| ১৩ জুন ২০২৬

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ মহসীন

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ মহসীন

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজার জেলার প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ২০২৪ সালের (বা চলমান পর্যায়) জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (পুরুষ) নির্বাচিত হয়েছেন মাষ্টার মোহাম্মদ মহসীন। তিনি পেকুয়া উপজেলার সোনাইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
সম্প্রতি কক্সবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো: আবু মান্নান এবং সদস্য সচিব ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শাহীন মিয়া যৌথভাবে এই তালিকা অনুমোদন ও স্বাক্ষর করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান, বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দক্ষতা, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং নেতৃত্বসুলভ গুণাবলীর সার্বিক বিবেচনায় তাকে এই গৌরবজনক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

সোনাইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই অর্জনে পেকুয়া উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনসহ স্থানীয় সচেতন মহলে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও জেলা-উপজেলার শিক্ষক সমাজ মনে করেন মোহাম্মদ মহসীনের এই অর্জন পেকুয়া তথা পুরো জেলার শিক্ষকদের কাজের গতি ও গুণগত মান বাড়াতে ব্যাপক অনুপ্রেরণা জোগাবে।
এক প্রতিক্রিয়ায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হওয়া প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মহসীন জানান, এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়, এটি আমার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং পেকুয়া উপজেলাবাসীর যৌথ প্রচেষ্টার ফল। এই সম্মাননা আমাকে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে অনুপ্রাণিত করবে।

উল্লেখ্য, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পদক কমিটির একই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করা হয়েছে। যার মধ্যে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক হিসেবে শাহেনুর আলম শিবলী (মহেশখালী), শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে সুরাইয়া আক্তার (কক্সবাজার সদর) এবং শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে সায়মা তাবাসসুম তোহফা (কক্সবাজার সদর) নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন উখিয়া উপজেলার মো: আশরাফুল আলম সিরাজী।

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তর. মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তি প্রস্তর. চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে জনসভায় ভাষন দিবেন

পেকুয়া চকরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী আজ আসছেন

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ মহসীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান আজ (শনিবার, ১৩ জুন) কক্সবাজারের পেকুয়া চকরিয়া ও মাতামুহুরিতে সফরে আসছেন। (more…)

কউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ মহসীন

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়ার ইন্জিনিয়ার মো. জসিম উদ্দিন গতকাল বৃহস্পতিবার (১১জুন) কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬-এর ধারা ৮(২) অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (গ্রেড-২) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

এ নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে।
তিনি ২০২০ সালে যমুনা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেড থেকে দীর্ঘ চাকুরী শেষে
জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
তিনি পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা আধাখালী হাজীর বাড়ীর মরহুম মাষ্টার কামাল হোছাইনের দ্বিতীয় সন্তান।

তাঁর স্ত্রী ডা. আসমা চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের লালখান বাজার মমতা মাতৃসদন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে জয়িতা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। ছেলে আসমাত জোবায়ের ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করে একটি বিশ্বিবদ্যালয়ে পড়ছে।

প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন ছাড়াও তাঁর আরও দুজন ভাই রয়েছেন। একজন ডা. নাসির উদ্দিন। তিনি কবি ও সাহিত্যিক। দীর্ঘ সময় ইস্টার্ন রিফাইনারীর চাকরিতে কাটিয়ে অবসর নিয়েছেন। আরেক ভাই এ্যাডভোকেট বেলাল উদ্দিন ১৯৯৩ সালে ৪ ডিসেম্বর তরুন বয়সে  চকরিয়া থানা এলাকায় পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। জসিম উদ্দিনের দুই বোন রোকেয়া বেগম ও আরিফা বেগম পেশায় গৃহিণী।

এছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পরিচালক থাকা অবস্থায় ১৯৮৭ সালে মারা যান তাঁর শ্বশুর মাহবুবুল আলম।

জসিম উদ্দিন শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে এসএসসি পাস করেছিলেন বোর্ড স্ট্যান্ড কৃতিত্বের সাথে। পরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে বের হন। যমুনা অয়েলের জিএম হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল ঈর্ষানীয়।

২০ হাজার মামলা চকরিয়া আদালতে বিচারাধীন

চকরিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালত ও পেকুয়ায় পৃথক আদালত স্থাপনই হতে পারে ভোগান্তির অবসান

জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ মহসীন

চকরিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালত ও পেকুয়ায় পৃথক আদালত স্থাপনই হতে পারে ভোগান্তির অবসান

পেকুয়া উপজেলার বয়স ২৪ বছর শেষ হলেও আদালত স্থাপন করা হয়নি।

সিভিল আদালতে ৯হাজার. জুড়িশিয়াল আদালতে ১১ হাজার মামলা. উপজেলা ভিত্তিক বিচারক থাকলেও চকরিয়া আদালতে ৩ উপজেলার জন্য ১ জন.

বাঁশখালী সাতকানিয়া পটিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম থাকলেও চকরিয়ায় এখনো নেই
বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়া পেকুয়া ও মাতামুহুরির ৯ লক্ষ নাগরিকের বিচারক সুবিধার জন্য চকরিয়া চৌকি আদালত ও সিভিল আদালত এখন ২০ হাজার বিচারাধীন মামলার জটে আবদ্ধ। নিয়মিত ধার্য্য তালিকার মামলার সংখ্যা অধিক হওয়ায় দৈনিক তালিকার মামলা গুলো পরিচালিত করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশের অন্যান্য উপজেলা ভিত্তিক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক উপজেলার একজন জুডিশিয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট অনুবলে চকরিয়া আদালতে দু জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকার কথা সেখানে কখনো একজনও নিয়মিত না থাকায় বিচার প্রার্থীদের ভোগান্তির শেষ নেই।
পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার দু যোগ অতিবাহিত হলেও এখনো পেকুয়ায় আদালত স্থাপন করা হয়নি। পেকুয়া উপজেলার দূর্গম এলাকা থেকে চকরিয়ায় গিয়ে অনেক সময় কার্যতালিকার দীর্ঘ লাইনের কারণে মামলার কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব না হলে ফেরত আসতে হচ্ছে।
একটি মামলা দায়ের করতে ২/৩ দিন যাওয়া আসা করতে গিয়ে সময় ব্যায় টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে বলেও ভোক্তভোগীরা জানান। একটি মামলার হাজিরা দিতে দিন অবদি অপেক্ষার পর দৈনিক সময় শেষ হয়ে গেলে বিফলে ফেরত হচ্ছে সেবাপ্রাপ্তিরা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ২০০৬ সালে জেলা আদালতের সাথে দূরত্ব সমীকরণ বিধিতে চকরিয়া চৌকি আদালত কক্সবাজার জেলা আদালতের সাথে সমন্বয় করার ঘোষণা দিলেও তদানিন্তন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়ার প্রত্যন্ত এলাকার বিবেচনায় চকরিয়া আদালত বহাল রাখেন। পরে চকরিয়া সিভিল জজ আদালত স্থাপন করা হয়। বর্তমানে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রায় ১১ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সিভিল আদালতে মামলা রয়েছে প্রায় ৯ হাজারের মতো।
পেকুয়া উপজেলার মামলার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও টইটং রাজাখালী মগনামা উজানটিয়ার মানুষ প্রায় ৬০/৬৫ কিলোমিটারের পথ অতিক্রম করে চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন।
পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছাফওয়ানুল করিম বলেন, পেকুয়া উপজেলার লোকজনের ভোগান্তি দূর করতে পেকুয়ায় আদালত স্থাপন করা হোক।
চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এড মিফতাহ উদ্দিন আহমদ বলেন চকোরিয়া সিভিল জজ আদালত ও জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যে পরিমাণ মামলা রয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ৩ জেলা মিলিয়ে এত মামলা নেই। এছাড়াও পটিয়া, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীতে যুগ্ম জেলা জজ আদালত থাকলেও চকরিয়ায় এ সুবিধা এখনো দেয়া হয়নি। সচেতন মানুষের বিশ্বাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রদক্ষেপ নিলে তিন চার উপজেলার মানুষের বিচারিক সুবিধা রক্ষা হবে।