| ২৩ জুন ২০২৬

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: null; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 2;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 40;

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত গত ১বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুচ চৌধুরী হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় সহকারী কমিশনার ভূমি নুর পেয়ারা বেগমকে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর তিনি গ্রাম আদালতের কোন কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করেননি। নিয়মিত প্যানেল বোর্ডও আওয়ামীলীগ সমর্থিত হওয়ায় গ্রাম আদালত অকার্যকর রয়েছে। ১৫সেপ্টম্বর দুপুর ১২টার দিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতের এজলাসে পরিষদের প্রশাসক নুর পেয়ারা বেগম অভিবাসন নিয়ে কাজ করে ঋওখগঝ৪চঊঅঈঊ ঋঙটঘউঅঞওঙঘ এর কাছে নালিশকৃত একটি অভিবাসন বিরোধ নিস্পত্তির জন্য বসলে ইউপি সদস্যদের না জানানোকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্যদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইউপি সদস্যরা সরাসরি বিচার কার্যক্রমে উপস্থিত হয়ে তাদের কোন প্রকার না জানিয়ে হঠাৎ বিচার আয়োজন করায় আক্রোশ প্রকাশ করলে এসিল্যান্ড তড়িগড়ি করে বিচার কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করে চলে আসেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যরা ফিল্মসফোরপিচ ফাউন্ডেশনের চকরিয়া পেকুয়া কো অর্ডিনেটর রাহাত ও শিলখালী ইউনিয়ন জিএমসির সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা কমর উদ্দিনকে ঘিরে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। তাদের অভিযোগ এসিল্যান্ড নুর পেয়ারা বেগমকে ১বছর ধরে প্রশাসক নিয়োগ করলেও তিনি একটি বিচারও করেননি। এখন চকরিয়ার একটি বিচার কাউকে না জানিয়ে এমনকি বিবাদী ৯নং ওয়ার্ড়ের বাসিন্দা হলেও স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেমকে পর্যন্ত অবগত না করে পরিষদের এজলাসে বিচারের আয়োজন করেন।
জানাযায়, চকরিয়ার সাহারবিলের দেলোয়ার হোসেন কর্তৃক পেকুয়া উপজেলার মগনামা ৯নং ওয়ার্ড়ের আবু তালেবের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন। এ বিরোধটি নিস্পত্তির জন্য উপজেলা জিএমসি সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মইনুল হোসেনে চৌধুরীর কাছে উপস্থাপন করলে ইউএনও মগনামা ইউনিয়নের প্রশাসক নুর পেয়ারা বেগমকে দায়িত্ব প্রদান করেন।
দায়িত্ব প্রাপ্ত এনজিও প্রতিনিধি রাহাত বলেন, অভিযোগটি পাওয়ার পর পূর্ব থেকে যথাযথ যোগাযোগ করে সালিশের আয়োজন করতে মগনামা ই্উনিয়ন পরিষদের প্রাশাসক ও সচিবকে বলা হয়েছে তাদের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী বাদী বিবাদীকে নিয়ে সালিশে বসা হয়েছে। কাউকে না ডেকে থাকলে সেটি পরিষদের ব্যাপার। এব্যাপারে মগনামা ইউপি সচিব আবদুররাজ্জাকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসক মহোদয় পূর্ব থেকে তাকে অবগত করেননি। এনজিও প্রতিনিধি ফোন করেছিলেন একটি অনুষ্ঠানের কথা বলে বিচারের কথা তাকে কেউ বলেননি।
মগনামা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান-১ বদিউল আলম বলেন, ১বছরধরে পরিষদে কোন প্রকার গ্রাম আদালত বসছেনা। মেম্বাররা যতটুকু পারছেন স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় বিচার সালিশ করতেছেন। গ্রাম আদালত বসিয়ে বিচার করা সম্ভব হয়নি সেক্ষেত্রে হঠাৎ করে ভিন্ন উপজেলার একটি বিষয় নিয়ে বিচারের আয়োজন করায় সবার মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ৯নং ওয়ার্ড় সদস্য আবুল কাশেম বলেন, হাজার হাজার মানুষ বিচার বঞ্চিত থাকলেও প্রশাসক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি এখন হঠাৎ বিচার করায় লোকজনের কাছে মেম্বাররা প্রশ্ন বিদ্দ হয়ে পড়েছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার ভূমি নুর পেয়ারা বেগম সুস্পষ্ট প্রমান না থাকায় উক্ত সালিশ কমিটির সমন্বয়ক রাহাতকে বাদীকে উচ্চ আদালতের শরনাপন্ন হতে পরামর্শ দিতে নির্দেশ দেন। এব্যাপারে এসিল্যান্ড নুর পেয়ারা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন প্রকার মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।