| ২ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়ায় ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ৩মাদক ব্যবসায়ী আটক

পেকুয়ায় ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ৩মাদক ব্যবসায়ী আটক


 

দেলোয়ার হোছাইন
কক্সবাজারের পেকুয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ নারী মাদক ব্যবসায়ী সহ ৩ মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ।

‎শনিবার (২৮ মার্চ) রাত ১টার দিকে পেকুয়া থানার এসআই সাজ্জাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

‎আটককৃতরা হলেন, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বকসু চৌকিদার পাড়া এলাকার মোঃ আলমগীরের ছেলে মোঃ রমজান (৩১), বারবাকিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জালিয়াকাটা এলাকার নুরুন নবীর ছেলে সালাহ উদ্দিন (৩৮) ও সালাহউদ্দিনের স্ত্রী জুবাইদা বেগম (৩৬)।

‎এসময় আটককৃতদের কাছ থেকে ২৪২ পিচ ইয়াবা ও ইয়াবা বিক্রির নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সহ ইয়াবা ব্যবসায় ব্যবহৃত ১টি নম্বর বিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।


‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পেকুয়া বাজারের ফাঁশিয়াখালী ব্রীজ এলাকা থেকে ধাওয়া করে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রমজান’কে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ১৯৫ পিচ ইয়াবা সহ ১টি নম্বর বিহীন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পরে তার দেয়া স্বীকারোক্তি মতে বারবাকিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জালিয়াকাটা সিরাজ মার্কেট নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি সালাহউদ্দিন ও তার স্ত্রী জুবাইদা বেগম’কে আটক করে। এসময় জুবাইদা বেগম ও সালাহউদ্দিনের হেফাজত থেকে ৪৭ পিচ ইয়াবা ও ইয়াবা বিক্রির নগদ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

‎এ বিষয়ে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খাইরুল আলম বলেন, পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ নারী সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটককৃতরা পেকুয়া থানা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য বিক্রির সাথে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক ২টি মামলা রুজু করা হয়। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্সের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিটকর্মকর্তার ছত্রছায়ায় জাতীয় উদ্যানের বনভূমি বিক্রির হিড়িক!

পেকুয়ায় ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ৩মাদক ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী এলাকায় অবস্থিত মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যানের সংরক্ষিত বনভূমি বিক্রির অভিযোগ ওঠেছেবনবিট কর্মকর্তা মুমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় একটি সেন্ডিকেটের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন লোকজনকে বনভূমিতে টাকার বিনিময়ে বসতি স্থাপনের সুযোগ করে দেয়ার সরকারি বনভূমি উজাড় হয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকার সৃষ্টি হয়েছে।
জানাযায় বনভূমিতে বসতি স্থাপনকারী রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হারেসের স্ত্রীও বিটকর্ম কর্মকর্তা কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে বসতি স্থাপনের সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবী করেন। যার ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জাতীয় উদ্যানের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন নিধন করে ও
পাহাড়ের ঢালু কেটে সমতল করে নিত্যদিন বসতি গড়ে তোলা হচ্ছে। কোথাও ঝুপড়ি ঘর তৈরী করে পরিকল্পিত দখলের মহোৎসব চলছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে এ দখল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দালালদের মাধ্যমে আগ্রহীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এবং পরে সেখানে নির্বিঘ্নে বসতি স্থাপন সম্ভব হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, বনবিট কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া এখানে কোনো কিছুই সম্ভব নয়। চা-পানির খরচ দিলেই বসতি নির্মাণে কোনো ধরনের বাধা আসে না বলেও তারা অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে প্রতিটি বসতির জন্য আলাদা করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর একটি অংশকে লক্ষ্য করে বনভূমিতে বসতি স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আসা এসব মানুষকে বনভূমির ভেতরে নির্দিষ্ট অংকের টাকার বিনিময়ে ঘর নির্মাণে সহায়তা করা হচ্ছে। বর্তমানে বনবিট এলাকার অন্তত ১০ থেকে ১২টি পাকা ও আধাপাকা বসতঘর নির্মাণাধীন রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের নিয়মিত টহল কার্যক্রমও চোখে পড়ছেনা।

অভিযুক্ত বনবিট কর্মকর্তা মুমিনুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বসতবাড়ি নির্মাণের সুযোগ দিয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা হয়নি। তার দাবি, একটি চক্র তার নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
বনভূমি দখল করে বসতি নির্মাণকারী আবু তাহের নামের এক ব্যক্তি প্রতিবেদককে “ম্যানেজ” করার চেষ্ঠা করে বলেন, খুটাখালী ১নং ওয়ার্ডের কোনাপাড়া এলাকার আহমদ ছফা, রোহিঙ্গা নাগরিক মো. হারেসসহ তিনটি বসতঘর নির্মাণের জন্য ১৫ হাজার টাকা করে উৎকোচ হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
বিভাগীয় বনবিট কর্মকর্তা মারুফ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, সংরক্ষিত জাতীয় উদ্যানে এ ধরনের অবৈধ দখল কার্যক্রম চলতে থাকলে তা জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে। বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি মানব-বন্যপ্রাণী সংঘাতও বাড়বে।
স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে অবৈধ বসতি উচ্ছেদ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান ধীরে ধীরে দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

নানার বাড়ির পুস্কুনিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

এম.আবদুল্লাহ আনসারী পেকুয়া কক্সবাজার

কক্সবাজারের চকরিয়ার চিরিংগা ইউনিয়নের সওদাগর ঘোনা চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুষ্কুনিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো বোন।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল বেলা ২ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হল,উপজেলার ডুলাহাজরা ইউনিয়নের হেলাল উদ্দিনের কন্যা বকেয়া মনি (৮) এবং চিরিংগা ইউনিয়ন চারা বটতলী এলাকার মিরাজ উদ্দিনের কন্যা হুরিফা জান্নাত (৫)।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,আজ দুপর ২ টার দিকে চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে একটি পুষ্কুনি পাড়ে খেলতে যায় দুই বোন। খেলার এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুষ্কুনি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশুদের মুখ দিয়ে রক্তমিশ্রিত ফেনা বের হচ্ছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

পরে মুমূর্ষু অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন বলেন,দুই শিশুর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নানার বাড়ির পুস্কুনিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

পেকুয়ায় ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ৩মাদক ব্যবসায়ী আটক

মনিরুল আমিন চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ার চিরিংগা ইউনিয়নের সওদাগর ঘোনা চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পুষ্কুনিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো বোন।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল বেলা ২ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হল,উপজেলার ডুলাহাজরা ইউনিয়নের হেলাল উদ্দিনের কন্যা বকেয়া মনি (৮) এবং চিরিংগা ইউনিয়ন চারা বটতলী এলাকার মিরাজ উদ্দিনের কন্যা হুরিফা জান্নাত (৫)।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,আজ দুপর ২ টার দিকে চারা বটতলী এলাকায় নানার বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে একটি পুষ্কুনি পাড়ে খেলতে যায় দুই বোন। খেলার এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুষ্কুনি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশুদের মুখ দিয়ে রক্তমিশ্রিত ফেনা বের হচ্ছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

পরে মুমূর্ষু অবস্থায় দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন বলেন,দুই শিশুর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চকরিয়ায় আলোচিত সিরাজ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার,নিহতের পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পেকুয়ায় ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ৩মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

মনিরুল আমিন

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়ন সওদাগর ঘোনা এলাকায় আলোচিত সিরাজুল ইসলাম হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামি সোহেল আহমদকে বিক্ষুব্ধ জনগণ আটক করে গণধোলাইয়ের পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

চারটি হত্যাসহ ৮ মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল আহমদকে আটকের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিহত সিরাজের পরিবারকে মামলায় জড়ানোসহ বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামিরা এবং তাদের পরিবার । সওদাগর ঘোনা এলাকার ইদ্রিস আহমদ এর ছেলে সোহেল চিরিংগা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত সিরাজুল ইসলামের পরিবার ও এলাকাবাসীর নিরাপত্তার দাবিতে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সওদাগর ঘোনা এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত সিরাজের পরিবার ও স্থানীয় জনসাধারণ।

সংবাদ সম্মেলনে নিহত সিরাজের পিতা ওমর আলী বলেন,গত বছরের ২৫ অক্টোবর বিকেলে বেগুন খেতে কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে সওদাগর ঘোনা চারা বটতলী এলাকা থেকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী খালি জায়গায় স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর,ইউসুফ,কপিল, সোহেল,ইউনুস,রহিম, গিয়াসউদ্দিন,কুতুবউদ্দিন,নুর মোহাম্মদ মনিক্কা,জুয়েল, মহিউদ্দিন,আনোয়ার হোসেনসহ ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী গুলি করে ও পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যাকরে। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করি। ওই মামলার এজাহার নামীয় ৪ নম্বর আসামি চারটি হত্যাসহ ৮ মামলার আসামি সোহেলকে গত শনিবার এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা ধাওয়া করে আটক করে। পরে চকরিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

নিহত সিরাজের স্ত্রী জান্নাতুল মোস্তফা মনি বলেন,আমার স্বামীসহ চার খুনের মামলার আসামি সোহেলের প্রতি পুরো সওদাগর ঘোনাবাসী অতিষ্ঠ ছিল। তাঁকে আটকের পর বিক্ষুব্ধ জনতা উত্তমমধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে,এতে সে কিছুটা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে শুনেছি। এ ঘটনায় আমাদের পরিবারকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিসহ নানারকম হুমকি-ধামকি দিচ্ছে খুনিদের আত্মীয় স্বজনেরা। আমি পিতাহারা তিন সন্তানকে নিয়ে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছি।

স্থানীয়রা জানান,তিন মাসের মধ্যে দুই খুনের মূল হোতা সোহেল গ্রেফতার হলেও অপরাপর খুনিরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়ানোয় এলাকাবাসী আতংকে দিনাতিপাত করছে। যে কোন সময়ে আবারও নৃশংস ঘটনার আশংকা প্রকাশ করে তারা প্রশাসনের সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বেলাভূমিকে জানান,সিরাজুল ইসলাম খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে।