বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে রেলপথ স্থাপিত হলে যোগাযোগ সুবিধার কারণে পর্যটন নগরীর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। রেলওয়ে পর্যটন এক্সপ্রেস নামে বিরতিহীন রেল চালু করে পরিবহন সুবিধা সমৃদ্ধ করেন।
চকরিয়া পেকুয়া মহেশখালী কুতুবদিয়া ও বাঁশখালীর দক্ষিণাংশের মানুষ বিরতিহীন পর্যটন এক্সপ্রেসের যাত্রীরা চকরিয়ায় নামতে না পারার কারনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। চকরিয়ায় নামতে না পারার কারনে যারা এ রেলের যাত্রী তাদের কক্সবাজার চলে গিয়ে আবার গন্তব্যে ফিরে আসা ভোগান্তির চরম শিকার হন। জেলার সিংহ ভাগ জনবসতির চাহিদা চকরিয়া স্টেশনে যাত্রী উঠানামার ব্যবস্থা করলে যাত্রী সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।
মাতারবাড়ী বন্দর ও বিদ্যূত কেন্দ্রের সুবিধাভোগী সহ বিশাল জনগোষ্ঠী রেল যাতায়াতের সুবিধা নিতে পারছেনা ঢাকা থেকে চকরিয়া স্টেশনে নামতে না পারার কারনে।
কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যাল ২ এর পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু এক মতবিনিময়ে আক্ষেপ করে বলেন জন চাহিদার আলোকে রেলওয়ের সাথে যোগাযোগ করেও চকরিয়া স্টেশনে শুধু বিরতিহীন পর্যটন এক্সপ্রেস যাত্রী নামানো সুযোগ পাইনি। তার আশা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পক্ষে সম্ভব অতীব জনগুরুত্বপূর্ণ চাহিদা চকরিয়ায় স্টেশনে বিরতিহীন পর্যটন এক্সপ্রেস যাত্রী উঠানামার সুযোগ করে দেয়ার। জনবিচ্ছিন্ন হারবাং এলাকায় রেল স্টেশনটির সুবিধা পেকুয়া কুতুবদিয়া উপজেলার লোকজন ও চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়ন হারবাং ইউনিয়নের বৃহৎ একটি অংশের ও পহরচাদার লোকজনের থেকে বিচ্ছিন্ন তাই পহরচাদা মচন্যাকাটায় রেল স্টেশন স্থাপন সময়ের দাবী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। সাধারণ জনগনের বিশ্বাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সুদৃষ্টি প্রদান করলে একটি রেল স্টেশন স্থাপন করা সহজ সম্ভব।

অনলাইন ডেস্ক