| ২১ জুন ২০২৬

আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন বদরখালী সমিতির নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগেই পোস্টার ছাপিয়ে বেশিরভাগ প্রার্থীর প্রচারণা!

আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন  বদরখালী সমিতির নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগেই পোস্টার ছাপিয়ে বেশিরভাগ প্রার্থীর প্রচারণা!

 

আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বৃহত্তম সমবায়ী প্রতিষ্ঠান কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় জনপদের বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির বহুল প্রতিক্ষিত নির্বাচন।

এবারের ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে তিনজন, সহসভাপতি পদে তিনজন, সম্পাদক পদে তিনজন এবং ৯টি পরিচালক (সদস্য) পদের বিপরীতে ২৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর এখন পুরোদমে ভোটের মাঠে রয়েছেন।

তবে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর। কিন্তু তাঁর আগে বেশিরভাগ প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে পোস্টার ছাপিয়ে কর্মী সমর্থকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে অভিনব কৌশলে প্রচার-প্রচারনা শুরু করেছেন।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ রমিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ সেপ্টেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন।

নির্বাচনে সভাপতি পদে তিনজন, সহসভাপতি পদে তিনজন, সম্পাদক পদে তিনজন এবং ৯টি পরিচালক পদের বিপরীতে ২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন এবারের নির্বাচনে সমিতির ১৫০০ জন সদস্য (সভ্য) তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। একটি সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের সভাপতি ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

তফসিল অনুযায়ী আগামী ৭ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু তাঁর আগে বেশিরভাগ প্রার্থী প্রতীক সহকারে পোস্টার ছাপিয়ে প্রচার প্রচারনা করছেন কীভাবে জানতে চাইলে সহকারী নির্বাচন কমিশনার ও চকরিয়া উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ রমিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে ৩২ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছেন। তাদের মধ্যে পরিচালক পদে মাত্র দৃইজন প্রার্থী একটি প্রতীক চেয়েছেন। অন্য সবাই অথ্যর্ৎ ৩০ জন প্রার্থী একটি করে প্রতীক চেয়েছেন, ওই প্রতীকটি দ্বিতীয় কেউ চাইনি। সেই সুযোগে তাঁরা আগেভাগে প্রতীক সহকারে পোস্টার ছাপিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। এটি নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের সামিল। সবাই কমবেশি এ অপরাধ করছেন, সেইজন্য কমিশন একটু শিথিল মনোভাব দেখাচ্ছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক সভাপতি নুরুল আলম সিকদারের ছেলে সরওয়ার আলম সিকদার, বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খাইরুল বশর, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আকবর। সহসভাপতি পদে আছেন সাবেক সহসভাপতি আলী মোহাম্মদ কাজল, বর্তমান কমিটির সহসভাপতি কামাল উদ্দিন বাবুল ও নতুন মুখ দিদারুল আলম মজিদ।

সমিতির গুরুত্বপূর্ণ পদবি সম্পাদক পদে তিনজন ভোটযুদ্ধে রয়েছেন তিনজন। তাঁরা হলেন সাবেক দুইবারের সম্পাদক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, বর্তমান কমিটির সম্পাদক আ.ন.ম মঈন উদ্দিন, সমিতির সাবেক সম্পাদক প্রয়াত একেএম ইকবাল বদরীর ভাই এএম এস্তেফাজুর রহমান।

অন্যদিকে সমিতির ৯টি ব্লক থেকে ৯জন পরিচালক (সদস্য) পদের বিপরীতে ২৩ জন ভোটের মাঠে প্রার্থী হয়েছেন। তাঁরা হচ্ছেন (১) কামরুল ইসলাম (২) সাদ্দাম হোসেন (৩) মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন (৪) কফিল উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (৫) বিকেএম নুরুল কাইছার (৬) জিয়া উদ্দিন (৭) বখতিয়ার উদ্দিন রুবেল (৮) শাহাব উদ্দিন শাকিল (৯) হাজি হামিদ উল্লাহ (১০) আবুল হাসনাত মোঃ পারভেজ (১১) আবু তাহের (১২) রেজাউল করিম বাদল (১৩) মোজাফফর আহমদ (১৪) নুরুল কাদের (১৫) আনোয়ারুল ইসলাম (১৬) এসএম শওকত ওসমান (১৭) জয়নাল আবেদীন কাতারী (১৮) আখতার আহমদ (১৯) জমির উদ্দিন (২০) জাফর আহমদ (২১) নাজেম উদ্দিন (২২) কুতুবউদ্দিন ও (২৩) ছলিম উল্লাহ।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন  বদরখালী সমিতির নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগেই পোস্টার ছাপিয়ে বেশিরভাগ প্রার্থীর প্রচারণা!

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ওয়াহিদুলের আসামিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল চকরিয়ার আদালত চত্বর, এলাকাবাসীর বিশাল মানববন্ধন

আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন  বদরখালী সমিতির নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগেই পোস্টার ছাপিয়ে বেশিরভাগ প্রার্থীর প্রচারণা!

রাকিবুল হাসান
মাতামুহুরীতে ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে বলাৎকারের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবিতে আজ বুধবার (১৭ জুন) উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়ার আদালত চত্বর । দুপুরে আসামিদের আদালতে হাজির করার খবর পেয়ে শত শত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ওয়াহিদুল ইসলামের সহপাঠী আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
এ সময় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খুনিদের ফাঁসি চাই ওয়াহিদুলের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এমন হাজারো স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো আদালত চত্বর।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলেন, একটি ৭ বছরের অবুঝ শিশুকে যেভাবে বলাৎকার ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে, তা কোনো সুস্থ মানুষ করতে পারে না। আমরা এই খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই। সন্তানহারা বাবা-মায়ের আহাজারিতে এ সময় উপস্থিত অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বিকেলে নানার বাড়ি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের অটোরিকশাচালক তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (৭)। নিখোঁজের দুই দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি খাল থেকে তার হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে নির্মমভাবে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গতকালই স্থানীয় জনতা তিনজন লম্পটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সেখসন থেকে একজন স্বীকার করে তারা তাতে বলাৎকার করে তারপর মেরে ফেলে। আজ পুলিশি পাহারায় আসামিদের আদালতে তোলা হলে জনরোষ এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সংগৃহীত আলামত পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

​মহেশখালীতে বন বিভাগের অভিযানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা, ৭বনকর্মী আহত

আগামী ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন  বদরখালী সমিতির নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগেই পোস্টার ছাপিয়ে বেশিরভাগ প্রার্থীর প্রচারণা!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে বর্বরোচিত হামলার শিকার হয়েছেন ৭জন বন কর্মী। অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে উসকানিমূলকভাবে এই হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতরা হচ্ছে রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বন কর্মী নজরুল হুদা, বন কর্মী মো: আনোয়ার হোসেন, বন কর্মী নবায়ন চাকমা

 

​১৬ জুন সকাল ১১ টায় শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জ এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত করতে গেলে অবৈধ দখলদার চক্রটি বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা উচ্ছেদ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দেয়। মাইকিং শুনে একদল লোক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘবদ্ধভাবে বন কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

​মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:

​”সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করতে আমরা সকালে জেএমঘাট এলাকায় অভিযানে যাই। কিন্তু দখলদার চক্রটি পরিকল্পিতভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে উসকানি দেয় এবং বন কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় আমাদের কয়েকজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও বনকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।”

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সোলতান জানান হামলার ঘটনায় বন বিভাগ ও পুলিম কাজ করছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।