| ২১ জুন ২০২৬

আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তত – সালাহউদ্দিন আহমদ

আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তত – সালাহউদ্দিন আহমদ

জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫-এ স্বাক্ষর করার জন্য বিএনপি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের জন্য প্রত্যেক দলের কাছে দুজন প্রতিনিধির নাম চাওয়া হয়েছিল আমরা সেটি জমা দিয়েছি। আমরা জুলাই জাতীয় সনদের স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তুত।
এবং আমরা এর আগেও আমাদের সেই অবস্থানটা ব্যক্ত করেছি।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার আলোচনার মাধ্যমে যে সব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে এবং এর মধ্যে থেকে যা যা সনদে অন্তর্ভুক্ত হবে, সে সনদ বাস্তবায়নের জন্য স্বাক্ষরিত হবে এ বিষয়ে নিজের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি জানান, প্রায় সবগুলো রাজনৈতিক দলই কীভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা যায় সে বিষয়ে তাদের মতামত দিয়েছে, আমরাও দিয়েছি।
আমরা এটিও বলেছি যে এর বাইরেও যদি কোনো বৈধ, আইনানুগ, সাংবিধানিক পন্থা থাকে তবে আমরা তা মেনে নেব।
তবে, তিনি বলেন, ‘আমরা এমন কোনো খারাপ নজির স্থাপন করতে চাই না, যেটার মধ্য দিয়ে সংবিধানের সংশোধনী আনয়নের জন্য কোনো অতিরিক্ত বা বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ বা proclamation এর মধ্য দিয়ে আইনি ক্ষমতার বাইরে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তনের নজির সৃষ্টি হোক।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সভাপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সভায় তার কথোপকথনের কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার কাছেও আমি আহ্বান জানিয়েছি যে, আপনি বিচার বিভাগের পরামর্শ নিতে পারেন। এই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আইনি কি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যেতে পারে সে বিষয়ে আপনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন। অথবা এর বাইরে যদি কোনো আইনানুগ ও বৈধ প্রক্রিয়া থাকে তাহলে তাতেও আমরা একমত হব। কিন্তু যে জুলাই সনদ আমরা জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে প্রণয়ন করছি, একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলিল, সাংবিধানিক দলিল। এই দলিলটাকে যাতে আমরা জাতির কাছে প্রশ্নাতীত ভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, ভবিষ্যতে যেন এটা বিচারিক চ্যালেঞ্জ করতে না হয় সেজন্য এ বিষয়ে একটি পদ্ধতি নির্ধারণ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করার আহ্বান জানিয়েছি। ’
দ্বিতীয়ত, তিনি বলেন, আমি প্রধান উপদেষ্টার কাছে আমার দ্বিতীয় মতামত ব্যক্ত করেছি, যেন দরকার হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ছোট ছোট মিটিং করে কীভাবে এই সময় বাস্তবায়ন করা যায় সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যমতে আনতে পারেন। সে বিষয়ে আপনার এখতিয়ার আছে। আপনি আহ্বান জানালে আমরা সবসময় আসি এবং আসবো।
কমিশনের সঙ্গে অধিকতর আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের আলোচনা আরও চলবে। ইতোমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ আগামীকাল শেষ হবে, উনারা আশা করছেন সেটা আরও বাড়ানো হবে।
তাহলে বুধবার আবার আলোচনা হবে এবং আমরা চাই আলোচনা টেবিলের সব নিষ্পত্তি হোক।
নির্বাচন নিয়ে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা জোর দিয়ে বলেছি যে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অবশ্যই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে এবং এটার কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচন কোনো কিছুর উপরে নির্ভরশীল নয়। সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন এগুলো মিউচুয়ালি ইন্ডিপেন্ডেন্ট কোনো বিষয় নয়। নির্বাচন হতেই হবে, সংস্কার চালু থাকবে, বিচার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এগুলো কোনটার উপরই কোনটা নির্ভরশীল নয়। ’
তিনি বলেন, সুতরাং নির্বাচনের সময় এ বিষয়ে এই জাতির মধ্যে যে ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে, নির্বাচনের সময় ঘোষণা করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনও তাদের প্রস্তুতি শেষ করেছে, আমাদের দীর্ঘদিনের যে সংগ্রাম ভোটাধিকার প্রয়োগের আন্দোলন, যার জন্য আমরা রক্ত দিয়েছি – সেই ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়েই একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা হবে, সংসদ প্রতিষ্ঠা হবে- তার মধ্য দিয়ে আমাদের সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো আমরা বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।
আলোচনা সভায় কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।
এছাড়া জাতীয় ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার সভায় অংশগ্রহণ

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তত – সালাহউদ্দিন আহমদ

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তত – সালাহউদ্দিন আহমদ

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষরের জন্য প্রস্তত – সালাহউদ্দিন আহমদ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।