পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখলের অভিযোগ
পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখল করে নিতে সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান পেকয়া বাঁশখালীর সীমান্তবর্তী দক্ষিন পুইছড়ি ৩ নং ওয়ার্ডর নুরাবাপের পাড়ায় নুরুন্নবী সওদাগরের ক্রয় করা জমি জবর দখলে নিতে একই এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে ফিরোজ আহমদ(৫৫) , ফিরোজ আহমদের ছেলে ফোরকান(৩৫) ছমিউদ্দিন (৩০) রবিউল আলম (২৮) আমির হোছাইন (২০) সহ ১০/১২ মহিলা নিয়ে ২৯ জুলাই সকাল সাড়ে ১১ টায় সশস্ত্র হামলা করে ভাংচুর করে গাছ পালা কেটে নিয়ে যায়। নুরুন্নবী বলেন, আলিমিয়ার ছেলে লালমিয়া তার মা গোলবারের পৈত্রিক জমি তিনি সহ নুরুল আবছার নবীহোছাইনকে বিএস ৬৭১ এর জমি ৭৭৪৭ নং দলিল মুলে বিক্রয় করেন। হামলাকারীরা সম্পূর্ণ মালিকানা ছাড়া জবর দখল করতে হামলা করেছে। হামলাকারীদের কবল থেকে রেহায় পেতে ৯৯৯ পুলিশের সহায়তা নিয়ে রেহায় পেয়েছে। পুলিশ আসার আগেই টেংরা ভাংচুর গাছ কেটে লুট করে নিয়ে গিয়েছে খড়ের স্তুপে আগুন লাগিয়ে জ্বলিয়ে দিয়েছে। জমির বিক্রেতা লাল মিয়া বলেন বিচার বানিজ্য করতে ব্যর্থ হয়ে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি জহির ও নাসির নামক দু ব্যক্তি ইন্দন দিয়ে এঘটনা ঘটিয়েছে। ব্যবসায়ী নুরুন্নবী আরো বলেন, এব্যপারে বাশখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীরকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হলে পরিমাপ করার পর আসামীরা আর থানায় হাজির না হলে আসামীর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করা হয়। স্থানীয় ভাবে সামাধান করতে জহির পেকুয়ার হুমায়ুন সার্ভেয়ার জিয়া এসআই আলমগীর সহ সালিশি বৈঠকে বসে পরিমাপ করে দখল বুঝে দেয়া হয়। বিচারের পরে জহির ২০ হাজার টাকা চাইলে না দেয়ায় সত্বহীন ফিরোজ গংদের দিয়ে জবর করায়। তিনি জবর দখল কারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান। হামলাকারী ফিরোজ আহমদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। বাঁশখালী থানার এএসআই আলমগীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন নুরুন্নবী বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। দু পক্ষে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে বলা হয়েছে। নিজেরা স্থানীয় ভাবে বসে মীমাংসার কথা বলে পরিমাপ করে যার যার জমি তাকে বুঝে দেয়া হয়েছে। বিবাদীরা নুরুন্নবীর জমি জবর দখলের বিষয়টি শুনেছি তিনি না থাকায় ডিউটি টীম গিয়েছিল পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।











