১৭ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় পায়ে হাটা বিপদজনক
পেকুয়ার রাজাখালীতে সড়ক সংস্কারের দাবীতে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ার রাজাখালী লালজান পাড়া থেকে সবুজ বাজার সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য দুই কিলোমিটার। সড়কটি দীর্ঘ ১৭ বছর কোন প্রকারসংস্কার হয়নি। বর্তমানে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পায়ে হেঁটে চলাচলের অযোগ্য সড়কটি সংস্কারের জন্য এলাকার লোকজন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে মানববন্ধন করেছে।
২৫ নভেম্বর বিকাল ৪ টায় স্থানীয় লোকজন ক্ষতবিক্ষত সড়কে জড়ো হয়ে মানব বন্ধন করেছে। এসময় স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন বিগত ১০ বছর ধরে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। সড়কের পুরো অংশই খানা খন্দকে একাকার। শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা হাটতে পারেনা। রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলে দোলনা ছাড়া উপায় নেই।এসড়ক দিয়ে ৫ স্কুল মাদরাসার শিক্ষার্থী ছাড়াও রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের, সবুজ বাজার সহ পার্শ্ববর্তী টইটং বারবাকিয়া ইউনিয়নের এবং উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ করতে গিয়ে দৈনিক ৪ থেকে পাচঁ হাজার লোকজনের যাতায়াত হলেও দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এলাকার লোকজন চরম দূর্ভোগের শিকার হয়ে আসছে। স্থানীয় আনোয়ার হোছাইন বলেন এরাস্তায় ৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১০ মসজিদ দুটি বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সেবা প্রার্থী ছাড়াও লবন চিংড়ি চাষাবাদের লোকজন নিয়মিত চলাচল করতে গিয়ে পায়ে হেঁটে ব্যাঘাতের সম্মুখীন হচ্ছে।
মানব বন্ধনে উপস্থিত হয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রূত সংস্কারের দাবী করেন, রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হোছাইন শহীদ সাইফুল্লাহ, ৪ নং ইউপি সদস্য ও রাজাখালী ইউনিয়ন তাঁতীদলের আহবায়ক গোলাম রহমান, পেকুয়া উপজেলা তাঁতীদলের যুগ্ম আহবায়ক সাহাদত হোসেন আরিয়ান, স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম প্রমূখ। প্রতিক্রিয়ায় বক্তারা বলেন অতি গুরুত্বপূর্ণ লালজান পাড়া- রকবত আলী পাড়া সড়কটি চরম ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে গেছে। সাধারণ জনগণের ভোগান্তির দূর করতে ঠেকসই মেরামত করা একান্ত জরুরি হয়েছে। তারা জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলজিইডি সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করে অবিলম্বে এসড়কটি সংস্কারের কার্যকর প্রক্ষেপ গ।রহনের দাবী করেন।
পেকুয়া উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার সৌরভ দাস বলেন, এসড়কি এখনো পর্যন্ত এলজিইডির তালিকাভূক্ত সড়ক। সড়কটি সংস্কারের জন্য এখন পর্যন্ত কোন বরাদ্দ দেয়া হয়নি।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মইনুল হোসেন চৌধুরী বলেন, সড়কটি সংস্কারের ব্যপারে স্থানীয় লোকজনের চাহিদা রয়েছে। এলজিইডির তালিকাভূক্ত হওয়ার কারনে আমার করার কিছুই নেই। এলজিইডির সাথে কথা বলে আপাতত মাটির দ্বারা সংস্কার করা যায় কিনা চেষ্টা করছি।
















