| ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পিতৃ পরিচয়ের দাবীতে দায়ের করা মামলার প্রতিবেদন নিজেদের পক্ষে নিতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১মাসের সাজা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।
জানাযায়, টইটং ইউনিয়নের পিয়াজু পাড়ার মঞ্জুর আলমের মেয়ে রেহেনা মোস্তফা রানুর ও পেকুয়া সদরের সরকারী ঘোনা এলাকার মো.শরীফের পূত্র নুরুল আবছারের ওরশজাত কন্যা পরিচয়ের দাবীতে জুবাইদা বেগম চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পেকুয়া থানা এস.আই পল্লব ঘোষ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পন করেন।
মামলার বিবরনের জানাযায়, জুবাইদা বেগম তার পিতৃপরিচয়ের জন্য ও সম্পত্তির অংশ বুঝে পেতে আদালতে মামলা দায়ের করলে প্রথমে মামলার তদন্তভার সহকারী কমিশনার ভূমি পেকুয়াকে দায়িত্ব দিলে তহশীলদার ওই মেয়ে ও তার মায়ের উগ্র আচরণের কারণে মামলা তদন্তে অপারগতা প্রকাশ করেন পরে পেকুয়া থানাকে দায়িত্ব দিলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ওয়ারিশি সনদ জন্ম সনদ উপস্থাপন করতে চাইলে পুলিশের ওপর কয়েকদফা মারমুখী আচরণ করে। পেকুয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা মা ও মেয়ের বিরুদ্ধে পর পর ৫টি সাধারন ডায়েরী করা হয় পেকুয়া থানায়। সর্বশেষ আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে মেয়েটি মাকে সহ গত  ৪মার্চ পেকুয়া থানায় উপস্থিত হয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ করে ওসি সহ পুলিশ সদস্যদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশালীন আচরণ করে নিজের কাপড় খুলে মব সৃষ্টি করে ও মহিলা পুলিশের উপর হামলা করে।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম বলেন, পেকুয়া থানার সকল পুলিশ সদস্য মা ও মেয়েটির অতিমাত্রার উশৃংখল আচরণ নিবৃত করতে ব্যর্থ হয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিহীত ব্যবস্থার আবেদন করলে তিনি নিজে থানায় উপস্থিত হয়ে নিবৃত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মোবাইল কোর্টে ১মাসের সাজা প্রদান করেন।
তিনি আরো বলেন, মেয়েটিকে অনুরোধ করা হয়েছিল ওয়ারিশি সনদ জন্ম নিবন্ধন উপস্থান করতে না হয় তদন্ত প্রতিবেদনে দেয়া যাবেনা। তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষে না গেলে আপনি না রাজি দিতে পারবেন এখানে বিশৃংখলার দরকার নেই কিন্তু মেয়েটি কোন কিছু কর্ণপাত না করে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ করতে থাকে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ করত কয়েকটি নাম্বার ব্লক করা হলেও নতুন নাম্বার থেকে ফোন করে গালিগলাজ করত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মা মেয়েকে আহত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেয়েটি মাসহ থানা কম্পাউন্ডে প্রবেশ থেকে শেষ পর্যন্ত সিসিটিভির ফুটেজ দেখলে বুঝা যাবে মেয়েটি কি অবর্ণনীয় আচরণ করেছে এবং তাদের কেউ আঘাত করেছে কিনা। এছাড়া মেয়েটি নিজে দেয়ালে মাথা ঠেকিয়ে আঘাত প্রাপ্ত হবার চেষ্টা করছে। পুলিশের মামলা দায়েরের এখতিয়ার থাকার পরও ভ্রাম্যমান আদালতের আশ্রয় নেয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ওসি বলেন পুলিশের সাথে সরাসরি ঘটনায় নিজেরা কিভাবে মামলা দায়ের করবে তাই মোবাইল কোর্টের আশ্রয় নেয়া হয়েছে।
তথ্য সূত্রে জানাগেছে ইতিপূর্বে মেয়েটি পেকুয়া সদর ইউনিয়নেও ওয়ারিশি সনদ ও জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। সেখানেও যুক্তিসংগত কোন কাগজপত্র দাখিল করতে পারেনি। কাগজ পত্র ছাড়া গালাগালি করে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ তুলে ওয়ারিশি সনদ জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে চেয়েছিল।
পেকুয়া সদরে ৬নং ওয়ার্ড় ইউপি সদস্য দিদারুল ইসলাম জানান পেকুয়া সেনা ক্যাম্পের ইনচার্জ একটি জোবাইদা বেগমের একটি অভিযোগের আলোকে তাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। বাদী বিবাদী পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে পর্যাপ্ত কাগজপত্র দিতে না পারায় সিদ্ধান্ত হয় ডিএনএ টেষ্ট করে পিতৃপরিচয় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়। সে মতে একটি সমঝোতা পত্র উভয় স্বাক্ষর করার কথা হয় ইতিমধ্যে মেয়েটি নির্ধারিত তারিখে মব সৃষ্টি করে তার কাছ থেকে জোর পূর্বক স্ট্যাম্প নেয়া হচ্ছে বলে পেকুয়া চৌমুহনীতে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে। পরে তাকে সহ আসামী করে চকরিয়া আদালতে মামলা দায়ের করে। বিষয়টি তিনি সেনা ক্যাম্পে জানালো মেয়েটিকে শতর্ক করেছিলেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই পল্লব ঘোষ বলেন,  তদন্তভার পেকুয়া থানায় দিলে সেখানেও মব সৃষ্টি করে তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে নিতে দফায় দফায় ব্যাপক হট্টগোল করেছে। তার পক্ষে প্রতিবেদন না দিলে বিষ পান করবে ধর্ষণ করেছে বলে মামলা দায়েরের হুমকি সহ গালিগলাজ করায় তার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ৫ দফা জিডি করা হয়েছে। সর্বশেষ পরিকল্পিতভাবে হামলা করে মহিলা পুলিশের ৩সদস্যদে আহত করেছে।
জানাযায়,রেহেনা মোস্তফা রানুর সাথে নুরুল আবছারের সাথে ১৯৯৭ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের ৪ মাস পর বিচ্ছেদ শুরু হয়। ৭/০৯/১৯৯৭ ইংরেজী তারিখ ও ১৬/০৯/৯৭ ইং তারিখ চকরিয়া এডভোকেট এ্যাসোসিয়েশনের প্যাডে এডভোকেট হাফেজ আহমদ রেহেনা মোস্তফার পক্ষে নুরুল আবছারকে পুরুষত্বহীন ও গুরুত্বহীন সংসার করতে অক্ষম উল্লেখ করে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন, রেহেনার দেনাপাওনা পরিশোধ করতে অনুরোধ করেন। জোবাইদার মার বিচ্ছেদ যদি ১৯৯৭ সালে শুরু হয় ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে বিচারের মাধ্যমে পাওনা বুঝে নিয়ে দফারফা হয়ে যায়, মেয়েটির এসএসসির সার্টিফিকেট অনুযায়ী জন্ম যদি ০১/০৬/২০০৪ ইং হয় তাহলে মেয়েটির পিতা নুরুল আবছার হয় কিভাবে এমন প্রশ্ন ওঠে আসে। এসব বিতর্ক সঠিক সমাধান বা উপযুক্ত কাগজ পত্র দিতে ব্যর্থ হয়ে মেয়েটি কোন মামলার প্রতিবেদন তার পক্ষে নিতে পারেনি। অভিযোগ ওঠেছে যে দপ্তরে মেয়েটি মামলা দায়ের করেছে সে দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে এক ধরনের মব সৃষ্টি করেছে মেয়েটি। মেম্বার দিদারুল ইসলাম বলেন, নুরুল আবছারের জীবদ্বশায় কোনদিন মেয়েটি বা তার মা পিতৃপরিচয় নিয়ে কোন দিন আসেনি। রেহেনা ও নুরুল আবছারে আনুষ্ঠানিক বিবাহ বিচ্ছেদের ৫বছর পর জন্ম নেয়া মেয়েটিকে কোন প্রকার বৈধ কাগজ পত্র ছাড়া স্বীকৃতি আমারা বিচারকরা দিতে পারিনি বলে রোষানলে পড়েছি।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান মাহবুব বলেন, মেয়েটির বিশৃংখল আচার ব্যবহার যেহেতু আগে থেকে অবগত ছিলাম সেখানে পেকুয়া থানা পুলিশের অনুরোধে গিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেছি আমাকে সহ আক্রমণ করতে চেয়েছে মহিলা পুলিশ তাদের দমন করতে ব্যর্থ হয়েছে ও আহত হয়েছে বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি-আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক- আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার মগনামা বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১১ (এপ্রিল) ইউপির বেদারবিল পাড়ার নতুন মার্কেট এলাকায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটের সময় ভোট গ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এসময় ৩ টি বুথে ৩৮০ ভোটার মধ্যে ২৮১ ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায় এবং দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবীণদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তারা সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে ৩ টি পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম।

সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান (চেয়ার মার্কা) ১৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
নুরুল হুদা (ছাতা মার্কা) পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বদি আলম (হরিণ মার্কা) ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
দেলোয়ার হোছেন (ফুটবল মার্কা) ৯৮ ভোট, আবু নয়ন (টিউবওয়েল মার্কা) পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আজিম উদ্দিন (গোলাপ ফুল মার্কা) ১৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (দেওয়াল ঘড়ি মার্কা) ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘবছর পর কাদের বলির পাড়া ও বেদার বিল পাড়া এলাকার সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যদি সমাজ পরিচালনা করা হয় তাহলে সমাজের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়। মগনামার সকল সমাজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এবং মগনামায় এই কমিটির মাধ্যমে সকল দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অনলাইন জুয়া ও মাদক চিরতরে বন্ধ করা হবে।

পেকুয়ার শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে গণ বিবাহ সম্পন্ন

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষ নিতে না পেরে পুলিশের উপর হামলা আটক মা মেয়েকে মোবাইল কোর্টে ১ মাসের সাজা

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (0.5402778, 0.6631514);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 42;

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোছাইনের অর্থায়নে চার জোড়া বর কনের গণ বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
১১ মার্চ দুপুরে শিলখালী ইউনিয়নের পেঠানমাতবরপাড়াস্থ নিজ বাস ভবনে সহস্রাধিক লোকজনকে আপ্যায়ন সহ বর কনের পোশাক আসবাব পত্র উপহার দিয়ে এগণবিবাহ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিবাহ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান কামাল হোছাইন, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ আনসারী, প্রফেসর সালাহউদ্দিন, ফরিদুল আলম সিকদার, বেলাল উদ্দিন, বশর মল্লিক, মৌলানা মনজুরুল আলম প্রমুখ। বিবাহ উত্তর মুনাজাত পরিচালনা করেন জানেরমার মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুর রশিদ। হতদরিদ্র পরিবারের চার কণে ও বর হলো পেকুয়া উপজেলার কাচারীমোড়া ১নং ওয়ার্ড শিলখালীর আবুল কাশেমের ছেলে হাসান উদ্দিনের সাথে একই ইউনিয়নের চেপটামোড়ার মমতাজ মিয়ার মেয়ে নাসরিন সোলতানা কেয়ার বিয়ে হয়।
মহেশখালীর মাতারবাড়ী ৭ নং ওয়ার্ড মাইজঘোনার
নুর হোছাইনের ছেলে মো আরিফ ও দক্ষিণ জোম ৬ নং ওয়ার্ড শিলখালীর মো হোসাইন আলীর মেয়ে কুলছুমা বেগম, রিয়াজুদ্দিন উকিল সড়ক ৫ নং চান্দগাও চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে আবদুল করিমের সাথে কাচারীমোড়া শিলখালীর রুহুল কাদেরের মেয়ে
রিনা আকতার, দক্ষিণ জোম শিলখালীর মোকতার আহমদের ছেলে আনিসের একই ইউনিয়নের সেগুনবাগিচার লোকমানের মেয়ে
শফিকা বেগমের বিয়ের আয়োজন করা হয়।