| ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন লাপাত্তা!

গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

 

মনিরুল আমিন

কক্সবাজারের চকরিয়ায় কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন নামে একটি মাল্টিপারপাস কোম্পানি শতশত গ্রাহকদের কোটি-কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ায়,প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকদের গ্রেফতার ও টাকা উদ্ধারের দাবিতে অফিস ঘেরাও, গ্রাহকদের মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ২ টায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া নিউ মার্কেট এর সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ এবং বিকেলে চকরিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী গ্রাহক।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী গ্রাহক ফল বিক্রেতা মোঃ বশিরুল আলম বলেন,আমার ছেলেদের বিদেশে পাঠানোর জন্য জমানো ৩২ লাখ টাকা কর্ণফুলী ফাউন্ডেশনে এফডিআর করে রেখেছিলাম। এখন টাকা মেরে দিয়ে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছে। আমার সারাজীবনের সঞ্চয় হারিয়ে আমি এখন পাগলের মতো হয়ে গেছি। এ কারণে টেনশনে তিনি দুইবার স্ট্রোক করেছেন বলেও জানান।

বৃদ্ধ গ্রাহক আম্বিয়া খাতুন বলেন,আমি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে ভিক্ষা করে জমানো এক লাখ টাকা ফাউন্ডেশনে জমা রেখেছি মৃত্যুর পরে ওয়ারিশরা যাতে আমার দাফন-কাফনের কাজে ব্যবহার করতে পারে। কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন সকলের টাকা মেরে পালিয়ে গেছে।

এদিকে বিকেলে চকরিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী সামাদুর রহমান সুমন। লিখিত বক্তব্যে সুমন বলেন,দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে আমি প্রবাসে রয়েছি। আমার প্রবাস জীবনের কষ্টার্জিত তিলেতিলে সঞ্চয় করা ১ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা ৫ দফায় চকরিয়ার কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন (কেএমসিএসএল) এ ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) করি। কোম্পানি টি আমাকে তাদের নিজেদের নামীয় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংকের নামে ভিন্ন ভিন্ন তারিখের ৫টি চেক প্রদান করে। যার মধ্যে ৩ লাখ টাকার একটি চেক বিগত ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়।

সুমন বলেন,কর্ণফুলী ফাউন্ডেশনে আমার আপন বড় ভাই শাহাজাহান ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন বিধায়,আমি সরল বিশ্বাসে এত গুলো টাকা আমানত হিসেবে রাখি। এই টাকা গুলো সম্পুর্ন ভাবে আমার কষ্টার্জিত টাকা, এসব টাকা বিদেশ থেকে দেশে পাঠাতে বাংলাদেশ সরকারকে অনেক গুলো র‍্যামিটেন্স দিয়েছি। যার ডকুমেন্টস সংরক্ষিত আছে।

প্রবাসী সুমন সংবাদিকদের বলেন,আমার মতো অপর আরেকজন ভুক্তভোগী কর্ণফুলী ফাউন্ডেশনে কিছু টাকা ইনভেস্ট করেন। কোম্পানিটি উধাও হয়ে গেলে,তিনি তার টাকা ফেরত চেয়ে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি ফৌজদারি দরখাস্ত করেন। দুঃখজনক ভাবে ওই দরখাস্তে আমাকেও বিবাদী করা হয়েছে। ধারণা করছি আমার ভাই যেহেতু কর্ণফুলী ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার ছিলেন,তাই হয়তো ওনি ভুলবশত আমার নামও এখানে জড়িয়ে দিয়েছে। আমি কর্ণফুলী ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পরিষদের সাথে কোন ভাবেই জড়িত নই। আমার বিন্দু পরিমাণেও কোন সম্পৃক্ততা কেউ দেখাতে পারবে না। আমিও একজন ওনার মতো ভুক্তভোগী। আমি ইতোমধ্যে কর্ণফুলী ফাউন্ডেশনের পরিচালকদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি। এছাড়াও আরও কয়েকজন গ্রাহক আমাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। এধরণের অপপ্রচার মিথ্যা ও উদ্যেশ্য প্রনোদিত। আমি তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আমি প্রশাসন ও জনসাধারণ কে সবিনয় অনুরোধ করছি।

তাঁর প্রবাস জীবনে কষ্টার্জিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়া কর্ণফুলী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নিতে চকরিয়া-পেকুয়ার আপামর জনতার আস্থাভাজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি,প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ও চকরিয়া থানার ওসি’র কাছে সবিনয়ে অনুরোধ জানান প্রবাসী সামাদুর রহমান।

 

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি-আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক- আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার মগনামা বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১১ (এপ্রিল) ইউপির বেদারবিল পাড়ার নতুন মার্কেট এলাকায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটের সময় ভোট গ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এসময় ৩ টি বুথে ৩৮০ ভোটার মধ্যে ২৮১ ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায় এবং দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবীণদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তারা সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে ৩ টি পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম।

সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান (চেয়ার মার্কা) ১৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
নুরুল হুদা (ছাতা মার্কা) পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বদি আলম (হরিণ মার্কা) ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
দেলোয়ার হোছেন (ফুটবল মার্কা) ৯৮ ভোট, আবু নয়ন (টিউবওয়েল মার্কা) পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আজিম উদ্দিন (গোলাপ ফুল মার্কা) ১৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (দেওয়াল ঘড়ি মার্কা) ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘবছর পর কাদের বলির পাড়া ও বেদার বিল পাড়া এলাকার সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যদি সমাজ পরিচালনা করা হয় তাহলে সমাজের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়। মগনামার সকল সমাজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এবং মগনামায় এই কমিটির মাধ্যমে সকল দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অনলাইন জুয়া ও মাদক চিরতরে বন্ধ করা হবে।

পেকুয়ার শিলখালী ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে গণ বিবাহ সম্পন্ন

গ্রাহকদের টাকা ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (0.5402778, 0.6631514);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 42;

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোছাইনের অর্থায়নে চার জোড়া বর কনের গণ বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।
১১ মার্চ দুপুরে শিলখালী ইউনিয়নের পেঠানমাতবরপাড়াস্থ নিজ বাস ভবনে সহস্রাধিক লোকজনকে আপ্যায়ন সহ বর কনের পোশাক আসবাব পত্র উপহার দিয়ে এগণবিবাহ সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিবাহ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান কামাল হোছাইন, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ আনসারী, প্রফেসর সালাহউদ্দিন, ফরিদুল আলম সিকদার, বেলাল উদ্দিন, বশর মল্লিক, মৌলানা মনজুরুল আলম প্রমুখ। বিবাহ উত্তর মুনাজাত পরিচালনা করেন জানেরমার মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুর রশিদ। হতদরিদ্র পরিবারের চার কণে ও বর হলো পেকুয়া উপজেলার কাচারীমোড়া ১নং ওয়ার্ড শিলখালীর আবুল কাশেমের ছেলে হাসান উদ্দিনের সাথে একই ইউনিয়নের চেপটামোড়ার মমতাজ মিয়ার মেয়ে নাসরিন সোলতানা কেয়ার বিয়ে হয়।
মহেশখালীর মাতারবাড়ী ৭ নং ওয়ার্ড মাইজঘোনার
নুর হোছাইনের ছেলে মো আরিফ ও দক্ষিণ জোম ৬ নং ওয়ার্ড শিলখালীর মো হোসাইন আলীর মেয়ে কুলছুমা বেগম, রিয়াজুদ্দিন উকিল সড়ক ৫ নং চান্দগাও চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে আবদুল করিমের সাথে কাচারীমোড়া শিলখালীর রুহুল কাদেরের মেয়ে
রিনা আকতার, দক্ষিণ জোম শিলখালীর মোকতার আহমদের ছেলে আনিসের একই ইউনিয়নের সেগুনবাগিচার লোকমানের মেয়ে
শফিকা বেগমের বিয়ের আয়োজন করা হয়।