| ১১ মার্চ ২০২৬

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বান্দরবানের লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলার ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের জন্য নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় সেগুলো তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক পরিবারের সদস্যরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি এই সহায়তা দিয়ে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

পরে দুপুরে মন্ত্রী লামা উপজেলা-পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত
উপজেলা পরিষদ মাঠে বান্দরবান, লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত লোকজনের মাঝে বক্তব্য দেন।

২ শতাধিক হাফেজকে পোশাক প্রদান

পেকুয়ায় মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

রেজাউল করিম. স্টাফ রিপোর্টার

কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী ইসলামিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ২ শতাধিক এতিম শিক্ষার্থীর হাতে জোব্বা তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করা হয়।
বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে উজানটিয়া এএস আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আবুল কালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের লালখান বাজার অফিসার্স কলোনি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা জে. এম. মনছুর আলম কুতুবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুজ্জামান মঞ্জু, ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আনছার উল্লাহ, মৌলভীবাজার ফারুকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আমিনুর রশিদ এবং টইটং বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পল্লী চিকিৎসক ডা. মোসলেম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন টইটং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাস্টার আমান উল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাস্টার মো. নুরুন্নবী, মাস্টার মিজানুর রহমান, আনিছুর রহমান, আব্দুর রহিম ও রেজাউল করিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রমজান মাসের শুরুতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রায় ৩ শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত মহৎ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

মহেশখালীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসুচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে জাতীয় প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালী, আলোচনা সভা ও মহড়া। ১০ই মার্চ সকালে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইমরান মাহমুদ ডালিমের সভাপতিত্বে মহেশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ কাউছার আহমেদের পরিচালনায় উপজেলা পরিষদ সম্মুখ থেকে দূর্যোগ প্রস্তুতি উদযাপনের র‍্যালীটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষীণ করেন।
পরে মহেশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্কর্তাদের টিম দূর্যোগকালীন সময়ে করণীয় বিষয়ে মহড়া প্রদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী সুদর্শন কান্তি দে,উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক, উপজেলার সমাজ সেবা কর্মকর্তা দিদারুল আলম, ফাযার সার্ভিস ষ্টেশন কর্মকর্তা রামপ্রসাদ, সিপিপির টিম লিডার আকতার কামাল চৌধুরী, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন।

ইদের জামা পরা হলোনা আকরিদার

খেলার সময় দোলনার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ১০ বছরের শিশুর মৃত্যু

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

রাকিব হাসান

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে দোলনায় খেলার সময় গলায় ওড়না পেঁচে গেলে আকরিদা জান্নাত (১০) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গয়ালমারা তৈল্লার বিল এলাকায় নিজ বাড়ির উঠানে এ হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। নিহত আকরিদা জান্নাত দুবাই প্রবাসী জিয়াউর রহমানের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসার ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে ফিরে আকরিদা বাড়ির উঠানে দোলনায় খেলছিল। খেলাধুলার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তার গলায় থাকা ওড়না দোলনার সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। এতে তার গলায় ফাঁস লেগে গুরুতর অবস্থার সৃষ্টি হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কিছুদিন আগে আকরিদার জন্য নতুন পোশাক কেনা হয়েছিল। কিন্তু সেই আনন্দের আগেই এমন করুণ মৃত্যু পরিবার ও এলাকাবাসীকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে।