মেধাবী সাহেদের উপর নির্মম হামলাকারীরা শাস্তি পাবে!
পেকুয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রকে নির্মম আঘাতের ঘটনায় ১০জনকে আসামি করে মামলা
কক্সবাজারের পেকুয়ায় শাহেদুল ইসলাম ফরহাদ (১৬)নামের মেধাবী মাদ্রাসা ছাত্রকে কুপিয়ে জখম করেছে দূর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউপির মাতবর পাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মারাত্মক আহত ফরহাদের পিতা বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন৷
আহত শাহেদুল ইসলাম ফরহাদ পেকুয়া আনোয়ারুল উলুম ইসলামি আলিম মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান বিভাগে তার রোল নং- ০১ এবং একই এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে।
এ মামলার আসামিরা হলেন, মোহাম্মদ ইউনুচ (৩২), মোহাম্মদ সোলাইমান (৩৮), শাহিন আলম (২০),
এনামূল হক (২২), মোহাম্মদ শাকের প্র: সাগর (২৪),
রাজু (৩২), মোহাম্মদ কালু (২৩), ওয়াহেদ (২৮),
রাসীর (২০), রবি আলম (১৮)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নাজেম উদ্দিন গং মোহাম্মদ ইউনুস গং এর মধ্যে বিরোধ চলছিলো। এ নিয়ে একাধিকবার বৈঠক ও হয়েছে। পেকুয়া থানায় মামলা ও রয়েছে। থানায় মামলার বিচারাধীন অবস্থায় মোহাম্মদ ইউনুস গং নাজেম উদ্দিনের ভোগ দখলীয় জমি জবরদখল করার পাঁয়তারা চালায়। প্রতিনিয়ত প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে আসত। তারাই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে ১৫/২০ জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল নিয়ে নাজেম উদ্দিনের বসতবাড়ি জবরদখলের উদ্দেশ্যে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা৷ ওই সময় মাদ্রাসা ছুটি হলে বাড়ি আসতেই ধারালো কিরিচ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করা হয় শাহেদুল ইসলামকে। মূহুর্তেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটে পড়ে শাহেদ৷ রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
স্বজনরা জানিয়েছেন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে মেধাবী শিক্ষার্থী শাহেদ৷
সাহেদুল ইসলাম ফরহাদের সহপাঠীরা জানিয়েছে সে ঘটনার কিছুই আগে থেকে জানেনা। নিয়মিত দুপুরের খাবারের সময়ে সে বাড়ীতে খেতে যেতে হৈ-হুল্লোড় শুরু
তার পিতার প্রতিপক্ষের সামনে অতর্কিতভাবে পড়েগেলে নির্মমভাবে তাকে কুপানো হয়। আজ সাহেদের জীবন বিপন্ন হওয়ার পথে উল্লেখ করে তারা নিরপরাধ মেধাবী শিক্ষার্থী উপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানান।
পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইমরুল হাসান বলেন, ভিকটিম পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


















