| ২১ জুন ২০২৬

পদ প্রত্যাশীদের প্রচারণা শোডাউন চলছে .পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল

পদ প্রত্যাশীদের প্রচারণা শোডাউন চলছে  .পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল

কাল দীর্ঘ ৫ বছর পর কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলার সম্মেলন ও কাউন্সিল হওয়ায় সবার নজরও এখানে। চকরিয়া সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল।
এই সম্মেলন ঘিরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি, বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সাংগঠনিক তৎপরতা। নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে নির্যাতন, জেল-জুলুমে পিষ্ট নেতাকর্মীরা এখন সম্মেলন সফল করতে গত দশ দিন ধরে নিরলসভাবে মাঠে কাজ করছেন। ইতোমধ্যে মাঠ পরিষ্কার সহ ভরাট, প্যান্ডেল নির্মাণ ও মঞ্চ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় পনের হাজার মানুষের রেইন কভার প্যান্ডল নিশ্চিত সহ ৬০ হাজার মানুষের জন্য সামিয়ানা টাঙানো হয়েছে।
বড় বাধা হয়ে দাড়াতে পারে বৃষ্টি। গত রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি থেমে থেমে চলছে এখনো।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন এবং আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রস্তুতি নিয়ে বার্তা দেবেন বলে জানা গেছে। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট হাসিনা আহমেদ, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক এবং সঞ্চালনায় থাকবেন সদস্য সচিব এম. মোবারক আলী।
সম্মেলন সফল করতে উপজেলার প্রতিটি ইউনিটে কর্মীসভা, মতবিনিময় ও প্রচার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পুরো উপজেলায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সম্মেলনস্থল নতুন সাজে সেজেছে, কক্সবাজার মহাসড়কসহ উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কজুড়ে নেতাকর্মীদের ছবি সংবলিত তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সভাপতি ও সম্পাদক পদে পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। সভাপতি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় থাকা নেতারা সমর্থকদের নিয়ে বহর সহ শোডাউন চালিয়ে যাচ্ছেন কয়েক দিন ধরে।
তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা চাইছেন সৎ, মেধাবী, পরিচ্ছন্ন ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিকেল ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হবে। জাতীয় ও দলীয় সংগীত পরিবেশন, উদ্বোধন ও অতিথিদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রথম অধিবেশন শেষ হবে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে কাউন্সিল অধিবেশন।
২০২০ সালের ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল সর্বশেষ চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সম্মেলন। সে সময় সভাপতি ছিলেন আনছারুল ইসলাম বাবুল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফখরুদ্দিন ফরায়েজী। মেয়াদ শেষ হলে কমিটি বিলুপ্ত হয় এবং আহ্বায়ক করা হয় শাহজাহান চৌধুরীকে। পরবর্তীতে তার মৃত্যুতে এনামুল হক আহ্বায়ক ও অধ্যাপক ফখরউদ্দিন ফরায়েজীকে সদস্য সচিব করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। চলতি বছরের ২৪ জুলাই ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট আগের কমিটি বিলুপ্ত করে এনামুল হককে পুনরায় আহ্বায়ক ও মোবারক আলীকে সদস্য সচিব করে দুই সদস্যের একটি নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
দীর্ঘদিন পর মুক্ত পরিবেশে সম্মেলন আয়োজিত হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। সম্মেলনে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটি। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রতিনিয়ত সভা-সমাবেশ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো হচ্ছে। স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সম্মেলন উপহার দিতে গঠন করা হয়েছে শক্তিশালী বাস্তবায়ন কমিটি। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে সাবেক ছাত্র ও যুবনেতা জাহাঙ্গীর আলম ভুট্টোকে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আছেন লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মানিক, আলী আহমদ মেম্বার, আলহাজ্ব কুতুব উদ্দিন এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এ এম ওমর আলী। এছাড়া আরও সাতটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে যারা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।
নতুন নেতৃত্ব নিয়ে দলের ভেতরে যেমন কৌতূহল আছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও রয়েছে আগ্রহ। নবীন নেতৃত্ব আসবে নাকি প্রবীণরাই নেতৃত্বে থাকবেন, সে প্রশ্নে আলোচনা চলছে সর্বত্র। তবে দলীয় সূত্র বলছে, এবারের কমিটিতে চমক থাকতে পারে। যারা বিগত আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন এবং কোনো আপস করেননি, তারাই স্থান পেতে পারেন নতুন কমিটিতে। সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগ বিবেচনায় নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠিত হতে পারে।
চকরিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে মাঠ পরিষ্কার, প্যান্ডেল নির্মাণ ও মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষ। লক্ষাধিক মানুষের সমাগমের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন কমিটি ও উপকমিটির সদস্যরা সবাই দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন।
সদস্য সচিব এম মোবারক আলী জানান, ২৩ আগস্টের সম্মেলন ঘিরে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এটি চকরিয়া উপজেলা বিএনপির ইতিহাসে স্মরণীয় সম্মেলনে পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর ভুট্টো বলেন, সম্মেলন সফল করতে প্রতিটি ইউনিটে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। মতবিনিময় সভা ও প্রচারণা চালিয়ে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর মুক্ত পরিবেশে এমন একটি সম্মেলন হতে যাচ্ছে, যা নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উজ্জীবন ও আশাবাদের সঞ্চার করেছে। আশা করছি, একটি সফল ও ঐতিহাসিক সম্মেলন উপহার দিতে পারব।
সভাপতি হিসেবে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে তারা হলেন সাবেক চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ সভাপতি বর্তমান আহবায়ক এনামুল হক, ও মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ফখরুদ্দীন ফরায়জী। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় আছেন সাবেক ছাত্র নেতা বর্তমান সদস্য সচিব এম. মোবারক আলী, সাবেক উপজেলা যুবদলের সভাপতি সাংবাদিক এম. ওমর আলী, সাইফুল ইসলাম সাবু।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পদ প্রত্যাশীদের প্রচারণা শোডাউন চলছে  .পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

পদ প্রত্যাশীদের প্রচারণা শোডাউন চলছে  .পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

পদ প্রত্যাশীদের প্রচারণা শোডাউন চলছে  .পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল পাঁচ বছর পর কাল চকরিয়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।