| ২১ জুন ২০২৬

পেকুয়ায় নির্বাচনী পথ সভায় সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে একটি সুস্থ সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক দেশ বিনির্মানে ও সকল নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নের ভিত্তি হিসেবে বিএনপি ৩১ দফা লক্ষ্য উদ্দেশ্য করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন আন্দোলনের চুড়ান্ত রোডম্যাপ করেছিল।”

“মগনামায় অগ্নি কান্ডের শিকার ৭ পরিবারকে নগদ অনুদান”

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক।


দীর্ঘ ১৬/১৭ বছরের এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ বিরোধী গনতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এ গনতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। ভোটাধিকারের জন্য আমরা রক্ত দিয়েছি, সংগ্রাম করেছি। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী গোষ্ঠী শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছে।
এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শক্তিশালী গনতান্ত্রিক পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা হবে। গনতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার, গনতান্ত্রিক অধিকার সহ সকল অধিকার বাস্তবায়ন হবে। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে ২০২৩ সালে ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি প্রদান করেছিলাম। আমাদের সকল সংস্কারের মুল উদ্দেশ্য, এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি, সমৃদ্ধি এদেশের সকল মানুষের যেন গনতান্ত্রিক সকল অধিকার সংরক্ষিত হয় সেটি হচ্ছে ৩১ দফার মুল উদ্দেশ্য।
আমরা ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছি, আমাদের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর মধ্যে একটি হচ্ছে আমরা সকল কৃষকের জন্য কৃষিকার্ড প্রদান করব। কৃষিকার্ড যার হাতে থাকবে সে কার্ডের মধ্য দিয়ে তারা কৃষিঋন পাবে।কৃষির সমস্ত উপকরণ ন্যায্যমুল্যে তারা পাবে।
বাংলাদেশের সকল নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া তার অধিকার। সকল নাগরিকের চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা স্বাস্থ্যকার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করব। যে স্বাস্থ্যকার্ড যার হাতে থাকবে প্রাথমিক চিকিৎসা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা সে পাবে। সবার জন্য স্বাস্থ্য এটি হচ্ছে আমাদের নীতি। কেউ বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু বরণ করবে না। আমরা বলছি ফ্যামিলি কার্ড দিব।
ফ্যামিলি কার্ড মানে পরিবার, পরের যিনি মহিলা থাকবেন, মুরুব্বি তার হাতে ফ্যামিলি কার্ড থাকবে। সেটা যার হাতে থাকবে সে পরিবার প্রতিমাসে ভরনপোষণের জন্য ন্যায্যমুল্যে এবং বিনামূল্যে সেই পরিবারের সকল চাহিদা আমরা চাল,ডাল, সয়াবিনসহ সকল প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করব। আমরা হয়তো প্রাথমিক পর্যায়ে সকল নাগরিকের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে পারব না কিন্তু প্রথম বারেই পঞ্চাশ থেকে এক কোটি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করব।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) মগনামা মৌলভী পাড়ায় মাওলনা জাফর আহমদ মজিদি এর কবর জিয়ারত করেন। পরে মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা স্টেশনে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। নিজ জন্মভূমি পেকুয়ায় দ্বিতীয় দিন মগনামায় নির্বাচনী জনসংযোগ করেন।
এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ জনসংযোগ করেন। পথসভা শেষে সিকদার পাড়ায় সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রয়াত মাহামুদুল করিম এর কবর জিয়ারত করেন।
এরপর বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করে মুহুরীপাড়া, কাজী মার্কেট স্টেশন, কালার পাড়া স্টেশনে পথসভা করেন। পরে তিনি রঙিখালের পূর্বকূল এবাদুল্লাহ পাড়া আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে সাক্ষাত করেন। এসময় তিনি ৮টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পরে ধাপে ধাপে সকল পরিবারকে এই সুবিধায় আওতায় আনা হবে।
এছাড়া পুর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী উজানটিয়ার বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করেন এবং কবির আহমদ স্টেশন, করিমদাদ মিয়ার জেটিঘাট স্টেশন, গুদারপাড় স্টেশন, সোনালী বাজার স্টেশনে এবং পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে পথ সভায়
যোগ দেন। মগনামা ও উজানটিয়া দুই ইউনিয়নে মোট সাতটি পথ সভায় তিনি অংশ নেন। সর্বশেষ সন্ধ্যায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে পথসভা করেন তিনি।
পথ সভা ও জনসংযোগে জনগনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। প্রিয় নেতাকে দেখতে ও স্বাগত জানাতে সড়কের পাশে অসংখ্য নারী পুরুষ অবস্থান করেন। অনেকে তাদের প্রিয় নেতাকে দেখে আবেগ আপ্লুত হন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী ও সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট হাসিনা আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন, কক্সবাজার জেলা আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু,

জেলা ওলামাদলের সভাপতি মাও. আলী হাসান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাফায়াত আজিজ রাজু, মগনামা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফায়সাল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাকের হোসাইন, উজানটিয়া বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক জাফর আলম, পেকুয়া সদর পশ্চিম জোন বিএনপির সভাপতি শাহনেওয়াজ আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনাফ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট, যুগ্ম আহবায়ক নুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইয়াসিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আহসান উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সোহেল আজিম, আহবায়ক ফরহাদ হোছাইন, তাঁতীদলের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন,সদস্য সচিব ইমরুল হাসান ইমু, ছাত্রদলের আহবায়ক নাঈমুর রহমান হৃদয় সদস্য সচিব আবুল কাসেম নুরী সহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।