| ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ঈদগাঁওয়ে আ’লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরী সেনাবাহিনীর হাতে আটক

ঈদগাঁওয়ে আ’লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরী সেনাবাহিনীর হাতে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারে ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।

২৯ জানুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) সকাল ৬টার দিকে তাকে উপজেলার জাগিরপাড়াস্থ নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সকাল ৬টার দিকে আটকের পর সেনাবাহিনীর ইসলামাবাদ ক্যাম্প ইনচার্জ মেজর ইনতিসার সালিমের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সোহেল জাহান চৌধুরীকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করেন।

তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, জুলাই বিপ্লবের মামলাসহ চাঞ্চল্যকর মামলা থাকলেও সরকার পতন পরবর্তী তিনি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

বিগত বছরের শুরুর দিকে অনুপস্থিতির অজুহাতে তখনকার ইউএনও তাকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করেন।

সম্প্রতি সোহেল জাহান চৌধুরী তার ঘরে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কক্সবাজার তিন আসনের বিএনপি প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের ধানের শীষের জন্য ভোট চান। যা ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় তুলে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র জনতার মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করে।

সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রকাশ্যে ঈদগাঁও পাল পাড়সহ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের জন্য ভোট ক্যাম্পেইন শুরু করেন এবং পরদিন সকালে আটক হন।

ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সেনাবাহিনী তাকে আটক করে সদর থানায় হস্তান্তর করেছে।

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

ঈদগাঁওয়ে আ’লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরী সেনাবাহিনীর হাতে আটক

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। ১৭ই এপ্রিল পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, উৎপাদন সক্ষমতা এবং চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমান, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার ওসি তদন্ত প্রতুল কুমার সুশীল সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাতারবাড়ি প্রকল্প দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ঈদগাঁওয়ে আ’লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরী সেনাবাহিনীর হাতে আটক

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

ঈদগাঁওয়ে আ’লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরী সেনাবাহিনীর হাতে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।