| ২৩ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তানকে ১৮রানে হারিয়ে ফাইনালের পথে আফগানিস্তান

পাকিস্তানকে ১৮রানে হারিয়ে ফাইনালের পথে আফগানিস্তান

 

 

আফগানিস্তানের দেয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫১ রানে থেমেছে পাকিস্তান । ১৮ রানের এই জয়ে তিন ম্যাচে দ্বিতীয় জয় পেয়ে আফগানিস্তানের পয়েন্ট হলো ৪। সমান পয়েন্ট আছে পাকিস্তানেরও, তবে দুই ম্যাচে কোনো জয় না পাওয়া স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত তলানিতে।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। তবে সেই ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় উইকেটে শতরানের জুটি গড়েন সেদিকউল্লাহ ও ইব্রাহিম। ধীরগতিতে শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে পঞ্চাশ আর ৭০ বলে তিন অঙ্কে পৌঁছায় তাদের জুটি। শেষ পর্যন্ত ৪৫ বলে তিন ছক্কা ও তিন চারে ৬৪ রান করেন সেদিকউল্লাহ। সমান বল খেলে আট চার ও এক ছক্কায় ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন ইব্রাহিম।

তবে ডেথ ওভারে বল হাতে আলো ছড়ান ফাহিম আশরাফ। থিতু এই দুই ব্যাটারসহ মোট চারটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৮০ রানের সম্ভাবনা জাগিয়েও আফগানিস্তান থেমে যায় ১৬৯ রানে।

রান তাড়ায় পাকিস্তান শুরু থেকেই ধাক্কা খায়। দ্বিতীয় ওভারেই ফারুকির বলে সাইম আইয়ুব গোল্ডেন ডাক হয়ে ফেরেন। ফাখার জামান ও সাহিবজাদা ফারহানও ইনিংস বড় করতে পারেননি। রান আউট হয়ে ফেরেন অধিনায়ক সালমান আলি আগা। ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা।

পরে আশা জাগিয়েছিলেন ফাহিম আশরাফ, তবে নুর আহমাদ তাকে ফেরান। মাঝখানে রশিদ খান পরপর দুই বলে তুলে নেন মোহাম্মদ নওয়াজ ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবি নেন দুটি উইকেট।

শেষ দিকে দশম উইকেটে হারিস রউফের ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে পাকিস্তান। মাত্র ১৬ বলে চারটি ছক্কায় ৩৪ রান করেন তিনি। সেই জুটিতে ৪০ রান এলেও ব্যবধান ঘোচাতে যথেষ্ট হয়নি। শেষ পর্যন্ত ১৫১ রানে থামে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাকিস্তান।

ঈদ উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কক্সবাজার-পেকুয়া সফরসূচি

পাকিস্তানকে ১৮রানে হারিয়ে ফাইনালের পথে আফগানিস্তান

নিজস্ব প্রতিবেদক
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার ও পেকুয়া সফরসূচি প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তিনি আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশান বাসভবন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তিনি। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে বিমানযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে রাত ৭টা ৪০ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সেখানে পৌঁছে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউজে অবস্থান করবেন এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। একই দিন রাতে তিনি পেকুয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন।
পরদিন ২১ মার্চ শনিবার সকাল ৯টায় পেকুয়া ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নামাজ শেষে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। পরে তিনি পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
২২ মার্চ রবিবার দুপুরে পেকুয়ায় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংযোগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তার। বিকেলে তিনি কক্সবাজার হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং সন্ধ্যায় রাজধানীতে পৌঁছাবেন।
সফরকালীন সময়ে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার সঙ্গে থাকবেন বলে জানা গেছে

পেকুয়া শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় এ্যালামনাই এসোসিয়েশন (শিউবি) র ইফতার মাহফিল ও মেজবান অনুষ্ঠিত

পাকিস্তানকে ১৮রানে হারিয়ে ফাইনালের পথে আফগানিস্তান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পেকুয়ার অন্যতম বিদ্যাপিঠ শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় এ্যালামনাই এসোসিয়েশন (শিউবি)র ইফতার মাহফিলও মেজবান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এই উপলক্ষে এক স্মৃতিচারণমুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় ১৯৭৬ ব্যাচের ছাত্র মোহাম্মদ দলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ১৯৯৩ ব্যাচের ছাত্র মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং ২০০১ ব্যাচের ছাত্র সবুজের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন , স্কুলটির অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমদ।
এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক।

এতে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে আরো বক্তব্য রাখেন, স্কুলটির প্রাক্তন কৃতি ছাত্র যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এর সাবেক জিএম ইন্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, নায়েম ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড.মোস্তফা কামাল, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মুরাদ, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আজম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়াটার মো: ইয়াছিন আরাফাত, বান্দরবানের জেলা ও দায়রা জর্জ জসিম উদ্দিন, নাহার এগ্রো গ্রুপের সিনিয়র ডিজিএম আলাউদ্দিন চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

এতে প্রাক্তন সিনিয়র ছাত্রদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন, বনানী গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী, সাবেক অধ্যক্ষ এইচ.এম ফজলুল কাদের, শিলখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইন, স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য মো: মোরশেদ, আয়োজক কমিটির আহবায়ক কমর উদ্দিন, হাফেজ ছলিমুল্লাহসহ আরো অনেকে।
আলোচনা শেষে উপস্থিত সবাই চাটগাঁইয়া মেজবানে অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাচীন বিদ্যাপীঠ শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় অনেক কৃতি ছাত্রছাত্রী তৈরি করেছেন যারা আজ দেশে সফলতার সাথে শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা আরো বলেন, শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় সব সময় অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা। এই বিদ্যালয়টি এগিয়ে যাচ্ছে এবং শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে এই অঞ্চলব্যাপী। স্মৃতিচারণে স্কুলটির প্রাক্তন ছাত্ররা তারা নিজেদের স্কুল জীবনের নানান স্মৃতি তুলে ধরেন।

এদিকে প্রবীণদের উপস্থিতিতে শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়। নবীন আর প্রবীণদের মেল বন্ধনে সৌহার্দ্যপূর্ণ এক পরিবেশের সৃষ্টি হয় স্কুল আঙ্গিনায়। আয়োজকেরাও ভবিষ্যতে এইরকম আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

জনদূর্ভোগ চরমে

পেকুয়ায় ঝরাজীর্ণ ব্রিজের মরণফাঁদেই জনচলাচল

পাকিস্তানকে ১৮রানে হারিয়ে ফাইনালের পথে আফগানিস্তান

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার গোঁয়াখালী খালের উপর নির্মিত চলত মার্কেট সংলগ্ন এলজিইডি ব্রিজে দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্ট গর্তটি মরণফাঁদে পরিনত হলেও চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ৫সহস্রাধিক মানুষ। দীর্ঘ ২৫ বছর আাগে এলজিইডির নির্মিত ব্রিজের রেলিং পটাতন ভেঙে ঝরাজীর্ন হয়েপড়েছে। পটাতনের মাঝখানে ভাঙতে ভাঙতে গর্তে পরিণত হওয়ায় প্রতিদিন ছোট বড় দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যান ও পদযাত্রী।
স্থানীয় লোকজন বলেন, ১ বছর ধরে বড় ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: নুরুল আজিম জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে উক্ত ব্রিজের বিষয়ে লিখতভাবে জানানো হলেও সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে এলাকার ৪-৫ টি মহল্লার ৫ হাজার লোকজন চলাচলে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন।

চলত মার্কেটের ব্যবসায়ী মো: ইউনুছ জানান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা চলাচলে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিনিয়িত।
ব্যবসায়ী রাহেদুল হায়দার চৌধুরী জানান, ব্রিজের পাশে তার মৎস্য প্রজেক্ট ও খামার রয়েছে। ওখানে যযাতায়তে ওই ব্রিজের গর্তটি চোখে পড়লে স্থানীয় কিছু লোকজনের পরামর্শ করে ওই গর্ত হওয়া ব্রিজটি মেরামতের উদ্যোগে নিলেও অপর স্থানীয়রা টেকসই ও স্থায়ী ব্রিজের দাবিতে তার নিজস্ব উদ্যোগে মেরামতে বাধার সৃষ্টি করে। তিনি এলাকার জনসাধরণের দুর্ভোগ নিরসনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
স্থানীয় সংবাদকর্মী এফ এম সুমন বলেন, এই ব্রিজের ঝুকিপূর্ণ গর্তের কারণে গাড়ি নিয়ে যাতায়ত করা যায়না। রাতের আধারে পথচারীরা নিয়মিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

পেকুয়া উাপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, বিষয়টি স্থানীয় ও জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে জেনেছি। সরকারী অর্থায়ন সাপেক্ষে টেকসই ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।