| ২০ মার্চ ২০২৬

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

কক্সবাজার তথা পেকুয়ার শ্রেষ্ঠ সন্তান আপনার টেকসই উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বহুমুখী ভুমিকা ও কর্মপরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে আমি আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনার সুমহান দৃষ্টি ভঙ্গি ও সানুগ্রহ কামনা করছি। ইনশাআল্লাহ বিজয় হবেন এবং আমাদের এই এক গুচ্ছ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন সেই ফরিয়াদ মহান আল্লাহ কাছে।

পেকুয়ার সার্বিক উন্নয়নে আপনার প্রধান করণীয়গুলো নিচে দেওয়া হলো: যা অবশ্যই আপনি করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আছেন। তারপরও বাকি সব এভাবে হতে পারে।

১. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ
রাস্তা ও সেতু নির্মাণ: গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এলজিইডি (LGED)-এর মাধ্যমে নতুন রাস্তা নির্মাণ এবং জরাজীর্ণ সেতু ও কালভার্ট সংস্কারের জন্য বরাদ্দ নিশ্চিত করা।

বেড়িবাঁধ সংস্কার: পেকুয়া একটি উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় জলচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বড় প্রকল্পের অনুমোদন করানো।

বিদ্যুতায়ন: উপজেলার প্রতিটি ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে গ্রিড সাব-স্টেশন ও লাইন সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখা।

২. কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প: স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা এবং বিসিক (BSIC) শিল্প নগরী স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া।

মৎস্য ও কৃষি উন্নয়ন: লবণ চাষী এবং মৎস্যজীবীদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ও সরকারি প্রণোদনা নিশ্চিত করা।

যুব উন্নয়ন: কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (TTC) মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারে চাকরির সুযোগ তৈরি করা।

৩. শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: নতুন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা স্থাপন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিওভুক্তি ও ভৌত অবকাঠামো (ভবন নির্মাণ) নিশ্চিত করা।

স্বাস্থ্যসেবা: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক যন্ত্রপাতি, অ্যাম্বুলেন্স এবং পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মাধ্যমে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা।

৪. সামাজিক সুরক্ষা ও সুশাসন
সামাজিক নিরাপত্তা: বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং টিআর/কাবিখা-এর মতো কর্মসূচিগুলো যেন প্রকৃত দুস্থরা পায়, তা তদারকি করা।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা: মাদক নির্মূল এবং স্থানীয় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করা। সফল উন্নয়নের জন্য আপনার কাছে অনুরোধ স্থানীয় জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা এবং উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

পেকুয়ার টেকসই উন্নয়নে আরও যেসব গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে পারেন:
৫। লবণ শিল্পের আধুনিকায়ন ও চাষীদের সুরক্ষাঃ পেকুয়াসহ কক্সবাজারের ৯৫% লবণ উৎপাদিত হয় এবং এ খাতে বিপুল মানুষ নিয়োজিত।

সংরক্ষণাগার নির্মাণ: চট্টগ্রামে ১ লাখ মেট্রিক টন লবণ সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে এবং পেকুয়ায় স্থানীয় স্টোরেজ সুবিধা বাড়াতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কাজ করা।

মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূল: সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে লবণ ক্রয়ের ব্যবস্থা করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখা।
প্রযুক্তিগত সহায়তা: বিসিক (BSCIC)-এর মাধ্যমে আধুনিক পলিথিন পদ্ধতি ও কারিগরি জ্ঞান প্রসারে তদারকি করা।

৬। পর্যটন ও ব্লু-ইকোনমি (নীল অর্থনীতি)
পেকুয়ার উপকূলীয় সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতি শক্তিশালী করা সম্ভব:
ইকো-ট্যুরিজম: উপকূলীয় বনাঞ্চল ও সৈকত এলাকায় পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা।

ব্লু-ইকোনমি প্রকল্প: সমুদ্র সম্পদ আহরণ, গভীর সমুদ্রে মৎস্য শিকার এবং সামুদ্রিক শৈবাল চাষের মতো প্রকল্পে সরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।

জেটি নির্মাণ: যোগাযোগ ও বাণিজ্যের সুবিধার্থে বিভিন্ন ঘাটে (যেমন আকবর বলী ঘাট বা ধুরুং ঘাট) আধুনিক জেটি নির্মাণ তদারকি করা।

৭. জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
উপকূলীয় এলাকা হিসেবে পেকুয়া ঘূর্ণিঝড় ও লোনা পানির ঝুঁকিতে থাকে।

বনায়ন কর্মসূচি: চরাঞ্চল ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ বা ম্যানগ্রোভ বনায়ন নিশ্চিত করা।

জলবদ্ধতা নিরসন: নদী ও খাল পুনঃখনন (Restoration of low flowing rivers) করে কৃষিজমির লোনা পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানো।

৮। বৃহৎ অবকাঠামো ও যাতায়াত

৯। লেন মহাসড়ক: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবিতে জোরালো ভূমিকা রাখা, যা পেকুয়াকে বাণিজ্যিক হাবে পরিণত করবে।

মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন: কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (CoxDA)-এর মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী পেকুয়াকে একটি পরিকল্পিত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বয় করা।

১০।সামাজিক ও অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি
যুব ও নারী উন্নয়ন: আইএলও (ILO) ও অন্যান্য সংস্থার সহায়তায় নারী ও যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

ডিজিটাল সেবা: উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে হাই-স্পিড ইন্টারনেট ও আইসিটি ল্যাব স্থাপন করে ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া।

এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণের মাধ্যমে আপনি একজন পেকুয়াকে ২০২৬ সাল ও পরবর্তী সময়ের জন্য একটি আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন সেই প্রত্যাশা সর্বসাধারণের।
পেকুয়ার উন্নয়নে আপনার প্রথাগত কাজের বাইরে আরও যে চমৎকার ও আধুনিক পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন, তা নিচে দেওয়া হলো:
স্মার্ট এগ্রিকালচার ও লবণ চাষের যান্ত্রিকীকরণ:
পেকুয়ায় চাষাবাদের একটি বড় অংশ জুড়ে আছে লবণ ও চিংড়ি। এমপি এখানে ‘স্মার্ট সল্ট ফার্মিং’ প্রবর্তন করতে পারেন, যেখানে আবহাওয়ার আগাম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে চাষীদের কাছে পৌঁছাবে। এছাড়া ড্রায়ার মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে বর্ষাকালেও লবণ উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণের সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব।

ব্লু-ট্যুরিজম ও রিভারক্রুজ কেন্দ্র:
পেকুয়ার বুক চিরে বয়ে যাওয়া মাতামুহুরী নদী এবং উপকূলীয় মোহনাকে কেন্দ্র করে ‘রিভারক্রুজ পর্যটন’ বা ওয়াটার স্পোর্টসের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এটি স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য আয়ের নতুন পথ খুলে দেবে।

লেখক
মুহাম্মদ ইউছুপ
প্রধান শিক্ষক / সদস্য সচিব
কর্ণফুলী এ জে চৌধুরী বহুমুখী (কৃষি) উচ্চ বিদ্যালয়।
কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম।

ঈদ উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কক্সবাজার-পেকুয়া সফরসূচি

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার ও পেকুয়া সফরসূচি প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তিনি আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশান বাসভবন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তিনি। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে বিমানযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে রাত ৭টা ৪০ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সেখানে পৌঁছে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউজে অবস্থান করবেন এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। একই দিন রাতে তিনি পেকুয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন।
পরদিন ২১ মার্চ শনিবার সকাল ৯টায় পেকুয়া ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নামাজ শেষে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। পরে তিনি পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
২২ মার্চ রবিবার দুপুরে পেকুয়ায় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংযোগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তার। বিকেলে তিনি কক্সবাজার হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং সন্ধ্যায় রাজধানীতে পৌঁছাবেন।
সফরকালীন সময়ে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার সঙ্গে থাকবেন বলে জানা গেছে

পেকুয়া শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় এ্যালামনাই এসোসিয়েশন (শিউবি) র ইফতার মাহফিল ও মেজবান অনুষ্ঠিত

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পেকুয়ার অন্যতম বিদ্যাপিঠ শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় এ্যালামনাই এসোসিয়েশন (শিউবি)র ইফতার মাহফিলও মেজবান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় এই উপলক্ষে এক স্মৃতিচারণমুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় ১৯৭৬ ব্যাচের ছাত্র মোহাম্মদ দলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ১৯৯৩ ব্যাচের ছাত্র মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন এবং ২০০১ ব্যাচের ছাত্র সবুজের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন , স্কুলটির অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমদ।
এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক।

এতে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে আরো বক্তব্য রাখেন, স্কুলটির প্রাক্তন কৃতি ছাত্র যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এর সাবেক জিএম ইন্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, নায়েম ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড.মোস্তফা কামাল, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মুরাদ, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আজম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেড কোয়াটার মো: ইয়াছিন আরাফাত, বান্দরবানের জেলা ও দায়রা জর্জ জসিম উদ্দিন, নাহার এগ্রো গ্রুপের সিনিয়র ডিজিএম আলাউদ্দিন চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

এতে প্রাক্তন সিনিয়র ছাত্রদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন, বনানী গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী, সাবেক অধ্যক্ষ এইচ.এম ফজলুল কাদের, শিলখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হোছাইন, স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য মো: মোরশেদ, আয়োজক কমিটির আহবায়ক কমর উদ্দিন, হাফেজ ছলিমুল্লাহসহ আরো অনেকে।
আলোচনা শেষে উপস্থিত সবাই চাটগাঁইয়া মেজবানে অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাচীন বিদ্যাপীঠ শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় অনেক কৃতি ছাত্রছাত্রী তৈরি করেছেন যারা আজ দেশে সফলতার সাথে শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা আরো বলেন, শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় সব সময় অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা। এই বিদ্যালয়টি এগিয়ে যাচ্ছে এবং শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে এই অঞ্চলব্যাপী। স্মৃতিচারণে স্কুলটির প্রাক্তন ছাত্ররা তারা নিজেদের স্কুল জীবনের নানান স্মৃতি তুলে ধরেন।

এদিকে প্রবীণদের উপস্থিতিতে শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়। নবীন আর প্রবীণদের মেল বন্ধনে সৌহার্দ্যপূর্ণ এক পরিবেশের সৃষ্টি হয় স্কুল আঙ্গিনায়। আয়োজকেরাও ভবিষ্যতে এইরকম আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

জনদূর্ভোগ চরমে

পেকুয়ায় ঝরাজীর্ণ ব্রিজের মরণফাঁদেই জনচলাচল

আগামীতে সালাহ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জনগণের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার গোঁয়াখালী খালের উপর নির্মিত চলত মার্কেট সংলগ্ন এলজিইডি ব্রিজে দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্ট গর্তটি মরণফাঁদে পরিনত হলেও চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ৫সহস্রাধিক মানুষ। দীর্ঘ ২৫ বছর আাগে এলজিইডির নির্মিত ব্রিজের রেলিং পটাতন ভেঙে ঝরাজীর্ন হয়েপড়েছে। পটাতনের মাঝখানে ভাঙতে ভাঙতে গর্তে পরিণত হওয়ায় প্রতিদিন ছোট বড় দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যান ও পদযাত্রী।
স্থানীয় লোকজন বলেন, ১ বছর ধরে বড় ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: নুরুল আজিম জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে উক্ত ব্রিজের বিষয়ে লিখতভাবে জানানো হলেও সংস্কারের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে এলাকার ৪-৫ টি মহল্লার ৫ হাজার লোকজন চলাচলে চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন।

চলত মার্কেটের ব্যবসায়ী মো: ইউনুছ জানান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা চলাচলে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে প্রতিনিয়িত।
ব্যবসায়ী রাহেদুল হায়দার চৌধুরী জানান, ব্রিজের পাশে তার মৎস্য প্রজেক্ট ও খামার রয়েছে। ওখানে যযাতায়তে ওই ব্রিজের গর্তটি চোখে পড়লে স্থানীয় কিছু লোকজনের পরামর্শ করে ওই গর্ত হওয়া ব্রিজটি মেরামতের উদ্যোগে নিলেও অপর স্থানীয়রা টেকসই ও স্থায়ী ব্রিজের দাবিতে তার নিজস্ব উদ্যোগে মেরামতে বাধার সৃষ্টি করে। তিনি এলাকার জনসাধরণের দুর্ভোগ নিরসনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
স্থানীয় সংবাদকর্মী এফ এম সুমন বলেন, এই ব্রিজের ঝুকিপূর্ণ গর্তের কারণে গাড়ি নিয়ে যাতায়ত করা যায়না। রাতের আধারে পথচারীরা নিয়মিত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

পেকুয়া উাপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, বিষয়টি স্থানীয় ও জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে জেনেছি। সরকারী অর্থায়ন সাপেক্ষে টেকসই ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।