| ৪ মে ২০২৬

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

কক্সবাজার তথা পেকুয়ার শ্রেষ্ঠ সন্তান আপনার টেকসই উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বহুমুখী ভুমিকা ও কর্মপরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে আমি আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনার সুমহান দৃষ্টি ভঙ্গি ও সানুগ্রহ কামনা করছি। ইনশাআল্লাহ বিজয় হবেন এবং আমাদের এই এক গুচ্ছ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন সেই ফরিয়াদ মহান আল্লাহ কাছে।

পেকুয়ার সার্বিক উন্নয়নে আপনার প্রধান করণীয়গুলো নিচে দেওয়া হলো: যা অবশ্যই আপনি করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আছেন। তারপরও বাকি সব এভাবে হতে পারে।

১. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ
রাস্তা ও সেতু নির্মাণ: গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এলজিইডি (LGED)-এর মাধ্যমে নতুন রাস্তা নির্মাণ এবং জরাজীর্ণ সেতু ও কালভার্ট সংস্কারের জন্য বরাদ্দ নিশ্চিত করা।

বেড়িবাঁধ সংস্কার: পেকুয়া একটি উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় জলচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বড় প্রকল্পের অনুমোদন করানো।

বিদ্যুতায়ন: উপজেলার প্রতিটি ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে গ্রিড সাব-স্টেশন ও লাইন সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখা।

২. কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প: স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা এবং বিসিক (BSIC) শিল্প নগরী স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া।

মৎস্য ও কৃষি উন্নয়ন: লবণ চাষী এবং মৎস্যজীবীদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও সরকারি প্রণোদনা নিশ্চিত করা।

যুব উন্নয়ন: কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (TTC) মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারে চাকরির সুযোগ তৈরি করা।

৩. শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: নতুন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা স্থাপন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তি ও ভৌত অবকাঠামো (ভবন নির্মাণ) নিশ্চিত করা।

স্বাস্থ্যসেবা: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক যন্ত্রপাতি, অ্যাম্বুলেন্স এবং পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মাধ্যমে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা।

৪. সামাজিক সুরক্ষা ও সুশাসন
সামাজিক নিরাপত্তা: বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং টিআর/কাবিখা-এর মতো কর্মসূচিগুলো যেন প্রকৃত দুস্থরা পায়, তা তদারকি করা।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা: মাদক নির্মূল এবং স্থানীয় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করা। সফল উন্নয়নের জন্য আপনার কাছে অনুরোধ স্থানীয় জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা এবং উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

পেকুয়ার টেকসই উন্নয়নে আরও যেসব গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে পারেন:
৫। লবণ শিল্পের আধুনিকায়ন ও চাষীদের সুরক্ষাঃ পেকুয়াসহ কক্সবাজারের ৯৫% লবণ উৎপাদিত হয় এবং এ খাতে বিপুল মানুষ নিয়োজিত।

সংরক্ষণাগার নির্মাণ: চট্টগ্রামে ১ লাখ মেট্রিক টন লবণ সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে এবং পেকুয়ায় স্থানীয় স্টোরেজ সুবিধা বাড়াতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কাজ করা।

মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূল: সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে লবণ ক্রয়ের ব্যবস্থা করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখা।
প্রযুক্তিগত সহায়তা: বিসিক (BSCIC)-এর মাধ্যমে আধুনিক পলিথিন পদ্ধতি ও কারিগরি জ্ঞান প্রসারে তদারকি করা।

৬। পর্যটন ও ব্লু-ইকোনমি (নীল অর্থনীতি)
পেকুয়ার উপকূলীয় সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি শক্তিশালী করা সম্ভব:
ইকো-ট্যুরিজম: উপকূলীয় বনাঞ্চল ও সৈকত এলাকায় পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা।

ব্লু-ইকোনমি প্রকল্প: সমুদ্র সম্পদ আহরণ, গভীর সমুদ্রে মৎস্য শিকার এবং সামুদ্রিক শৈবাল চাষের মতো প্রকল্পে সরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।

জেটি নির্মাণ: যোগাযোগ ও বাণিজ্যের সুবিধার্থে বিভিন্ন ঘাটে (যেমন আকবর বলী ঘাট বা ধুরুং ঘাট) আধুনিক জেটি নির্মাণ তদারকি করা।

৭. জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
উপকূলীয় এলাকা হিসেবে পেকুয়া ঘূর্ণিঝড় ও লোনা পানির ঝুঁকিতে থাকে।

বনায়ন কর্মসূচি: চরাঞ্চল ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ বা ম্যানগ্রোভ বনায়ন নিশ্চিত করা।

জলবদ্ধতা নিরসন: নদী ও খাল পুনঃখনন (Restoration of low flowing rivers) করে কৃষিজমির লোনা পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানো।

৮। বৃহৎ অবকাঠামো ও যাতায়াত

৯। লেন মহাসড়ক: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবিতে জোরালো ভূমিকা রাখা, যা পেকুয়াকে বাণিজ্যিক হাবে পরিণত করবে।

মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন: কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (CoxDA)-এর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী পেকুয়াকে একটি পরিকল্পিত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বয় করা।

১০।সামাজিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি
যুব ও নারী উন্নয়ন: আইএলও (ILO) ও অন্যান্য সংস্থার সহায়তায় নারী ও যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

ডিজিটাল সেবা: উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে হাই-স্পিড ইন্টারনেট ও আইসিটি ল্যাব স্থাপন করে ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া।

এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণের মাধ্যমে আপনি একজন পেকুয়াকে ২০২৬ সাল ও পরবর্তী সময়ের জন্য একটি আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন সেই প্রত্যাশা সর্বসাধারণের।
পেকুয়ার উন্নয়নে আপনার প্রথাগত কাজের বাইরে আরও যে চমৎকার ও আধুনিক পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন, তা নিচে দেওয়া হলো:
স্মার্ট এগ্রিকালচার ও লবণ চাষের যান্ত্রিকীকরণ:
পেকুয়ায় চাষাবাদের একটি বড় অংশ জুড়ে আছে লবণ ও চিংড়ি। এমপি এখানে ‘স্মার্ট সল্ট ফার্মিং’ প্রবর্তন করতে পারেন, যেখানে আবহাওয়ার আগাম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে চাষীদের কাছে পৌঁছাবে। এছাড়া ড্রায়ার মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে বর্ষাকালেও লবণ উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব।

ব্লু-ট্যুরিজম ও রিভারক্রুজ কেন্দ্র:
পেকুয়ার বুক চিরে বয়ে যাওয়া মাতামুহুরী নদী এবং উপকূলীয় মোহনাকে কেন্দ্র করে ‘রিভারক্রুজ পর্যটন’ বা ওয়াটার স্পোর্টসের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এটি স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য আয়ের নতুন পথ খুলে দেবে।

লেখক
মুহাম্মদ ইউছুপ
প্রধান শিক্ষক / সদস্য সচিব
কর্ণফুলী এ জে চৌধুরী বহুমুখী (কৃষি) উচ্চ বিদ্যালয়।
কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম।

অপহরণ চক্রের নারী সদস্য আটক

চকরিয়ার অপহৃত ছাত্রী কক্সবাজার থেকে উদ্ধার

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহৃত শিক্ষার্থী উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণ চক্রের নারী সদস্যকে আটক করা হয়।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত এক অপ্রাপ্তবয়স্কা মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও জড়িত এক মহিলাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সাহারবিল এলাকার প্রবাসী শাহা আলমের মাদ্রাসা পড়ুয়া কন্যা জন্নাতুল নাঈম (১৩), গত ২৮/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। ওই ছাত্রীর পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার ভাই শিহাব চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী নং-১৫২৯, তারিখ-২৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ দায়ের করে। উক্ত ডায়েরীর আলোকে সন্দেহভাজন লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ফরেস্টর জামাল উদ্দিনের কন্যা তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় হতে আটক করে। তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা প্রথমে ভিকটিম তার হেফাজতে থাকার কথা অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ের পুলিশের অভিযান টিমের সন্দেহ হওয়ায় কক্সবাজার কলাতলী লাইট হাউস এলাকায় শিমার ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম জন্নাতুল নাঈম (১৩)কে উদ্ধার করে। এসময় উক্ত ঘরে থাকা দুজন রাখাইন মেয়ে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা (২৫) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরবর্তীতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়ানো এবং স্বর্ণের চেইন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনার দিন ভিকটিমকে অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় চকরিয়া থানাধীন সাহারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার গেইটের সামন থেকে কৌশলে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে এবং কক্সবাজার সদর থানাধীন লাইট হাউজ পাড়া এলাকায় নিয়ে তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমার ভাড়া বাসায় আটক করে রাখে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আসামীরা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সাথে জড়িত, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে যৌন শোষণ ও পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা বিক্রয় করে থাকে।
উদ্ধার অভিযানে ১নং আসামীকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে চকরিয়া থানার এফআইআর নং-৪৪, তারিখ- ৩০ এপ্রিল, ২০২৬; জি আর নং-১৬৬, ধারা-মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২ এর ৭/৮/১০/১১ মামলা রুজু করা হয়।

পেকুয়ার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের পেকুয়ার আলোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক হয়েছে।
৩০ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে পেকুয়া থানার একদল পুলিশ মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গোয়াখালীর নুরুল কাইয়ুমের ছেলে সোহেল ও তার সহযোগীদের হামলায় ৫জন গুরুতর আহত হয়। আহত পক্ষের মুজাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় সোহেল ও তার সহযোগী ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মামলা নং জিআর ৬৫/২৬ তাং ২৯/০৪/২৬। এমামলার ২ নং আসামী সোহেলকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
মামলার বাদী মুজাহিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রটি এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজি করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
আহতদের প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজি ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। পেকুয়া থানা ও আদালতে বিভিন্ন অপরাধে মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য মামলা গুলো হল এদিকে আটক সোহেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে যার নং সি আর-৪৫১/১৯, জি আর- ৭৯/২০২৪,জি আর-২০২/২৪, জি আর- ২২২/১৮,সি আর-২০৪/২৩, সি আর-১৪৯০/২১।
তিনি পূর্বেও কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় তিনি দ্রুত আইনের আওতা থেকে বেরিয়ে এসে পূণরায় অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম বলেন, এঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে আটকও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফের সংঘর্ষেরও আশংকা করে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের স্মরণে ‎স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা


‎ডেস্ক রিপোর্ট

‎১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে চট্টগ্রাম কক্সবাজার উপকূল অঞ্চলে নিহতের স্মরণে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পেকুয়া উপজেলা লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎এ সময় নিহতদের স্মরণে স্মৃতিচারণ করেন, লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির যুগ্ন আহবায়ক এম আজম উদ্দিন, সদস্য সচিব দেলওয়ার হোসাইন, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক বারবাকিয়া উপশাখার ক্যাশ ইনচার্জ জিল্লুল করিম।

‎নিহতদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করে মোনাজাত পরিচালনা করেন ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন।

‎এসময় স্থানীয় মুসল্লী ও নানান শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

‎উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যারি এন’ লণ্ডভণ্ড করে দেয় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় পুরো উপকূল। স্মরণকালের ভয়াবহ এ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৬ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। মারা যায় ২০ লাখ গবাদি পশু। প্রায় এক কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়। ক্ষতি হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।