| ২৪ জুন ২০২৬

চকরিয়ায় সালাহউদ্দিনের জন সভা জনসমুদ্রে পরিণত

বন্দর কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক হাব উপযোগী নগরায়ন করা হবে

বন্দর কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক হাব উপযোগী নগরায়ন করা হবে

 মাতামুহুরি ব্রীজ থেকে আলীকদম সড়কের মাথা পর্যন্ত মহাসড়ক লোকেলোরণ্য.

এলইডি পর্দার সামনে যেন আরেক সমাবেশ 

বিশেষ প্রতিবেদন 

কক্সবাজারের চকরিয়া পেকুয়া সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে তার নির্বাচনী শেষ জনসভায় বলেন, মহেশখালী বন্দর কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক হাব মহেশখালী চকরিয়া পেকুয়া অঞ্চলেই গড়ে তোলা হবে এবং সে অর্থনৈতিক হাব উপযোগী এ অঞ্চলে নগরায়ন করা হবে। বন্দর টু বন্দর, মহেশখালী চকরিয়া, মহেশখালী ফাঁসিয়া খালী হয়ে চকরিয়া শহরের পূর্ব দিক হয়ে উত্তরে মহাসড়ক বিস্তৃত করা হবে।
চকরিয়া শহরে দ্বিমুখী ফ্লাই ওভার নির্মাণ করা হবে,

filter: 0; fileterIntensity:

উন্নয়নের দীর্ঘদিন পূর্বে পরিকল্পনা প্রণীত করা আছে বিগত ১৭ বছর সুযোগ না থাকায় বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা, শিল্প কৃষি চিকিৎসা সুবিধা সুশাসন নিশ্চিত করা
সহ ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে বিএনপি প্রতিশ্রুতি বদ্ধ বলে তাই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ১২ ফেব্রুয়ারী ভোট দিতে আহবান জানান।
এদিকে সালাহউদ্দিন আহমদের জনসভাস্থল পৌর বাসটার্মিনাল পেরিয়ে জনসমুদ্রের রূপনেয়। চকরিয়া মাতামুহুরি ব্রীজ থেকে ফাঁসিয়াখালী আলীকদম সড়ক পর্যন্ত বিস্তার লাভ করলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। দূরান্তের লোকজন আসার আগেই টার্মিনাল এরিয়া কানায় কানায় লোক ভর্তি হয়েগেলে গাড়ীর ওপর পার্শ্ববর্তী দালানের ছাদে মানুষ আশ্রয় নিয়ে প্রিয় নেতার বক্তব্য শুনতে দেখা যায়। দূরের মানুষ বিকাল ৪ টার পর সমাবেশ প্রবেশ করতে পারেনি বলে সমাবেশে আসা লোকজন চকরিয়া নিউমার্কেট মাতামুহুরি ব্রীজ ও আলীকদম সড়কের মাথা পর্যন্ত মহাসড়কেই অবস্থান নিতে হয়।
সমাবেশের মূল ফটকের উত্তর পাশে ও দক্ষিণ পাশে ডিজিটাল পর্দার সামনে যেন পৃথক সমাবেশ। এদুটিতে মানুষের ধারণ ক্ষমতা নাহওয়ায় বিলেই বাধ্য হয়ে পর্দা বসাতে হয়েছে বলে নেতারা জানিয়েছেন।
এসময় সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী এডভোকেট হাসিনা আহমদ, তাদের পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামিম আরা স্বপ্না, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, মাতামুহুরি সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী জেলা ওলামা দলের আহবায়ক আলী হাছান চৌধুরীসহ বিএনপি সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

৬ মাস যাবত ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই নারী!

পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়দানকারী নারী আটক

বন্দর কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক হাব উপযোগী নগরায়ন করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই নারীকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশ। আটককৃত নারীর নাম হাছিনা আক্তার। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আবুল হাসেম ও বুলু আরার মেয়ে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাছিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে মগনামা এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। এ পরিচয় ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব খাটিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী ও পরিষদের সকল সদস্য সচিবকে ডিজিএফআইয়ের সদস্য পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করে আসছিল। দুজন ইউপি সদস্যকে ৫ মিনিটের ভিতর তার বাসায় গিয়ে দেখা করা চাল বিতরণের সময় বিভিন্ন অযুহাত দাড় করিয়ে চাল হাতিয়ে নেয়া বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যক্তিগত দূর্বলতা খুঁজে হয়রানি করা অভিযোগ রয়েছে ওই নারীর বিরুদ্ধে।
ওই নারী চন্দনাইশ থেকে পেকুয়ার মগনামা লঞ্চ ঘাটের পাশে রিদুয়ান নামক এক ব্যক্তির ভাড়া বাসায় ৬ মাস পূর্ব থেকে দুটি বাচ্চা সহ বসবাস করে আসছেন। তার স্বামী সেনা কর্মকর্তা দুবাই মিশনে আছেন তিনি এখানে ডিজিএফআইয়ের দায়িত্বে আছেন এমন পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, ওই নারীর চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের একপর্যায়ে ওই নারী ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন বলে নিশ্চিত হন তিনি। পরে মঙ্গলবার রাতে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অধিকাংশ ইউপি সদস্যদের এই নারী কোনো এক দূরভী মিশন বাস্তবায়নের হীন প্রচেষ্টারত ছিলেন কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। তাকে দিয়ে এখানে কোন দূষ্ঠ চক্র খেলছে কিনা তাও তদন্ত করার প্রয়োজন আছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়দানকারী এক নারীকে মগনামা থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

বন্দর কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক হাব উপযোগী নগরায়ন করা হবে

মনিরুল আমিন.চকরিয়া

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের পোকখালী রেড ক্রিসেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ২ টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের তালা ভেঙে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে মূল্যবান শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়।

প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন জানান,চোরেরা শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ল্যাপটপ,প্রজেক্টর, সিসিটিভি ক্যামেরা,ইন্টারনেট রাউটার,ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার সরঞ্জামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে। আজ সকালে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে তিনি দেখতে পান চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষক বলেন,এ বিষয়ে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান,একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের চুরির ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এতে শুধু সরকারি সম্পদের ক্ষতি হয়নি,বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বন্দর কেন্দ্রীক অর্থনৈতিক হাব উপযোগী নগরায়ন করা হবে

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।