| ১৯ জুন ২০২৬

চকরিয়ায় বিলে বিলে সোনালী ফসল আউশ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

চকরিয়ায় বিলে বিলে সোনালী ফসল আউশ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

 

প্রাকৃতিক বৈরী পরিবেশ অনুকূলে থাকার কারণে চলতি মৌসুমে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সোনালী ফসল আউশধানের বাম্পার ফলন এসেছে। এখন বেসুমার মাঠজুড়ে পাকা আউশ ধানের শীষ বাতাসের সঙ্গে হেলেদুলে পড়ছে। আশাজাগানিয়া বাম্পার ফলন দেখে স্থানীয় পান্তিক কৃষকদের মুখে ফুটেছে হাঁসির ঝিলিক।

সরেজমিনে উপজেলার কৈয়ারবিল ও পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নে আউশধান কর্তন দেখতে গিয়ে বাম্পার ফলন নিয়ে কৃষকের অন্যরকম উচ্ছ্বাস অনুভূতি এমনটাই দেখা গেছে।
বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সোনালি আউশ ধান কর্তনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ধানের ভারে নুয়ে পড়েছে শীষগুলো। ঘাম ঝরানো স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত প্রতিটি কৃষক। প্রতিটি জমিতে যেন ফুটে উঠেছে সোনালী রঙ। সোনালী রঙে রাঙ্গিয়ে তুলেছে বিলের পর বিলজুড়ে আউশধান।

চকরিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৬০০ হেক্টর (চার হাজার একর) জমিতে সোনালী ফসল আউশধান চাষ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ২৫টি প্রদর্শনীর আওতায় কৃষকেরা ব্রি ধান ১০৬ ও ৪৮ হাইব্রিড জাতের আউশধান চাষ করেছে।
চলতি অক্টোবর মাসের শুরুতে উপজেলার পূর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নে পার্টনার প্রকল্পের আউশ প্রদর্শনীর ব্রি ধান ১০৬ জাতের নমুনা শস্য কর্তনের মাধ্যমে ফলন নির্ণয় করা হয়েছে। চকরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসরাত জাহান সুইটি এবং উপসহকারী কৃষি অফিসার জনি নন্দি ও মোঃ রায়হান উপস্থিত থেকে নমুনা শস্য কর্তন কার্যক্রম তদারকি করেন।
একইভাবে উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নে আউশ প্রদর্শনীর ব্রি ধান ৪৮ জাতের নমুনা শস্য কর্তন করা হয়। চকরিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসাররা উপস্থিত থেকে নমুনা শস্য কর্তন কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সুএে জানা যায়, এ বছর চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার মধ্যে পুর্ববড় ভেওলা, সাহারবিল, কৈয়ারবিল ও বিএমচর ইউনিয়নে আউশধান আবাদ বেশী হয়েছে। অন্যান্য ইউনিয়নে অল্প জমিতে আবাদ হয়েছে।

মাঠপর্যায়ে আউশধান কর্তন পর্যবেক্ষন করে
চকরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ইশরাত জাহান সুইটি বলেন, অনুকুল আবহাওয়া, কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও মাঠ পর্যায়ে উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকির কারনে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা চেয়ে অধিক ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাহারবিল ইউনিয়নের কৃষক আহমদ হোসেন ও পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়নের কৃষক নুর মোহাম্মদ বলেন, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর আউশ ধানের ফলন ভালো হয়েছে। তাছাড়া বাজারে ধানের দামও বেশী। ভালো ফলন পেয়ে আমরা খুশী।

চকরিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, এ বছর হাইব্রিড জাতের আউশধান ব্রি ধান ১০৬ ও ৪৮ চাষ করে কৃষকেরা ভালো ফলন পেয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৫ টি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়। মুলত প্রদর্শনী প্লটের আওতায় চাষের শুরু থেকে ধান কর্তন পর্যন্ত কৃষকদেরকে মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত উপসহকারী কৃষি অফিসাররা পরামর্শ দিয়েছেন। ক্ষেতে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসলের সুরক্ষায় নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। এসব কারণে এবছর আউশধান চাষে বাম্পার ফলন এসেছে।

চকরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহনাজ ফেরদৌসী বলেন, আউশধান চাষের আগে কৃষকদেরকে সরকারিভাবে কৃষি ভর্তুকি, বিনামূল্য বীজ, সার ও প্রণোদনা দেওয়ায় বিগত বছরের তুলনায় এ বছর আউশের বাম্পার ফলন হয়েছে। মুলত আউশ চাষে সেচ, সার ও শ্রম কম খরচ হয়। বাজারে ধানের দাম ভাল।এভাবে ধানের দাম থাকলে কৃষকেরা ভালো লাভবান হবেন।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

চকরিয়ায় বিলে বিলে সোনালী ফসল আউশ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

চকরিয়ায় বিলে বিলে সোনালী ফসল আউশ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রোভারদের দীক্ষাদানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক তাঁবুবাস

চকরিয়ায় বিলে বিলে সোনালী ফসল আউশ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

 

তাওহিদুল ইসলাম

কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপকূলীয় মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপ ও শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের যৌথ আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী “বার্ষিক তাঁবুবাস ও দীক্ষা অনুষ্ঠান-২০২৬” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) রোভারদের দীক্ষাদানের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
গত ১৪ জুন শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া এই তাঁবুবাসে মোট ১২০ জন রোভার ও স্কাউট অংশগ্রহণ করেন। তিন দিনের এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ক্যাম্প চলাকালে ভোরের পাখি, তাঁবুকলা, অবস্ট্যাকল, বনকলা ও তাঁবু জলসাসহ পাঁচটি চ্যালেঞ্জভিত্তিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এসব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রোভার ও স্কাউটরা দলগত নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহনশীলতা এবং সেবামূলক মানসিকতার বাস্তব প্রশিক্ষণ লাভ করে।
সমাপনী ও দীক্ষা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস পেকুয়া উপজেলার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা রোভার স্কাউটের সম্পাদক আব্দুল হামিদ, পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মেহেদী হাসান, পেকুয়া উপজেলা স্কাউটসের কমিশনার নাছির উদ্দীন এবং নূর আয়েশা খান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ঈসমাঈল খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহযোগী সদস্য ও কলেজ রোভার স্কাউট লিডার ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
বক্তারা বলেন, রোভার স্কাউটিং তরুণদের মানবিক, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁবুবাস ও দীক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অভিজ্ঞতা অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে উপকূলীয় মুক্ত রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভারমেটসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্কাউট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে নতুন রোভাররা স্কাউট আদর্শ ও নীতির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।