| ২৭ জুন ২০২৬

মহেশখালীতে মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলায় অর্থদন্ড

মহেশখালীতে মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলায় অর্থদন্ড

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী নতুন বাজার এবং ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের আদিনাথ সড়কে ৫টি মামলায় অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ৩১ই জানুয়ারী দুপুরে মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু জাফর মজুমদারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও আনসার বাহিনীর সহযোগিতায় নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনার্থে নিয়মিত টহল কার্যক্রম, সড়কে চলাচল কারী মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিকশা ও ট্রাক গাড়ির লাইসেন্স, ফিটনেস সনদ যাচাই এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৫টি মামলায় ২০১৮ এর ধারায় ৩৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ৪টি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদেরকে অর্থদণ্ড প্রদান করেন এবং সড়কে হেলমেট ব্যবহার করার জন্য মোটরসাইকেল চালকদের সতর্ক করেন।এছাড়াও অপ্রাপ্তবয়স্করা অটোরিকশা যাতে না চালায় সে বিষয়েও সতর্ক করে দেন।
মহেশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু জাফর মজুমদার জানান, গাড়ির লাইসেন্স, ফিটনেস সনদ, মোটর সাইকেল চালকদের হেলমেট ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক লোকেরা গাড়ী চালানোর কারনে সড়কে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

তিনি আরো জানান, যারা সরকারী নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে নিয়মনীতি লঙ্ঘন করবে তাদের বিরোদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পেকুয়ায় পুত্রবধুর পরকিয়া প্রেমিকের হাতে পিতা খুন!

মহেশখালীতে মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলায় অর্থদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পরকিয়া প্রেমিকের হাতে বয়োবৃদ্ধ পিতা নিহত হয়েছে।
২৬ জুন রাত সাড়ে০৯ টার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের অন্তর্গত “হারুন মাতবরপাড়ার মৃত আব্দু ছত্তরের ছেলে
আবু তাহের(৬৫), ও তার পরিবারের সাথে প্রতিবেশি নুর হোছনের
মোঃ সিফাত(২৬), সহ পরিবারের লোকজনের মারামারির ঘটনা ঘটে। উক্ত মারামারির ঘটনায় মোঃ সিফাত তার হাতে থাকা ধারালো কিরিছ দিয়ে বয়োবৃদ্ধ আবু তাহের(৬৫) এর বাম হাতের কবজির উপরে কুপ মেরে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। আত্মীয় স্বজন আবু তাহেরকে চিকিৎসার জন্য পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা নিরিক্ষা করে ভিকটিম আবু তাহেরকে মৃত ঘোষণা করেন। সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ভিকটিম(মৃত) আবু তাহেরের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর মডেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এদিকে স্থানীয় লোকজন বলেন, নিহত আবু তাহেরের পুত্রবধুর সাথে নুর হোছনের ছেলে সিফাতের পরকিয়ার জের ধরেই সংঘর্ষের ঘটনায় সিফাতের ধারালো কিরিচের কোপেই বৃদ্ধ নিহত হন।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন
উক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

পেকুয়ায় মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির চেষ্টা, অস্ত্র-গুলিসহ আটক ২

মহেশখালীতে মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলায় অর্থদন্ড


‎নিজস্ব প্রতিবেদক:

ডাকাত মোকতার

‎কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের করিয়ারদিয়া এলাকায় একটি মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয় লোকজন অস্ত্র, গোলাবারুদ ও একটি ইঞ্জিনচালিত বোটসহ দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
‎শুক্রবার (২৬ জুন) ভোর ৪টার দিকে উজানটিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিছাখালী বাহিরের ঘোনা এলাকায় স্থানীয় জনতার হাতে
‎আটকরা হলেন, মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিল এলাকার মৃত উলা মিয়ার ছেলে নেজাম উদ্দিন (৩৭) এবং চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫)।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহেশখালীর মাতারবাড়ী এলাকার কথিত ‘মোক্তার বাহিনীর’ প্রধান মোক্তারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি করিয়ারদিয়া এলাকার একটি মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান নেয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুলে দুইজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাহিনীর প্রধান মোক্তারসহ অন্যরা পালিয়ে গেলেও জনতার হাতে আটক দুই সহযোগীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

‎পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় এলজি, দুটি তাজা শটগানের কার্তুজ, ১৫টি খালি শটগানের কার্তুজ এবং একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করা হয়েছে।

‎পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “করিয়ারদিয়া এলাকার একটি মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে স্থানীয় জনতার হাতে দুইজনকে আটক করা হয় । তাদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় এলজি, গোলাবারুদ এবং একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ও সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কথিত মোক্তার বাহিনীর প্রধান মোক্তারের বিরুদ্ধে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

কোনাখালীতে মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

মহেশখালীতে মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলায় অর্থদন্ড

 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের মাতামুহুরি উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মাদক, গাঁজা, ইয়াবা, অনলাইন জুয়া, পতিতাবৃত্তি ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার দিকে উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় যুব সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তারে যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে। এতে পরিবার, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়ছে। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি সচেতন জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবুল কালাম, স্থানীয় আমির হোছাইন, মোজাদ্দিস, জামাল হোছাইন, আতা উদ্দিন ও হাকিম আলী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো সমাজ ও পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে স্থানীয় জনগণকে আরও সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার প্রদর্শন করেন। ব্যানারে লেখা ছিল, মাদক নয়, জীবন চাই, সুস্থ সুন্দর আগামী চাই। এছাড়া মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপ নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে রক্ষার জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন শেষে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি সমাজ থেকে মাদক ও অপরাধ দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।