| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়ায় নির্বাচনী পথ সভায় সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে একটি সুস্থ সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক দেশ বিনির্মানে ও সকল নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নের ভিত্তি হিসেবে বিএনপি ৩১ দফা লক্ষ্য উদ্দেশ্য করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন আন্দোলনের চুড়ান্ত রোডম্যাপ করেছিল।”

“মগনামায় অগ্নি কান্ডের শিকার ৭ পরিবারকে নগদ অনুদান”

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক।


দীর্ঘ ১৬/১৭ বছরের এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ বিরোধী গনতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এ গনতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। ভোটাধিকারের জন্য আমরা রক্ত দিয়েছি, সংগ্রাম করেছি। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়েছে। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী গোষ্ঠী শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছে।
এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শক্তিশালী গনতান্ত্রিক পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা হবে। গনতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার, মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার, গনতান্ত্রিক অধিকার সহ সকল অধিকার বাস্তবায়ন হবে। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে ২০২৩ সালে ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি প্রদান করেছিলাম। আমাদের সকল সংস্কারের মুল উদ্দেশ্য, এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি, সমৃদ্ধি এদেশের সকল মানুষের যেন গনতান্ত্রিক সকল অধিকার সংরক্ষিত হয় সেটি হচ্ছে ৩১ দফার মুল উদ্দেশ্য।
আমরা ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছি, আমাদের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর মধ্যে একটি হচ্ছে আমরা সকল কৃষকের জন্য কৃষিকার্ড প্রদান করব। কৃষিকার্ড যার হাতে থাকবে সে কার্ডের মধ্য দিয়ে তারা কৃষিঋন পাবে।কৃষির সমস্ত উপকরণ ন্যায্যমুল্যে তারা পাবে।
বাংলাদেশের সকল নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া তার অধিকার। সকল নাগরিকের চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা স্বাস্থ্যকার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করব। যে স্বাস্থ্যকার্ড যার হাতে থাকবে প্রাথমিক চিকিৎসা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসা সে পাবে। সবার জন্য স্বাস্থ্য এটি হচ্ছে আমাদের নীতি। কেউ বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু বরণ করবে না। আমরা বলছি ফ্যামিলি কার্ড দিব।
ফ্যামিলি কার্ড মানে পরিবার, পরের যিনি মহিলা থাকবেন, মুরুব্বি তার হাতে ফ্যামিলি কার্ড থাকবে। সেটা যার হাতে থাকবে সে পরিবার প্রতিমাসে ভরনপোষণের জন্য ন্যায্যমুল্যে এবং বিনামূল্যে সেই পরিবারের সকল চাহিদা আমরা চাল,ডাল, সয়াবিনসহ সকল প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করব। আমরা হয়তো প্রাথমিক পর্যায়ে সকল নাগরিকের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনতে পারব না কিন্তু প্রথম বারেই পঞ্চাশ থেকে এক কোটি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করব।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) মগনামা মৌলভী পাড়ায় মাওলনা জাফর আহমদ মজিদি এর কবর জিয়ারত করেন। পরে মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা স্টেশনে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। নিজ জন্মভূমি পেকুয়ায় দ্বিতীয় দিন মগনামায় নির্বাচনী জনসংযোগ করেন।
এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ জনসংযোগ করেন। পথসভা শেষে সিকদার পাড়ায় সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রয়াত মাহামুদুল করিম এর কবর জিয়ারত করেন।
এরপর বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করে মুহুরীপাড়া, কাজী মার্কেট স্টেশন, কালার পাড়া স্টেশনে পথসভা করেন। পরে তিনি রঙিখালের পূর্বকূল এবাদুল্লাহ পাড়া আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে সাক্ষাত করেন। এসময় তিনি ৮টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পরে ধাপে ধাপে সকল পরিবারকে এই সুবিধায় আওতায় আনা হবে।
এছাড়া পুর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী উজানটিয়ার বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করেন এবং কবির আহমদ স্টেশন, করিমদাদ মিয়ার জেটিঘাট স্টেশন, গুদারপাড় স্টেশন, সোনালী বাজার স্টেশনে এবং পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে পথ সভায়
যোগ দেন। মগনামা ও উজানটিয়া দুই ইউনিয়নে মোট সাতটি পথ সভায় তিনি অংশ নেন। সর্বশেষ সন্ধ্যায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে পথসভা করেন তিনি।
পথ সভা ও জনসংযোগে জনগনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। প্রিয় নেতাকে দেখতে ও স্বাগত জানাতে সড়কের পাশে অসংখ্য নারী পুরুষ অবস্থান করেন। অনেকে তাদের প্রিয় নেতাকে দেখে আবেগ আপ্লুত হন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী ও সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট হাসিনা আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন, কক্সবাজার জেলা আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু,

জেলা ওলামাদলের সভাপতি মাও. আলী হাসান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাফায়াত আজিজ রাজু, মগনামা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফায়সাল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জাকের হোসাইন, উজানটিয়া বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক জাফর আলম, পেকুয়া সদর পশ্চিম জোন বিএনপির সভাপতি শাহনেওয়াজ আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোনাফ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট, যুগ্ম আহবায়ক নুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ ইয়াসিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আহসান উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সোহেল আজিম, আহবায়ক ফরহাদ হোছাইন, তাঁতীদলের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন,সদস্য সচিব ইমরুল হাসান ইমু, ছাত্রদলের আহবায়ক নাঈমুর রহমান হৃদয় সদস্য সচিব আবুল কাসেম নুরী সহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদ পতন পরবর্তী নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক যাত্রার ঐতিহাসিক মাইলফলক

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।