| ১৩ এপ্রিল ২০২৬

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ‘সিন্ডিকেট’!

চকরিয়ায় মিটার রিডার নুর মোহাম্মদের সম্পদের পাহাড়

চকরিয়ায় মিটার রিডার নুর মোহাম্মদের সম্পদের পাহাড়

মনিরুল আমিন. চকরিয়া
সরকারি চাকরি হলেও যেন দুর্নীতির অভিযোগে ঘেরা কক্সবাজারের চকরিয়া বিপিডিবির এক মিটার রিডার। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া, মিটার টেম্পারিং,বিল কারসাজি এবং গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মিটার রিডার নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্র জানায়,দীর্ঘদিন ধরে চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার একটি অনিয়মিত চক্র গড়ে তুলেছেন নুর মোহাম্মদ। এর বিনিময়ে প্রতি মাসে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়। পাশাপাশি মিটার টেম্পারিং ও বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আবাসিক গ্রাহকদের কাছ থেকেও নেওয়া হয় টাকা।

অভিযোগ রয়েছে,এই অবৈধ আয়ের মাধ্যমে তিনি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন, যা তার সরকারি চাকরির আয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

স্থানীয়রা জানান,চকরিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুচপাড়া এলাকায় নুর মোহাম্মদের একটি বহুতল ভবন রয়েছে,যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। এছাড়াও তিনি চকরিয়া পৌর এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে সুদের ভিত্তিতে বিপুল অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেছেন বলেও জানা গেছে।

এদের মধ্যে পৌর শহরের খোদার কুম এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী বলেন,ব্যবসার প্রয়োজনে আমি নুর মোহাম্মদের কাছ থেকে সুদের ভিত্তিতে ২১ লাখ টাকা নিয়েছিলাম।

অন্যদিকে,গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী এডভোকেট মঈনুল আমিন বলেন,২০২৫ সালের জুলাই মাসে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য আমি নুর মোহাম্মদকে ১০ হাজার ২০০ টাকা দিই। পরে জমার স্লিপ চাইতে বারবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে অফিসে গিয়ে জানতে পারি,তিনি বিল জমা করেননি। উল্টো আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং অশোভন আচরণ করেন।

এছাড়াও গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও টাকা আত্মসাতের একাধিক অভিযোগ রয়েছে এই মিটার রিডারের বিরুদ্ধে বলে দাবি স্থানীয়দের।

জানা গেছে,অতীতে কয়েকজন সাংবাদিকের কাছেও নুর মোহাম্মদ তার অনিয়মের কথা স্বীকার করেছিলেন। পরে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে ঘুষের প্রস্তাবও দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন,আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া বিপিডিবির সহকারী প্রকৌশলী সোহাগ ব্যাপারী বলেন,গ্রাহকের কাছ থেকে সরাসরি টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি এখন জানতে পেরেছি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চকরিয়ায় মিটার রিডার নুর মোহাম্মদের সম্পদের পাহাড়

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি-আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক- আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার মগনামা বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

চকরিয়ায় মিটার রিডার নুর মোহাম্মদের সম্পদের পাহাড়

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১১ (এপ্রিল) ইউপির বেদারবিল পাড়ার নতুন মার্কেট এলাকায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটের সময় ভোট গ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এসময় ৩ টি বুথে ৩৮০ ভোটার মধ্যে ২৮১ ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায় এবং দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবীণদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তারা সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে ৩ টি পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম।

সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান (চেয়ার মার্কা) ১৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
নুরুল হুদা (ছাতা মার্কা) পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বদি আলম (হরিণ মার্কা) ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
দেলোয়ার হোছেন (ফুটবল মার্কা) ৯৮ ভোট, আবু নয়ন (টিউবওয়েল মার্কা) পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আজিম উদ্দিন (গোলাপ ফুল মার্কা) ১৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (দেওয়াল ঘড়ি মার্কা) ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘবছর পর কাদের বলির পাড়া ও বেদার বিল পাড়া এলাকার সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যদি সমাজ পরিচালনা করা হয় তাহলে সমাজের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়। মগনামার সকল সমাজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এবং মগনামায় এই কমিটির মাধ্যমে সকল দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অনলাইন জুয়া ও মাদক চিরতরে বন্ধ করা হবে।

পেকুয়ার শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে গণ বিবাহ সম্পন্ন

চকরিয়ায় মিটার রিডার নুর মোহাম্মদের সম্পদের পাহাড়

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (0.5402778, 0.6631514);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 42;

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোছাইনের অর্থায়নে চার জোড়া বর কনের গণ বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
১১ মার্চ দুপুরে শিলখালী ইউনিয়নের পেঠানমাতবরপাড়াস্থ নিজ বাস ভবনে সহস্রাধিক লোকজনকে আপ্যায়ন সহ বর কনের পোশাক আসবাব পত্র উপহার দিয়ে এগণবিবাহ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিবাহ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান কামাল হোছাইন, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ আনসারী, প্রফেসর সালাহউদ্দিন, ফরিদুল আলম সিকদার, বেলাল উদ্দিন, বশর মল্লিক, মৌলানা মনজুরুল আলম প্রমুখ। বিবাহ উত্তর মুনাজাত পরিচালনা করেন জানেরমার মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুর রশিদ। হতদরিদ্র পরিবারের চার কণে ও বর হলো পেকুয়া উপজেলার কাচারীমোড়া ১নং ওয়ার্ড শিলখালীর আবুল কাশেমের ছেলে হাসান উদ্দিনের সাথে একই ইউনিয়নের চেপটামোড়ার মমতাজ মিয়ার মেয়ে নাসরিন সোলতানা কেয়ার বিয়ে হয়।
মহেশখালীর মাতারবাড়ী ৭ নং ওয়ার্ড মাইজঘোনার
নুর হোছাইনের ছেলে মো আরিফ ও দক্ষিণ জোম ৬ নং ওয়ার্ড শিলখালীর মো হোসাইন আলীর মেয়ে কুলছুমা বেগম, রিয়াজুদ্দিন উকিল সড়ক ৫ নং চান্দগাও চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে আবদুল করিমের সাথে কাচারীমোড়া শিলখালীর রুহুল কাদেরের মেয়ে
রিনা আকতার, দক্ষিণ জোম শিলখালীর মোকতার আহমদের ছেলে আনিসের একই ইউনিয়নের সেগুনবাগিচার লোকমানের মেয়ে
শফিকা বেগমের বিয়ের আয়োজন করা হয়।