইকেল ও মোবাইল গ্রহণকারী কালু মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঠিকাদার তার ছেলের শ্বাশুড় হিসেবে উপস্থিত হয়ে মটর সাইকেল ও মোবাইল গ্রহণ করে ফেরত দিয়েছি। সে সময় আরেকটি মোবাইলের কথা বলেছে কোন টাকার কথাও বলেনি, চাঁদাবাজির কথাও বলেনি। এটা ভূল বুঝাবুঝি বলে দূঃখ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন বিনা কারণে লেবারের টাকা না দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করে বিএনপির নেতা কর্মীদের বিতর্কিত করা এ ঠিকাদারের শাস্তি দাবী করেন।
কয়েকশ স্থানীয় লোকজন জানান ব্রীজটি খুবই নিম্নমানের নির্মাণ কাজ করেছে। মানুষের চলাচলের রাস্তা কেটে ডাইভারশন করেছে।
নরম কাদা মাঠির ওপর বালি ছিটিয়ে ইট বসিয়েছে যা মানুষ হাটঁতে গিয়ে ধেবে যাচ্ছে এ অভিযোগ করায় ঠিকাদার তাদের ধম্ব করে বলে তার বাড়ী চকরিয়ায় ইচ্ছে মত কাজ করবে কেউ তার কিছুই করতে পারবেনা।
কোণাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইউনুস বলেন লেবারের সাথে সৃষ্ট ঘটনায় অকারণে তার ও কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করায় তারা বিস্মিত। ওই ঠিকাদার বাইট্টা জাফরের বডিগার্ড গিসেবে পরিচিত পরিকল্পিত ভাবে বিএনপিকে বিতর্কিত করতে ও তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে আতাত করে ষড়যন্ত্র করছে। এ ঠিকাদারকে বিচারের আওতায় আনতে। তার অনিয়মের ব্যপারে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার পিআইও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবীও জানানো হয়।

মাতারবাড়ী বন্দর সংযোগ সড়ক নির্মাণে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে চকরিয়ায় মতবিনিময় সভা

কোনাখালীতে ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ

মনিরুল আমিন.চকরিয়া
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়ক প্রকল্পকে ঘিরে স্থানীয় উন্নয়ন,জনসম্পৃক্ততা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় ফাঁসিয়াখালী মহাসড়ক সংলগ্ন ম্যাক্স প্রকল্প কার্যালয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স অ্যান্ড টোকিও কনস্ট্রাকশনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রমও আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সঞ্চালনা করেন সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভুট্টো। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ম্যাক্স প্রকল্পের ম্যানেজার আহমেদ সুফি। তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং স্থানীয় জনগণের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সভায় বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রূপায়ন দেব,চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন,চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক,সাধারণ সম্পাদক এম. মোবারক আলী, মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী,চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. আব্দুর রহিম,চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর আলী, হেফাজতুর রহমান চৌধুরী টিপুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও সাংবাদিক এম.আর. মাহমুদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী,জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য এবং শতাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন,মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। এই বন্দরের সঙ্গে দেশের প্রধান সড়ক নেটওয়ার্কের কার্যকর সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে নির্মিতব্য পোর্ট এক্সেস রোড দেশের বাণিজ্য ও পরিবহন খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। তারা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা, প্রশাসনের সমন্বয় এবং গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় জানানো হয়,প্রায় ২৭ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনবিশিষ্ট চকরিয়া-মাতারবাড়ী বন্দর সংযোগ সড়কটি মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে সরাসরি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (এন-১)-এর সঙ্গে যুক্ত করবে। জাইকার সহায়তায় বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্প সম্পন্ন হলে পণ্য পরিবহন আরও দ্রুত, নিরাপদ ও ব্যয়-সাশ্রয়ী হবে। পাশাপাশি চকরিয়া, মহেশখালী ও আশপাশের এলাকার শিল্প, বাণিজ্য,পর্যটন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনগণ,সাংবাদিক ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ ও প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভা মাতারবাড়ী বন্দর সংযোগ সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় অংশীজনদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার নতুন বার্তা পৌঁছে দেয়।

কোটি টাকার জমি মাত্র ১০ লাখে বিক্রি জড়িত ডিএফও এবং রেন্জ কর্মকর্তা শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

কোনাখালীতে ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ

কোটি টাকার জমি মাত্র ১০ লাখে বিক্রি জড়িত ডিএফও এবং রেন্জ কর্মকর্তা শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

গতকাল ২০ মে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকায় বনবিভাগের কোটি টাকার জমি মাত্র ১০ লাখে বিক্রি, জড়িত ডিএফও এবং রেন্জ কর্মকর্তা শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার এবং মানহানি করা হয়েছে। এই সংবাদের নুন্যতম কোন সত্যতা নাই। আমি মনে করছি বনের জমি খেকোরা পরিকল্পিতভাবে এমন মিথ্যাচার করে বন বিভাগের সুনাম ক্ষুন্ন করছে, তবে দু:খজনক হলেও সত্য তাতে অসাধু এক বিট কর্মকর্তা জড়িত রয়েছে ।

প্রকৃতপক্ষে ছনুয়া রেন্জের ছনুয়া সদর বিটের ছনুয়া মৌজার ১৬৯৫ বিএস দাগের ১৯৮২ সালে বন বিশ্রামাগারের জন্য এক একর জায়গা অধিগ্রহণ ও বন বিভাগের নামে বিএস খতিয়ান ভুক্ত হয়। যা বন বিভাগের দখলে ছিলো। বর্তমানে উক্ত কর্মস্থলে কর্মরত বিট কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম (ফরেস্ট গার্ড) উক্ত জমি ওই এলাকার জৈনক মিজান চৌধুরীর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাকে অবৈধ দখলের সুযোগ দেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে চট্টগ্রাম উপকুলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাছান ও ছনুয়ার রেন্জ কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম উক্ত জায়গা পরিদর্শন করে উক্ত ঘটনার সত্যতা পান। পরবর্তীতে এই অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য ওই অসাধু বিট কর্মকর্তাকে ২২.০১.০০০০.৭৫৭.০৫.২৬.৩২ তারিখ ২৭/০৪/২০২৬ নং স্বারকে শোকজ করা হয়। অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা পরবর্তীতে ৭/০৫/২৬ তারিখে জবাব দেন যা সন্তোষজনক ছিলোনা। যা পরবর্তিতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে রেন্জ কর্মকর্তা উক্ত জায়গা দখল মুক্ত করে বন বিশ্রামাগারের সাইনবোর্ড স্থাপন এবং বৃক্ষরোপণ করিয়া বনবিভাগের দখলে নিয়ে আসেন। এই ছাড়া উক্ত সংবাদে একটি অডিও রেকর্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা এঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয়।

প্রকৃত পক্ষে কিছুদিন পূর্বে উজানটিয়া পেকুয়ারচর বন বিভাগের জমি জবরদখল উচ্ছেদের দিন ব্যবহৃত ভাড়ায় নেয়া একাধিক যানবাহন, বোট ভাড়া ও শ্রমিকের মজুরীর টাকা পরিশোধের জন্য আমার রেন্জের স্টাফ সাইফুল ইসলাম (বিএম) কে নির্দেশ দিই । অথচ ওই অডিও এই ছনুয়া বিশ্রামাগারের জায়গা দখলের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অত্যান্ত হাস্যকর। কাজেই উক্ত সংবাদের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

 

প্রতিবাদকারী

মো: জহিরুল ইসলাম

রেন্জ কর্মকর্তা

ছনুয়া রেন্জ।

পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সাপ্তাহ শুরু

কোনাখালীতে ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু হয়েছে।
নিরাপদে রাখবো সম্পদ ও জীবন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ২০ মে সকাল ১১ টায়
পেকুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে দপ্তরটির ইনচার্জ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।
পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে পেকুয়া চৌমুহনী চত্বর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে ষ্টেশনের হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অগ্নিঝুঁকি হ্রাস ও দেশের সম্পদ রক্ষায় এই সংস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে গড়ে তুলতে হবে।