| ১৭ জুন ২০২৬

সন্দেহ জনক আটক ৩

মাতামুহুরীতে ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

মাতামুহুরীতে ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
    কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় নিখোঁজের ৪৫ ঘন্টা পর লাশ উদ্ধার হয়েছে ওয়াহিদুল ইসলাম নামের সাত বছরের এক শিশুর।

  • মঙ্গলবার(১৬ জুন) সকাল সাতটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের ফজুমিয়াজির চরের পরিত্যক্ত ডোবায় ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা
    নিখোঁজ শিশুটির মরদেহ দেখতে পায়।
    স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ওই ডোবা থেকে সকাল ৯টার দিকে শিশুটির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে পাঠানো হয়েছে।
    শিশু ওয়াহিদুল ইসলাম পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়া গ্রামের মো. তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে।
    পুলিশ জানিয়েছে- পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শিশু ওয়াহিদুল ইসলাম নিখোঁজ হওয়ার পর পরই মারা হয়েছে। এর পর লাশ পরিত্যক্ত ডোবার ময়লা পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এই কারণে মরদেহে পঁচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মাসুদ। তিঁনি বলেন, এই ঘটনায় পরিবারসহ এলাকাবাসীর সন্দেহ অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
    শিশুর বাবা ইজিবাইক (টমটম) চালক তৌহিদুল ইসলাম লিটন জানান- তাঁর সন্তান মাইজপাড়া নূরানী মাদরাসায় প্রথম শ্রেণিতে পড়তো। গত রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মাদরাসায় পড়াশোনা শেষ করে বাড়ি ফেরার সময়ই নিখোঁজ হয় সে। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হলেও তার হদিস মিলছিল না। ৪৫ ঘন্টা পর আজ মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন পাশের চার নম্বর ওয়ার্ডের ফজুমিয়াজির চরের পরিত্যক্ত ডোবার ময়লা পানিতে ওয়াহিদুল ইসলামের লাশ ভাসতে দেখে।
    বাবা আরও জানান- তার সন্তান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। কিন্তু আজ সকালে সন্তানের অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায় ডোবায়।
    পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ জানান, শিশু ওয়াহিদুল ইসলামের লাশ মঙ্গলবার সকাল সাতটার দিকে ফজুমিয়াজির চরের পরিত্যক্ত ডোবার ময়লা পানিতে ভাসতে দেখে প্রথমে বিষয়টি আমাকে জানায়। এর পর খবর পৌঁছানো হয় পুলিশের কাছে। সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক। আশা করছি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ শিশুর প্রতি বর্বরোচিত এই ঘটনার সাথে জড়িতদের অতিদ্রুতই শনাক্তপূর্বক গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।
    এ ব্যাপারে চকরিয়া সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) অভিজিতৎ দাস বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিখোঁজ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ মাঠে রয়েছ।

রোভারদের দীক্ষাদানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক তাঁবুবাস

মাতামুহুরীতে ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

 

তাওহিদুল ইসলাম

কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপকূলীয় মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপ ও শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের যৌথ আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী “বার্ষিক তাঁবুবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান-২০২৬” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) রোভারদের দীক্ষাদানের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
গত ১৪ জুন শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া এই তাঁবুবাসে মোট ১২০ জন রোভার ও স্কাউট অংশগ্রহণ করেন। তিন দিনের এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ক্যাম্প চলাকালে ভোরের পাখি, তাঁবুকলা, অবস্ট্যাকল, বনকলা ও তাঁবু জলসাসহ পাঁচটি চ্যালেঞ্জভিত্তিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রোভার ও স্কাউটরা দলগত নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহনশীলতা এবং সেবামূলক মানসিকতার বাস্তব প্রশিক্ষণ লাভ করে।
সমাপনী ও দীক্ষা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস পেকুয়া উপজেলার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা রোভার স্কাউটের সম্পাদক আব্দুল হামিদ, পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান, পেকুয়া উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার নাছির উদ্দীন এবং নূর আয়েশা খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ঈসমাঈল খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহযোগী সদস্য ও কলেজ রোভার স্কাউট লিডার ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
বক্তারা বলেন, রোভার স্কাউটিং তরুণদের মানবিক, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁবুবাস ও দীক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অভিজ্ঞতা অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে উপকূলীয় মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভারমেটসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্কাউট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নতুন রোভাররা স্কাউট আদর্শ ও নীতির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উত্তর বরইতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন এডভোকেট মঈনুল আমিন

মাতামুহুরীতে ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

 

মনিরুল আমিন.চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ার উত্তর বরইতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনায় গঠিত এডহক কমিটির সভাপতি হলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিবিদ,সমাজসেবক এডভোকেট মঈনুল আমিন।

সংগঠক ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে পরিচিত এডভোকেট মঈনুল আমিন। শিক্ষা প্রশাসনে অভিজ্ঞ ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত এই নেতার হাতে প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

বরইতলী ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মঈনুল আমিন বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ আমিন এর মেজ সন্তান ও দৈনিক কালবেলা পত্রিকার চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি মনিরুল আমিন এর ছোটভাই।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গতকাল রবিবার (১৪ জুন) জারি করা এক স্মারকে বিদ্যালয়টির এডহক কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা, ২০২৪-এর ৬৪(১০) ধারা অনুযায়ী এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অনুমোদিত কমিটিতে বোর্ড কর্তৃক মনোনীত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এডভোকেট মঈনুল আমিন। পদাধিকার বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য সুমিত্রা দাশ,অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মঈনুল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন।

এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর এডভোকেট মঈনুল আমিন বলেন,কৈয়ারবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব যেমন আমার জন্য সম্মানের,তেমনি বিশাল দায়িত্বও। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে আমি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অবদান রাখতে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

 

পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে ২ বছরের শিশুর মৃত্যু

মাতামুহুরীতে ডোবা থেকে শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার মৌলভী পাড়া এলাকার মৌলভী বাড়িস্থ পুকুরে ডুবে ২ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিকেলে পেকুয়া পৌরসভার মৌলভী পাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ইররাত জন্নাত স্থানীয় বাসিন্দা খোকনের ২ বছর বয়সী সন্তান।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিকেলে শিশুটি বাড়ির আঙিনায় খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্বজনরা পুকুরে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুর আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সূত্র জানায়, শিশুদের নিরাপত্তায় অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বাড়ির আশপাশের পুকুর ও জলাশয়ে সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।