মোহাম্মদ ইউনুছ
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে রোগীর সংখ্যা।
হাসপাতালের জরুরি ও বহির্বিভাগের পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে অসংখ্য রোগী।
শুক্রবার (২৪ই এপ্রিল) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ৩১ শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে গড়ে ১৪০ রোগী আন্তঃবিভাগে ভর্তি হয়ে সেবা নিচ্ছেন। হঠাৎ রোগী বৃদ্ধিতে চাপ সামলাতে ও সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।
এছাড়া, উক্ত হাসপাতালে আউটডোর ওয়ান স্টোপ, ভায়া ও এনসিডি কর্নার সার্ভিস চালু আছে। টিকেট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। চিকিৎসক দেখিয়ে সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ সংগ্রহ করছেন রোগীরা।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ডিউটিরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাহমিদুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে ডায়রিয়া, বমি, নিউমনিয়া, জ্বর, চর্মরোগ, প্রসূতি, পেট ব্যথা ও হামসহ নানা রোগের লক্ষণ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা আসতেছেন। জরুরি সেবা দিয়ে অসংখ্য রোগাকে বাড়িতে পাঠাচ্ছি তবেও উপচে পড়া রোগীর ভিড়।
এবিষয়ে, পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান জানান-হঠাৎ করে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার ও নার্সিং অফিসারদের ডিউটি করতে হিমসীম খেতে হচ্ছে। আজকে ইনডোরে হাম রোগীসহ ১৪০জন রোগী ভর্তি আছেন। যেভাবে রোগী ভর্তি হচ্ছেন, রোগীর চাপ আরো বাড়তে পারে। বিশেষ করে ডায়েরিয়া ও নিউমনিয়া, হদম রোগের বাচ্ছারা বেশি ভর্তি আছে। বেড সীমিত হওয়ার কারনে ফ্লোরিং করে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করছি আমরা। আমাদের ৩১শয্যা হাসপাতালে ৩১জন রোগী অনুযায়ী স্টাফ রয়েছে। তবুও স্টাফদের রোস্টার অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা চালিয়ে যাচ্ছি।

অনলাইন ডেস্ক