পেকুয়ায় যাতায়াতের পথে অবৈধ বাস পার্কিং,দুর্ভোগে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা
কক্সবাজারের পেকুয়ায় যাতায়াতের প্রধান সড়ক ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন থেকে আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসা সড়কে বাঁশখালী সুপার সার্ভিস বাস নিয়ে গড়ে উঠেছে অবৈধ বাস পার্কিং। এতে প্রতিদিনই চরম ভোগান্তিতে পড়ছে স্থানীয় পথচারীরা। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষাথীরা,অফিসগামী চাকরিজীবী ও রোগী পরিবহনে দেখা দিচ্ছে মারাত্মক বিড়ম্বনা।
স্থানীয়রা জানান,পেকুয়া উপজেলার চৌমহুনী এলাকার আশপাশের প্রধান সড়ক গুলোতে দিনের টর দিন বাসগুলো সড়কের দুপাশে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এতে সড়ক সরু হয়ে গিয়ে যানজট সৃষ্টি হয়,অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত আটকে পড়ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। এমনকি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
৮ সেপ্টম্বর (সোমবার) পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাষ্টার আবুল হাশেম ,পেকুয়া সরকারী মডেল জি.এম.সি ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র শিক্ষক মাষ্টার নূর মোহাম্মদ,পেকুয়া আনোয়ারুল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক রুহুল কাদের ,পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুজিবুল হক চৌধুরী,পেকুয়া প্রেস ক্লাবের পক্ষে সাংবাদিক এফ এম সুমন ও আন্নার আলী পাড়ার পক্ষে আরিফুল ইসলাম পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনুল হোছেন চৌধুরী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,বাঁশখালী সুপার সার্ভিসের কারণে ঐ স্থানে প্রতিনিয়ত নানা দুর্ঘটনা ঘটছে। শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচল মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বারবার সড়ক দুর্ঘটনার কারণে প্রাণনাশের ঝুকি বাড়ছে। বাস পার্কিং এর কারণে এ্যাম্বুলেন্স,ফায়ার সার্ভিস ও জরুরী সেবামূলক যানবাহন চলাচলে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
ঐ স্থানে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসাগামী অসংখ্য ছাত্রীরা গাড়ির হেলপার,ড্রাইভার ও বকাটে দ্ধারা ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে।সন্ধা নামলেই প্রতিনিয়ত ছিনতাই,মাদক ব্যবসায়ীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়।
স্থানীয়রা আরো দাবী করেন ,এমন অবৈধ বাস পার্কিং কার্যক্রম জননিরাপত্তা,শিক্ষার্থীদের ও পথচারীদের জীবন রক্ষার্থে দ্রুত বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনুল হোছেন চৌধুরী বলেন,আমি সকল বাস মালিকদের সাথে কথা বলে সমস্যাটি সামাধান করার চেষ্টা করবো















