বদলি আদেশের পরও বহালতবিয়তে পেকুয়ার বিতর্কিত এসিল্যান্ড
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর পেয়ারা বেগমকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে গত ৩ আগষ্ট। ১১ আগষ্ট বদলি আদেশের প্রজ্ঞাপন জারি হলেও এখনো তিনি পেকুয়া উপজেলা ভূমি অফিসেই সংযুক্ত আছেন। বদলি আদেশ হওয়ার পরও পূর্বের ন্যায় বিতর্কিত কাজ চলমান করায় কানাঘুষা চলছে পেকুয়ার সর্বমহলে।
জানা যায় গত ৩ আগষ্ট নোয়াখালী জেলার কবির হাট উপজেলায় বদলীর আদেশ করা হয়েছে। কিন্তু বদলির ৪৪ দিন পার হলেও তিনি বহাল তবিয়তে থেকে নিয়মিত অফিস করছেন সাবেক কর্মস্থলেই।
সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাজস্ব এস এম অনীক চৌধুরী স্বাক্ষরিত স্মারক নং ০৫.৪২.২০০০.০০০.০২১.২৮.০০০১.২৪.৫৬২/১(১৮) এতথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। শীঘ্রই সরকারী পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে বদলী হওয়া কর্মস্থলে যোগদানের কথা থাকলেও তিনি বহাল তবিয়তে রয়েগেছেন।
বিতর্কিত এ সহকারী কমিশনার ভূমি নুর পেয়ারার বিরুদ্ধে সঠিকভাবে অফিস না করা, সেবা প্রার্থীর ওপর চড়াও হওয়া,বাদি বিবাদীকে নোটিশ বিহীন বিবিধ মামলা শুনানি, কানোংগো ও সার্ভেয়ার রিপোর্ট ছাড়াও খতিয়ান সৃজন করার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি ভূয়া দলিল দেখিয়ে মূল দলিল উপস্থাপন না করে জমাভাগ খতিয়ান সৃজন করা হয়েছে পেকুয়া ভূমি অফিসে।
ব্যক্তিগত ভাবে ব্যবহারের সরকারী পাসওয়ার্ড অনুগত একজন সহকারী তহসিলদারকে দিয়ে ব্যবহার করা, এ তহসিলদার দিয়ে টাকার বিনিময়ে ব্যাপক অনিয়ম করা সহ উচ্ছেদ নাটক সাজিয়ে ঘুষ আদায়ের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। সরকারি মোবাইল ফোন বন্ধ রাখা, খাস কালেকশানে অনিয়ম সাংবাদিক বিদ্বেষের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার বদলী আদেশের খবরে কারো মাঝে স্বস্তি আবার কারো মাঝে অস্বস্তি দেখা দিলেও একাধিক সেবাপ্রাপ্তি হতাশ হয়েছেন এখনো তার বদলি না হওয়ায়। ভূমি অফিসের দালাল চক্রের কয়েকজন সদস্য বলেন তিনি বর্তমানে নাটকীয় ভঙ্গিতে জঠিল বিবিধ মামলা গুলো বড় অংকের ঘুষের বিনিময়ে প্রত্যাহার করে দিচ্ছেন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, এখনো তার স্থলে আরেক জনের আদেশ হয়নি তাই বহাল রয়েছে।















