| ২১ জুন ২০২৬

মহেশখালী উপজেলা বিএনপির নব গঠিত কমিটির নেতৃত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের পিতা-মাতার কবর জিয়ারত

মহেশখালী উপজেলা বিএনপির নব গঠিত কমিটির নেতৃত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের পিতা-মাতার কবর জিয়ারত

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী কক্সবাজারের সূর্য সন্তান আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন আহমদের পিতা-মাতা কবর জিয়ারত করেছেন মহেশখালী উপজেলা বিএনপি , অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ৫ সেপ্টেম্বর ( জুমাবার) বিকালে উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহবায়ক সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্বনআবুবক্কর ছিদ্দিকের নেতৃত্বে গাড়ী বহরে শত শত নেতাকর্মী নিয়ে পেকুয়া সিকদার পাড়া কবরস্থানে গিয়ে কবর জিয়ারতে মিলিত হন। এ সময় তারা আলহাজ্ব সালাহ উদ্দীন আহমদের পিতা মৌলভী সাঈদুল হক, মাতা বেগম আয়েশা হকের রুহের মাখফিরাত কামনা করে দোয়া কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহেশখালী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কালারমারছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এখলাছুর রহমান চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক মাতারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আরিফুল কাদের চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক হোয়ানক ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক এনামুল করিম চৌধুরী, সদস্য সচিব আমিনুল হক চৌধুরী। অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউল্লাহ বোখারী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবের হোসাইন, আবু সরওয়ার রানা, দপ্তর সম্পাদক কায়সার হামিদ মনির, মহেশখালী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক মোস্তফা কামাল, মহেশখালী উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আমান উল্লাহ আমান, রিয়াদ মোহাম্মদ আরাফাত হোসাইন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল করিম জয়, কালারমারছড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সালাহ উদ্দিন নুরী পিয়ারু, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার, হোয়ানক ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব সুলতান মাহমুদ কলি সিকদার, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হামেদ হোসাইন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কাশেম, কালারমারছড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ক.ম আলমগীর ও সদস্য সচিব সেলিম মাহমুদ জীবন, বিএনপি নেতা আকতার কামাল, নাছির উদ্দীন, যুবদল নেতা আব্দুল মোনাফ প্রমূখ। এসময় কয়েক শত বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কবর জিয়ারত শেষে আবুবক্কর ছিদ্দিকের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা সালাহ উদ্দিন আহমদের বাসভবন সিকদার পাড়া মরহুম মৌলভী সাঈদুল হক মঞ্জিলে গিয়ে প্রেস সচিব ও পেকুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি ছফওয়ানুল করিমের সাথে মিলিত হন। এসময় উপজেলা বিএনপির নব গঠিত আহবায়ক কমিটির নেতৃত্ববৃন্দের পক্ষে থেকে উপস্থিত সকলকে মিষ্টিমুখ করান। ফটোসেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ শেষে সন্ধ্যার দিকে পেকুয়া ত্যাগ করে মহেশখালী চলে আসেন বিএনপি সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মহেশখালী উপজেলা বিএনপির নব গঠিত কমিটির নেতৃত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের পিতা-মাতার কবর জিয়ারত

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

মহেশখালী উপজেলা বিএনপির নব গঠিত কমিটির নেতৃত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের পিতা-মাতার কবর জিয়ারত

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

মহেশখালী উপজেলা বিএনপির নব গঠিত কমিটির নেতৃত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদের পিতা-মাতার কবর জিয়ারত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।