| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়ার বারবাকিয়ায় ভোরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৪

পেকুয়ার বারবাকিয়ায় ভোরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়ায় ভোররাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাবুল বাহিনীর হামলায় ৪জন গুরুতর আহত হয়েছে। ১ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে ৫ টায় উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জালিয়াকাটায় এলাকায় এঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয় মুসল্লীরা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে আশংকাজনক অবস্থায় দুজনকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষর্শীরা জানায়, মৌলভী রুহুল কাদের ও আক্কাস উদ্দিন ফজরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাওয়ার পথে বাড়ীর সামনে সড়কের পাশে ধানক্ষেতের ঘেরা না দেখে চিৎকার দিলে একই এলাকার মৃত অছিউর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের নেতৃত্বে সৈয়দুর রহমান, বাহাদুর, কাইছার,রুবেল, মইদু সহ অপরিচিত অস্ত্রধারী সশস্ত্র লোক হামলা শুরু করে। এসময় রিদুয়ান ও আব্বাস বাড়ী থেকে দৌড়ে রাস্তায় আসলে হামলাকারীরা তাদরকেও দা কিরিচ লাঠি দিয়ে হাললা করে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় লোকজন ও মসজিদ থেকে মুসল্লিরা এগিয়ে এলেও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ভয়ে কেউ উদ্ধার করতে পারেনি। একপর্যায়ে হামলাকারীদের কোপে রুহুল কাদেরের হাতের দুটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, কান কেটে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও বিচ্ছিন্ন আঙ্গুল নিয়ে উল্লাস করে। স্থানীয় লোকজনের সংখ্যা বাড়তে থাকলে সন্ত্রাসীরা সরে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী দিদারুল ইসলাম বলেন, ১০/১৫ জন লোক নিরস্ত্র কয়েকজন লোককে এভাবে অস্ত্র সস্ত্র সজ্জিত হয়ে নির্দয়ভাবে আঘাত করতে তিনি কোন দিন দেখেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় লোকজন বলেন হামলাকারীদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি ঘটনাস্থলের আশেপাশের লোকজন তাদের ভয় করে।
এরা চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এদের ভয়ে কেউ মুখ খোলে না।
এঘটনায় পেকুয়া থানায় দায়ের করা এজাহারের বাদী আব্বাসউদ্দীন বলেন, ভোররাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাদের রোপিত পাকাধান কাটতে ঘেরা নিয়ে গেছে সেটা জানতামনা। আমার ভাইয়রা ঘেরা কোথায় গেল চিৎকার দিলে ধানক্ষেত থেকে ওঠে এসে এলোপাতাড়ি হামলা শুরু করে। তিনি হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবী করেন।

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

পেকুয়ার বারবাকিয়ায় ভোরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৪

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। ১৭ই এপ্রিল পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, উৎপাদন সক্ষমতা এবং চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমান, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার ওসি তদন্ত প্রতুল কুমার সুশীল সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ি প্রকল্প দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পেকুয়ার বারবাকিয়ায় ভোরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৪

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

পেকুয়ার বারবাকিয়ায় ভোরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।