| ৪ মে ২০২৬

পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখলের অভিযোগ

পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখলের অভিযোগ

পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখল করে নিতে সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান পেকয়া বাঁশখালীর সীমান্তবর্তী দক্ষিন পুইছড়ি ৩ নং ওয়ার্ডর নুরাবাপের পাড়ায় নুরুন্নবী সওদাগরের ক্রয় করা জমি জবর দখলে নিতে একই এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে ফিরোজ আহমদ(৫৫) , ফিরোজ আহমদের ছেলে ফোরকান(৩৫) ছমিউদ্দিন (৩০) রবিউল আলম (২৮) আমির হোছাইন (২০) সহ ১০/১২ মহিলা নিয়ে ২৯ জুলাই সকাল সাড়ে ১১ টায় সশস্ত্র হামলা করে ভাংচুর করে গাছ পালা কেটে নিয়ে যায়। নুরুন্নবী বলেন, আলিমিয়ার ছেলে লালমিয়া তার মা গোলবারের পৈত্রিক জমি তিনি সহ নুরুল আবছার নবীহোছাইনকে বিএস ৬৭১ এর জমি ৭৭৪৭ নং দলিল মুলে বিক্রয় করেন। হামলাকারীরা সম্পূর্ণ মালিকানা ছাড়া জবর দখল করতে হামলা করেছে। হামলাকারীদের কবল থেকে রেহায় পেতে ৯৯৯ পুলিশের সহায়তা নিয়ে রেহায় পেয়েছে। পুলিশ আসার আগেই টেংরা ভাংচুর গাছ কেটে লুট করে নিয়ে গিয়েছে খড়ের স্তুপে আগুন লাগিয়ে জ্বলিয়ে দিয়েছে। জমির বিক্রেতা লাল মিয়া বলেন বিচার বানিজ্য করতে ব্যর্থ হয়ে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি জহির ও নাসির নামক দু ব্যক্তি ইন্দন দিয়ে এঘটনা ঘটিয়েছে। ব্যবসায়ী নুরুন্নবী আরো বলেন, এব্যপারে বাশখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত কর্মকর্তা আলমগীরকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হলে পরিমাপ করার পর আসামীরা আর থানায় হাজির না হলে আসামীর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করা হয়। স্থানীয় ভাবে সামাধান করতে জহির পেকুয়ার হুমায়ুন সার্ভেয়ার জিয়া এসআই আলমগীর সহ সালিশি বৈঠকে বসে পরিমাপ করে দখল বুঝে দেয়া হয়। বিচারের পরে জহির ২০ হাজার টাকা চাইলে না দেয়ায় সত্বহীন ফিরোজ গংদের দিয়ে জবর করায়। তিনি জবর দখল কারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান। হামলাকারী ফিরোজ আহমদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। বাঁশখালী থানার এএসআই আলমগীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন নুরুন্নবী বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। দু পক্ষে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে বলা হয়েছে। নিজেরা স্থানীয় ভাবে বসে মীমাংসার কথা বলে পরিমাপ করে যার যার জমি তাকে বুঝে দেয়া হয়েছে। বিবাদীরা নুরুন্নবীর জমি জবর দখলের বিষয়টি শুনেছি তিনি না থাকায় ডিউটি টীম গিয়েছিল পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

অপহরণ চক্রের নারী সদস্য আটক

চকরিয়ার অপহৃত ছাত্রী কক্সবাজার থেকে উদ্ধার

পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহৃত শিক্ষার্থী উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণ চক্রের নারী সদস্যকে আটক করা হয়।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত এক অপ্রাপ্তবয়স্কা মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও জড়িত এক মহিলাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সাহারবিল এলাকার প্রবাসী শাহা আলমের মাদ্রাসা পড়ুয়া কন্যা জন্নাতুল নাঈম (১৩), গত ২৮/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। ওই ছাত্রীর পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার ভাই শিহাব চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী নং-১৫২৯, তারিখ-২৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ দায়ের করে। উক্ত ডায়েরীর আলোকে সন্দেহভাজন লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ফরেস্টর জামাল উদ্দিনের কন্যা তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় হতে আটক করে। তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা প্রথমে ভিকটিম তার হেফাজতে থাকার কথা অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ের পুলিশের অভিযান টিমের সন্দেহ হওয়ায় কক্সবাজার কলাতলী লাইট হাউস এলাকায় শিমার ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম জন্নাতুল নাঈম (১৩)কে উদ্ধার করে। এসময় উক্ত ঘরে থাকা দুজন রাখাইন মেয়ে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা (২৫) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরবর্তীতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়ানো এবং স্বর্ণের চেইন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনার দিন ভিকটিমকে অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় চকরিয়া থানাধীন সাহারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার গেইটের সামন থেকে কৌশলে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে এবং কক্সবাজার সদর থানাধীন লাইট হাউজ পাড়া এলাকায় নিয়ে তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমার ভাড়া বাসায় আটক করে রাখে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আসামীরা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সাথে জড়িত, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে যৌন শোষণ ও পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা বিক্রয় করে থাকে।
উদ্ধার অভিযানে ১নং আসামীকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে চকরিয়া থানার এফআইআর নং-৪৪, তারিখ- ৩০ এপ্রিল, ২০২৬; জি আর নং-১৬৬, ধারা-মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২ এর ৭/৮/১০/১১ মামলা রুজু করা হয়।

পেকুয়ার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক

পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের পেকুয়ার আলোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক হয়েছে।
৩০ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে পেকুয়া থানার একদল পুলিশ মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গোয়াখালীর নুরুল কাইয়ুমের ছেলে সোহেল ও তার সহযোগীদের হামলায় ৫জন গুরুতর আহত হয়। আহত পক্ষের মুজাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় সোহেল ও তার সহযোগী ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মামলা নং জিআর ৬৫/২৬ তাং ২৯/০৪/২৬। এমামলার ২ নং আসামী সোহেলকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
মামলার বাদী মুজাহিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রটি এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজি করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
আহতদের প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজি ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। পেকুয়া থানা ও আদালতে বিভিন্ন অপরাধে মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য মামলা গুলো হল এদিকে আটক সোহেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে যার নং সি আর-৪৫১/১৯, জি আর- ৭৯/২০২৪,জি আর-২০২/২৪, জি আর- ২২২/১৮,সি আর-২০৪/২৩, সি আর-১৪৯০/২১।
তিনি পূর্বেও কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় তিনি দ্রুত আইনের আওতা থেকে বেরিয়ে এসে পূণরায় অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম বলেন, এঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে আটকও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফের সংঘর্ষেরও আশংকা করে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের স্মরণে ‎স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎

পেকুয়ার টইটং বাজারের ব্যবসায়ীর জমি জবর দখলের অভিযোগ


‎ডেস্ক রিপোর্ট

‎১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে চট্টগ্রাম কক্সবাজার উপকূল অঞ্চলে নিহতের স্মরণে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পেকুয়া উপজেলা লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎এ সময় নিহতদের স্মরণে স্মৃতিচারণ করেন, লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির যুগ্ন আহবায়ক এম আজম উদ্দিন, সদস্য সচিব দেলওয়ার হোসাইন, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক বারবাকিয়া উপশাখার ক্যাশ ইনচার্জ জিল্লুল করিম।

‎নিহতদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করে মোনাজাত পরিচালনা করেন ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন।

‎এসময় স্থানীয় মুসল্লী ও নানান শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

‎উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যারি এন’ লণ্ডভণ্ড করে দেয় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় পুরো উপকূল। স্মরণকালের ভয়াবহ এ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৬ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। মারা যায় ২০ লাখ গবাদি পশু। প্রায় এক কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়। ক্ষতি হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।