| ২ মে ২০২৬

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পিতৃ পরিচয়ের দাবীতে দায়ের করা মামলার প্রতিবেদন নিজেদের পক্ষে নিতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১মাসের সাজা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।
জানাযায়, টইটং ইউনিয়নের পিয়াজু পাড়ার মঞ্জুর আলমের মেয়ে রেহেনা মোস্তফা রানুর ও পেকুয়া সদরের সরকারী ঘোনা এলাকার মো.শরীফের পূত্র নুরুল আবছারের ওরশজাত কন্যা পরিচয়ের দাবীতে জুবাইদা বেগম চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পেকুয়া থানা এস.আই পল্লব ঘোষ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পন করেন।
মামলার বিবরনের জানাযায়, জুবাইদা বেগম তার পিতৃপরিচয়ের জন্য ও সম্পত্তির অংশ বুঝে পেতে আদালতে মামলা দায়ের করলে প্রথমে মামলার তদন্তভার সহকারী কমিশনার ভূমি পেকুয়াকে দায়িত্ব দিলে তহশীলদার ওই মেয়ে ও তার মায়ের উগ্র আচরণের কারণে মামলা তদন্তে অপারগতা প্রকাশ করেন পরে পেকুয়া থানাকে দায়িত্ব দিলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ওয়ারিশি সনদ জন্ম সনদ উপস্থাপন করতে চাইলে পুলিশের ওপর কয়েকদফা মারমুখী আচরণ করে। পেকুয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা মা ও মেয়ের বিরুদ্ধে পর পর ৫টি সাধারন ডায়েরী করা হয় পেকুয়া থানায়। সর্বশেষ আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে মেয়েটি মাকে সহ গত  ৪মার্চ পেকুয়া থানায় উপস্থিত হয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ করে ওসি সহ পুলিশ সদস্যদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশালীন আচরণ করে নিজের কাপড় খুলে মব সৃষ্টি করে ও মহিলা পুলিশের উপর হামলা করে।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম বলেন, পেকুয়া থানার সকল পুলিশ সদস্য মা ও মেয়েটির অতিমাত্রার উশৃংখল আচরণ নিবৃত করতে ব্যর্থ হয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিহীত ব্যবস্থার আবেদন করলে তিনি নিজে থানায় উপস্থিত হয়ে নিবৃত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মোবাইল কোর্টে ১মাসের সাজা প্রদান করেন।
তিনি আরো বলেন, মেয়েটিকে অনুরোধ করা হয়েছিল ওয়ারিশি সনদ জন্ম নিবন্ধন উপস্থান করতে না হয় তদন্ত প্রতিবেদনে দেয়া যাবেনা। তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষে না গেলে আপনি না রাজি দিতে পারবেন এখানে বিশৃংখলার দরকার নেই কিন্তু মেয়েটি কোন কিছু কর্ণপাত না করে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ করতে থাকে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ করত কয়েকটি নাম্বার ব্লক করা হলেও নতুন নাম্বার থেকে ফোন করে গালিগলাজ করত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মা মেয়েকে আহত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়েটি মাসহ থানা কম্পাউন্ডে প্রবেশ থেকে শেষ পর্যন্ত সিসিটিভির ফুটেজ দেখলে বুঝা যাবে মেয়েটি কি অবর্ণনীয় আচরণ করেছে এবং তাদের কেউ আঘাত করেছে কিনা। এছাড়া মেয়েটি নিজে দেয়ালে মাথা ঠেকিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হবার চেষ্টা করছে। পুলিশের মামলা দায়েরের এখতিয়ার থাকার পরও ভ্রাম্যমান আদালতের আশ্রয় নেয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ওসি বলেন পুলিশের সাথে সরাসরি ঘটনায় নিজেরা কিভাবে মামলা দায়ের করবে তাই মোবাইল কোর্টের আশ্রয় নেয়া হয়েছে।
তথ্য সূত্রে জানাগেছে ইতিপূর্বে মেয়েটি পেকুয়া সদর ইউনিয়নেও ওয়ারিশি সনদ ও জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। সেখানেও যুক্তিসংগত কোন কাগজপত্র দাখিল করতে পারেনি। কাগজ পত্র ছাড়া গালাগালি করে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুলে ওয়ারিশি সনদ জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে চেয়েছিল।
পেকুয়া সদরে ৬নং ওয়ার্ড় ইউপি সদস্য দিদারুল ইসলাম জানান পেকুয়া সেনা ক্যাম্পের ইনচার্জ একটি জোবাইদা বেগমের একটি অভিযোগের আলোকে তাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। বাদী বিবাদী পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে পর্যাপ্ত কাগজপত্র দিতে না পারায় সিদ্ধান্ত হয় ডিএনএ টেষ্ট করে পিতৃপরিচয় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। সে মতে একটি সমঝোতা পত্র উভয় স্বাক্ষর করার কথা হয় ইতিমধ্যে মেয়েটি নির্ধারিত তারিখে মব সৃষ্টি করে তার কাছ থেকে জোর পূর্বক স্ট্যাম্প নেয়া হচ্ছে বলে পেকুয়া চৌমুহনীতে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে। পরে তাকে সহ আসামী করে চকরিয়া আদালতে মামলা দায়ের করে। বিষয়টি তিনি সেনা ক্যাম্পে জানালো মেয়েটিকে শতর্ক করেছিলেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই পল্লব ঘোষ বলেন,  তদন্তভার পেকুয়া থানায় দিলে সেখানেও মব সৃষ্টি করে তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে নিতে দফায় দফায় ব্যাপক হট্টগোল করেছে। তার পক্ষে প্রতিবেদন না দিলে বিষ পান করবে ধর্ষণ করেছে বলে মামলা দায়েরের হুমকি সহ গালিগলাজ করায় তার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ৫ দফা জিডি করা হয়েছে। সর্বশেষ পরিকল্পিতভাবে হামলা করে মহিলা পুলিশের ৩সদস্যদে আহত করেছে।
জানাযায়,রেহেনা মোস্তফা রানুর সাথে নুরুল আবছারের সাথে ১৯৯৭ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের ৪ মাস পর বিচ্ছেদ শুরু হয়। ৭/০৯/১৯৯৭ ইংরেজী তারিখ ও ১৬/০৯/৯৭ ইং তারিখ চকরিয়া এডভোকেট এ্যাসোসিয়েশনের প্যাডে এডভোকেট হাফেজ আহমদ রেহেনা মোস্তফার পক্ষে নুরুল আবছারকে পুরুষত্বহীন ও গুরুত্বহীন সংসার করতে অক্ষম উল্লেখ করে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন, রেহেনার দেনাপাওনা পরিশোধ করতে অনুরোধ করেন। জোবাইদার মার বিচ্ছেদ যদি ১৯৯৭ সালে শুরু হয় ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে বিচারের মাধ্যমে পাওনা বুঝে নিয়ে দফারফা হয়ে যায়, মেয়েটির এসএসসির সার্টিফিকেট অনুযায়ী জন্ম যদি ০১/০৬/২০০৪ ইং হয় তাহলে মেয়েটির পিতা নুরুল আবছার হয় কিভাবে এমন প্রশ্ন ওঠে আসে। এসব বিতর্ক সঠিক সমাধান বা উপযুক্ত কাগজ পত্র দিতে ব্যর্থ হয়ে মেয়েটি কোন মামলার প্রতিবেদন তার পক্ষে নিতে পারেনি। অভিযোগ ওঠেছে যে দপ্তরে মেয়েটি মামলা দায়ের করেছে সে দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে এক ধরনের মব সৃষ্টি করেছে মেয়েটি। মেম্বার দিদারুল ইসলাম বলেন, নুরুল আবছারের জীবদ্বশায় কোনদিন মেয়েটি বা তার মা পিতৃপরিচয় নিয়ে কোন দিন আসেনি। রেহেনা ও নুরুল আবছারে আনুষ্ঠানিক বিবাহ বিচ্ছেদের ৫বছর পর জন্ম নেয়া মেয়েটিকে কোন প্রকার বৈধ কাগজ পত্র ছাড়া স্বীকৃতি আমারা বিচারকরা দিতে পারিনি বলে রোষানলে পড়েছি।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান মাহবুব বলেন, মেয়েটির বিশৃংখল আচার ব্যবহার যেহেতু আগে থেকে অবগত ছিলাম সেখানে পেকুয়া থানা পুলিশের অনুরোধে গিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেছি আমাকে সহ আক্রমণ করতে চেয়েছে মহিলা পুলিশ তাদের দমন করতে ব্যর্থ হয়েছে ও আহত হয়েছে বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।

অপহরণ চক্রের নারী সদস্য আটক

চকরিয়ার অপহৃত ছাত্রী কক্সবাজার থেকে উদ্ধার

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহৃত শিক্ষার্থী উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণ চক্রের নারী সদস্যকে আটক করা হয়।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত এক অপ্রাপ্তবয়স্কা মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও জড়িত এক মহিলাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সাহারবিল এলাকার প্রবাসী শাহা আলমের মাদ্রাসা পড়ুয়া কন্যা জন্নাতুল নাঈম (১৩), গত ২৮/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। ওই ছাত্রীর পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার ভাই শিহাব চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী নং-১৫২৯, তারিখ-২৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ দায়ের করে। উক্ত ডায়েরীর আলোকে সন্দেহভাজন লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ফরেস্টর জামাল উদ্দিনের কন্যা তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় হতে আটক করে। তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা প্রথমে ভিকটিম তার হেফাজতে থাকার কথা অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ের পুলিশের অভিযান টিমের সন্দেহ হওয়ায় কক্সবাজার কলাতলী লাইট হাউস এলাকায় শিমার ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম জন্নাতুল নাঈম (১৩)কে উদ্ধার করে। এসময় উক্ত ঘরে থাকা দুজন রাখাইন মেয়ে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা (২৫) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরবর্তীতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়ানো এবং স্বর্ণের চেইন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনার দিন ভিকটিমকে অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় চকরিয়া থানাধীন সাহারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার গেইটের সামন থেকে কৌশলে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে এবং কক্সবাজার সদর থানাধীন লাইট হাউজ পাড়া এলাকায় নিয়ে তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমার ভাড়া বাসায় আটক করে রাখে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আসামীরা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সাথে জড়িত, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে যৌন শোষণ ও পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা বিক্রয় করে থাকে।
উদ্ধার অভিযানে ১নং আসামীকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে চকরিয়া থানার এফআইআর নং-৪৪, তারিখ- ৩০ এপ্রিল, ২০২৬; জি আর নং-১৬৬, ধারা-মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২ এর ৭/৮/১০/১১ মামলা রুজু করা হয়।

পেকুয়ার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের পেকুয়ার আলোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক হয়েছে।
৩০ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে পেকুয়া থানার একদল পুলিশ মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গোয়াখালীর নুরুল কাইয়ুমের ছেলে সোহেল ও তার সহযোগীদের হামলায় ৫জন গুরুতর আহত হয়। আহত পক্ষের মুজাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় সোহেল ও তার সহযোগী ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মামলা নং জিআর ৬৫/২৬ তাং ২৯/০৪/২৬। এমামলার ২ নং আসামী সোহেলকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
মামলার বাদী মুজাহিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রটি এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজি করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
আহতদের প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজি ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। পেকুয়া থানা ও আদালতে বিভিন্ন অপরাধে মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য মামলা গুলো হল এদিকে আটক সোহেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে যার নং সি আর-৪৫১/১৯, জি আর- ৭৯/২০২৪,জি আর-২০২/২৪, জি আর- ২২২/১৮,সি আর-২০৪/২৩, সি আর-১৪৯০/২১।
তিনি পূর্বেও কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় তিনি দ্রুত আইনের আওতা থেকে বেরিয়ে এসে পূণরায় অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম বলেন, এঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে আটকও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফের সংঘর্ষেরও আশংকা করে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের স্মরণে ‎স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা


‎ডেস্ক রিপোর্ট

‎১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে চট্টগ্রাম কক্সবাজার উপকূল অঞ্চলে নিহতের স্মরণে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পেকুয়া উপজেলা লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎এ সময় নিহতদের স্মরণে স্মৃতিচারণ করেন, লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির যুগ্ন আহবায়ক এম আজম উদ্দিন, সদস্য সচিব দেলওয়ার হোসাইন, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক বারবাকিয়া উপশাখার ক্যাশ ইনচার্জ জিল্লুল করিম।

‎নিহতদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করে মোনাজাত পরিচালনা করেন ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন।

‎এসময় স্থানীয় মুসল্লী ও নানান শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

‎উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যারি এন’ লণ্ডভণ্ড করে দেয় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় পুরো উপকূল। স্মরণকালের ভয়াবহ এ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৬ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। মারা যায় ২০ লাখ গবাদি পশু। প্রায় এক কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়। ক্ষতি হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।