| ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা মিটিং এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, মাদক ও অপরাধ দমন করা হবে

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, মাদক ও অপরাধ দমন করা হবে

রকিবুল হাসান

কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে সরকার নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ আজ সোমার (৯ ই মার্চ) ১ টার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলা পুলিশের নেতৃত্বে কক্সবাজারে প্রথম আইনশৃঙ্খলা বৈঠক ও ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে যেসব অবৈধ স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে উচ্ছেদ করা হবে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে কাজটি সম্পন্ন হবে, আর সার্বিক সহযোগিতা করবেন সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল। এমন আইনশৃঙ্খলা সভা প্রতি মাসে অনুষ্ঠিত হবে এবং একটি বিভাগীয় কমিটিও গঠন করা হবে।
তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করবেন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কোনো রকমের ময়লা-আবর্জনা ও অবৈধ স্থাপনা যেন স্থাপন না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, শহরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকবিরোধী অভিযান কার্যকর করতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হবে। এছাড়া ট্রাফিক ও পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য টমটম অটো ও ব্যাটারি চালিত রিক্সার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে না। এক লাইসেন্সে একাধিক রিক্সা ব্যবহার করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তবে গরিবদের সেবা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা হবে।
সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে আজও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চলছে। আমরা কোনো অস্ত্রধারী বা চাঁদাবাজকে আইনের বাইরে থাকতে দেব না। দেশের মানুষ যেন শান্তিতে থাকতে পারে, সেদিকে আমরা নজর রাখছি।”
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, “দায়িত্ব নেওয়ার এক মাস পেরিয়েছে, তবুও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা রয়ে গেছে। তবে নির্ধারিত অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য যা যা করণীয়, সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অপরাধীরা দেশের বাইরে পালিয়ে গেলেও তারা আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। তাদের আইনের আওতায় আসতেই হবে এবং দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এবং কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীসহ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, মাদক ও অপরাধ দমন করা হবে

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি-আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক- আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার মগনামা বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, মাদক ও অপরাধ দমন করা হবে

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১১ (এপ্রিল) ইউপির বেদারবিল পাড়ার নতুন মার্কেট এলাকায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটের সময় ভোট গ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এসময় ৩ টি বুথে ৩৮০ ভোটার মধ্যে ২৮১ ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায় এবং দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবীণদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তারা সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে ৩ টি পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম।

সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান (চেয়ার মার্কা) ১৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
নুরুল হুদা (ছাতা মার্কা) পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বদি আলম (হরিণ মার্কা) ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
দেলোয়ার হোছেন (ফুটবল মার্কা) ৯৮ ভোট, আবু নয়ন (টিউবওয়েল মার্কা) পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আজিম উদ্দিন (গোলাপ ফুল মার্কা) ১৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (দেওয়াল ঘড়ি মার্কা) ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘবছর পর কাদের বলির পাড়া ও বেদার বিল পাড়া এলাকার সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যদি সমাজ পরিচালনা করা হয় তাহলে সমাজের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়। মগনামার সকল সমাজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এবং মগনামায় এই কমিটির মাধ্যমে সকল দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অনলাইন জুয়া ও মাদক চিরতরে বন্ধ করা হবে।

পেকুয়ার শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে গণ বিবাহ সম্পন্ন

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, মাদক ও অপরাধ দমন করা হবে

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (0.5402778, 0.6631514);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 42;

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোছাইনের অর্থায়নে চার জোড়া বর কনের গণ বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
১১ মার্চ দুপুরে শিলখালী ইউনিয়নের পেঠানমাতবরপাড়াস্থ নিজ বাস ভবনে সহস্রাধিক লোকজনকে আপ্যায়ন সহ বর কনের পোশাক আসবাব পত্র উপহার দিয়ে এগণবিবাহ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিবাহ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান কামাল হোছাইন, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ আনসারী, প্রফেসর সালাহউদ্দিন, ফরিদুল আলম সিকদার, বেলাল উদ্দিন, বশর মল্লিক, মৌলানা মনজুরুল আলম প্রমুখ। বিবাহ উত্তর মুনাজাত পরিচালনা করেন জানেরমার মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুর রশিদ। হতদরিদ্র পরিবারের চার কণে ও বর হলো পেকুয়া উপজেলার কাচারীমোড়া ১নং ওয়ার্ড শিলখালীর আবুল কাশেমের ছেলে হাসান উদ্দিনের সাথে একই ইউনিয়নের চেপটামোড়ার মমতাজ মিয়ার মেয়ে নাসরিন সোলতানা কেয়ার বিয়ে হয়।
মহেশখালীর মাতারবাড়ী ৭ নং ওয়ার্ড মাইজঘোনার
নুর হোছাইনের ছেলে মো আরিফ ও দক্ষিণ জোম ৬ নং ওয়ার্ড শিলখালীর মো হোসাইন আলীর মেয়ে কুলছুমা বেগম, রিয়াজুদ্দিন উকিল সড়ক ৫ নং চান্দগাও চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে আবদুল করিমের সাথে কাচারীমোড়া শিলখালীর রুহুল কাদেরের মেয়ে
রিনা আকতার, দক্ষিণ জোম শিলখালীর মোকতার আহমদের ছেলে আনিসের একই ইউনিয়নের সেগুনবাগিচার লোকমানের মেয়ে
শফিকা বেগমের বিয়ের আয়োজন করা হয়।