| ১৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পেকুয়ায় শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পেকুয়ায় শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে উপজেলা শ্রমিকদলের এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার চৌমুহনিস্থ প্রধান কার্যালয়ে এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আসন্ন কর্মসূচিকে সফল করতে সাংগঠনিক প্রস্তুতি, জনসমাগম বৃদ্ধি এবং দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে পেকুয়ার নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
সভায় নেতৃবৃন্দ কর্মসূচি সফল করতে সকল ইউনিটের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

উপজেলা শ্রমিকদলের সহসভাপতি ওসমান গনি বলেন, শ্রমিকদলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এবং শৃঙ্খলা মেনে সব ধরণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

পেকুয়া উপজেলা শ্রমিকদলের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রস্তুতি সভায় জেলা শ্রমিক দলের সদস্য মিজান পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন। শ্রমিকদল সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায়
সিনিয়র সহ-সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সহ সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, মগনামা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি আজমগীর,উজানটিয়া ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি আবুল কাশেম,রাজাখালী ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দু রশিদ,বারবাকিয়া ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি কামাল উদ্দিন,টৈটং ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি শাহাজান,সদর পূর্বজোন সভাপতি মীর কাশেম, উপজেলা শ্রমিকদল নেতা শাহাব উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক জামসেদুল হাসান, মগনামার সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম,উজানটিয়ার সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, রাজাখালীর সাধারণ সম্পাদক মনছুর, বারবাকিয়ার সাধারণ সম্পাদক জাফর আলম, টৈটং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন প্রমুখ। এছাড়াও সভায় উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সভা শেষে সফল আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ১৩ জুন সকাল ১১টায় ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও পার্ক পরিদর্শনের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হবে।
এরপর তিনি পেকুয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত করবেন। পরে পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ফলক উন্মোচন করবেন। এ সময় তিনি সাঈদ ম্যানশনে অবস্থান এবং মধ্যাহ্নভোজ গ্রহণ করবেন।
দুপুরের পর চকরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ফলক উন্মোচন করবেন। একই দিন বিকাল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।
জনসভা শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন সকালে সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণের পর ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পেকুয়ায় শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রোভারদের দীক্ষাদানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক তাঁবুবাস

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পেকুয়ায় শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা

 

তাওহিদুল ইসলাম

কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপকূলীয় মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপ ও শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের যৌথ আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী “বার্ষিক তাঁবুবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান-২০২৬” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) রোভারদের দীক্ষাদানের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
গত ১৪ জুন শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া এই তাঁবুবাসে মোট ১২০ জন রোভার ও স্কাউট অংশগ্রহণ করেন। তিন দিনের এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ক্যাম্প চলাকালে ভোরের পাখি, তাঁবুকলা, অবস্ট্যাকল, বনকলা ও তাঁবু জলসাসহ পাঁচটি চ্যালেঞ্জভিত্তিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রোভার ও স্কাউটরা দলগত নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহনশীলতা এবং সেবামূলক মানসিকতার বাস্তব প্রশিক্ষণ লাভ করে।
সমাপনী ও দীক্ষা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস পেকুয়া উপজেলার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা রোভার স্কাউটের সম্পাদক আব্দুল হামিদ, পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান, পেকুয়া উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার নাছির উদ্দীন এবং নূর আয়েশা খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ঈসমাঈল খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহযোগী সদস্য ও কলেজ রোভার স্কাউট লিডার ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
বক্তারা বলেন, রোভার স্কাউটিং তরুণদের মানবিক, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁবুবাস ও দীক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অভিজ্ঞতা অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে উপকূলীয় মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভারমেটসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্কাউট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নতুন রোভাররা স্কাউট আদর্শ ও নীতির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সন্দেহ জনক আটক ৩

মাতামুহুরীতে ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পেকুয়ায় শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
    কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় নিখোঁজের ৪৫ ঘন্টা পর লাশ উদ্ধার হয়েছে ওয়াহিদুল ইসলাম নামের সাত বছরের এক শিশুর।

  • মঙ্গলবার(১৬ জুন) সকাল সাতটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের ফজুমিয়াজির চরের পরিত্যক্ত ডোবায় ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা
    নিখোঁজ শিশুটির মরদেহ দেখতে পায়।
    স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ওই ডোবা থেকে সকাল ৯টার দিকে শিশুটির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে পাঠানো হয়েছে।
    শিশু ওয়াহিদুল ইসলাম পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়া গ্রামের মো. তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে।
    পুলিশ জানিয়েছে- পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শিশু ওয়াহিদুল ইসলাম নিখোঁজ হওয়ার পর পরই মারা হয়েছে। এর পর লাশ পরিত্যক্ত ডোবার ময়লা পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এই কারণে মরদেহে পঁচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মাসুদ। তিঁনি বলেন, এই ঘটনায় পরিবারসহ এলাকাবাসীর সন্দেহ অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
    শিশুর বাবা ইজিবাইক (টমটম) চালক তৌহিদুল ইসলাম লিটন জানান- তাঁর সন্তান মাইজপাড়া নূরানী মাদরাসায় প্রথম শ্রেণিতে পড়তো। গত রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মাদরাসায় পড়াশোনা শেষ করে বাড়ি ফেরার সময়ই নিখোঁজ হয় সে। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও তার হদিস মিলছিল না। ৪৫ ঘন্টা পর আজ মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন পাশের চার নম্বর ওয়ার্ডের ফজুমিয়াজির চরের পরিত্যক্ত ডোবার ময়লা পানিতে ওয়াহিদুল ইসলামের লাশ ভাসতে দেখে।
    বাবা আরও জানান- তার সন্তান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। কিন্তু আজ সকালে সন্তানের অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায় ডোবায়।
    পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ জানান, শিশু ওয়াহিদুল ইসলামের লাশ মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে ফজুমিয়াজির চরের পরিত্যক্ত ডোবার ময়লা পানিতে ভাসতে দেখে প্রথমে বিষয়টি আমাকে জানায়। এর পর খবর পৌঁছানো হয় পুলিশের কাছে। সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক। আশা করছি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ শিশুর প্রতি বর্বরোচিত এই ঘটনার সাথে জড়িতদের অতিদ্রুতই শনাক্তপূর্বক গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।
    এ ব্যাপারে চকরিয়া সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিতৎ দাস বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিখোঁজ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ মাঠে রয়েছ।

(more…)