কোনাখালীতে ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার জেলার মাতামুহুরী উপজেলার কোণাখালী ইউনিয়নের লতাবুনিয়া পাড়া কিল্লা সংযোগ ব্রীজ নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
শ্রমিকের পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো পাওনাদার সহ বিএনপি নেতাকর্মীদের কুৎসা রটনা করার গুরুতর অভিযোগও ওঠেছে ঠিকাদরের বিরুদ্ধে।
চকরিয়া পিআইও অধিদপ্তরের ৪২ লক্ষ টাকার বাজেটের এই ব্রীজ নির্মানের দায়িত্ব প্রাপ্ত ঠিকাদার চকরিয়ার জাকের আহমদ বাবুলে বিরুদ্ধে গতকাল ২২ মে অতি নিম্নমানের মনগড়া কাজ করার অভিযোগে স্থানীয় শত শত লোক বিক্ষোভ করেছেন।
কোনাখালীর লতাবুনিয়ার সাইফুল আলমের ছেলে বদিউল আলম বলেন, ৩ মাস পাহারাদারের চাকুরী করলে ২০ দিনের বেতন ১২৬০০/ টাকা, পাম্প মেশিনের বকেয়া ৭৫০০/টাকা
ডেলি লেবার (নাইট) ২ জনের ২ হাজার টাকা।
মেশিন মেরামত বাবদ ২২৫০/ না দিয়ে মালামাল নিয়ে চলে যেতে চাইলে পাওনাদাররা টাকা খুজতে গেলে ঠিকাদার ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইউনুসের কাছে গিয়ে লেবার বেতন নিয়ে লহিসাব করবে বলেন সবাইকে সেখানে যেতে বলেন। পরে ঠিকাদার ইউনুসের কাছে না গিয়ে সাইটের মালামাল নিয়ে ভিন্ন পথে চলে যাচ্ছে শুনে সবাই গিয়ে আটকায়। তখন ঠিকাদার ও তার ছেলে শরীপ আমাদের সাথে দস্তাদস্তি শুরু করলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হতে দেখে মটর সাইকেল ও একটি মোবাইল ফেলে চলে যায়। পরে আমারা মটর সাইকেল ও মোবাইল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুলকালাম, সদস্য সচিব ইউনুচের কাছে হস্তান্তর করি। কোনাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুল কালাম বলেন, সদস্য সচিব ইউনুস স্থানীয় বিএনপি
ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাতামুহুরি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই হাঙ্গেরি ঠিকাদারের বেয়াই কালু মেম্বারকে ওই মটর সাইকেল মোবাইল হস্তান্তর করি।
এসময় টাকা নেয়া চাদা দাবী করার কোন কথা উল্লেখ করেনি। ওই ঠিকাদার
টিটএন এ মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের কথা বলে বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে।
মটর সাইকেল ও মোবাইল গ্রহণকারী কালু মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঠিকাদার তার ছেলের শ্বাশুড় হিসেবে উপস্থিত হয়ে মটর সাইকেল ও মোবাইল গ্রহণ করে ফেরত দিয়েছি। সে সময় আরেকটি মোবাইলের কথা বলেছে কোন টাকার কথাও বলেনি, চাঁদাবাজির কথাও বলেনি। এটা ভূল বুঝাবুঝি বলে দূঃখ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন বিনা কারণে লেবারের টাকা না দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করে বিএনপির নেতা কর্মীদের বিতর্কিত করা এ ঠিকাদারের শাস্তি দাবী করেন।
কয়েকশ স্থানীয় লোকজন জানান ব্রীজটি খুবই নিম্নমানের নির্মাণ কাজ করেছে। মানুষের চলাচলের রাস্তা কেটে ডাইভারশন করেছে।
নরম কাদা মাঠির ওপর বালি ছিটিয়ে ইট বসিয়েছে যা মানুষ হাটঁতে গিয়ে ধেবে যাচ্ছে এ অভিযোগ করায় ঠিকাদার তাদের ধম্ব করে বলে তার বাড়ী চকরিয়ায় ইচ্ছে মত কাজ করবে কেউ তার কিছুই করতে পারবেনা।
কোণাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইউনুস বলেন লেবারের সাথে সৃষ্ট ঘটনায় অকারণে তার ও কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করায় তারা বিস্মিত। ওই ঠিকাদার বাইট্টা জাফরের বডিগার্ড গিসেবে পরিচিত পরিকল্পিত ভাবে বিএনপিকে বিতর্কিত করতে ও তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে আতাত করে ষড়যন্ত্র করছে। এ ঠিকাদারকে বিচারের আওতায় আনতে। তার অনিয়মের ব্যপারে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার পিআইও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবীও জানানো হয়।




















