| ১৫ জুন ২০২৬

পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সাপ্তাহ শুরু

পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সাপ্তাহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু হয়েছে।
নিরাপদে রাখবো সম্পদ ও জীবন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ২০ মে সকাল ১১ টায়
পেকুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে দপ্তরটির ইনচার্জ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।
পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে পেকুয়া চৌমুহনী চত্বর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে ষ্টেশনের হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অগ্নিঝুঁকি হ্রাস ও দেশের সম্পদ রক্ষায় এই সংস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে গড়ে তুলতে হবে।

কৈয়ারবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী

পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সাপ্তাহ শুরু

মনিরুল আমিন

কক্সবাজারের চকরিয়ার কৈয়ারবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক,কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র,বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী,সমাজসেবক মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী।

সংগঠক ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী। শিক্ষা প্রশাসনে অভিজ্ঞ ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত এই নেতার হাতে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গতকাল রবিবার (১৪ জুন) জারি করা এক স্মারকে বিদ্যালয়টির এডহক কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা, ২০২৪-এর ৬৪(১০) ধারা অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অনুমোদিত কমিটিতে বোর্ড কর্তৃক মনোনীত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী। পদাধিকার বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য ফরিদুল আনোয়ার,অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য সালামত উল্লাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।

এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর মোনায়েম ইসলাম চৌধুরী বলেন,কৈয়ারবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব যেমন আমার জন্য সম্মানের,তেমনি বিশাল দায়িত্বও। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে আমি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অবদান রাখতে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

 

পেকুয়ায় পুকুর দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সাপ্তাহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মগকাটা এলাকায় একটি ভোগদখলীয় পুকুর জবরদখল, হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা করম আলী।

গত ১১ তারিখ (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৩ টার দিকে পুকুর দখলের এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মগকাটা এলাকার বাসিন্দা করম আলী পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তাদের পৈতৃক সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা একটি পুকুর নিয়ে একই এলাকার জহির মিয়া (৪০), খুরশিদা বেগম (৩৫) ও পারভেজ (২০) জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১১ জুন বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্তরা ধারালো দা, লোহার রড, গাছের বাটামসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযোগকারীর বসতবাড়ির সংলগ্ন পুকুরটি জবরদখল করেন। এ সময় বাড়িতে পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগে তারা পুকুরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

করম আলী দাবি করেন, ঘটনাটি জানতে পেরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাদের ওপর চড়াও হন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা পুকুরটি ছেড়ে দিতে চাইলে দেড় লাখ টাকা দাবি করেন এবং অন্যথায় পুকুরটি দখলে রাখার ঘোষণা দেন।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তা মানতে অস্বীকৃতি জানান। বরং মামলা-মোকদ্দমা করলে অভিযোগকারী ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে করম আলী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইমরুল হাসান জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে বাকিটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সাপ্তাহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলহাজারা সাফারী পার্কে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরিবেশের সুরক্ষা, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী এ কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন। প্রধান মন্ত্রী ও তার স্ত্রী ডা জুবাইদা রহমানপার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইসতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে কর্মসূচির আওতায় ২৫ হাজার ৯৬০ হেক্টর ব্লক বাগানে ৪ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার চারা, ৩ হাজার ৭২৭ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগানে ৩৭ লাখ ২৭ হাজার চারা এবং ৪ হাজার হেক্টর ম্যানগ্রোভ বাগানে ১ কোটি ৭৭ লাখ ৭৬ হাজার চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বসতবাড়ি বনায়নের জন্য আরও ৫৬ লাখ চারা বিতরণ ও রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৃহৎ এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দেশের বনভূমি সম্প্রসারণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।