| ১৩ মে ২০২৬

চকরিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

চকরিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

 

মনিরুল আমিন.চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হানা দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড, মাঝেরপাড়া এলাকায় এ দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মানিক পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন,চকরিয়া সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান মরহুম প্রফেসর আবু তাহের সিকদারের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। তারা প্রথমে বাড়ির কলাপসিবল গেইটের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর বাড়ির সদস্য কামরুল সিকদারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে।

এসময় ডাকাত দল কামরুল সিকদারের স্ত্রী ও মাকে জিম্মি করে আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতরা আলমারি ভেঙে নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং প্রায় সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী কামরুল সিকদার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন করে।

এদিকে,লক্ষ্যারচর এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অলিগলিতে মাদক ব্যবসা ও সেবন বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েছে।

এর আগে,বিশ্বরোড এলাকায় দুই নারী যাত্রীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এছাড়া বানিয়ারকুম এলাকায় বিএনপি নেতাসহ কয়েকজন পথচারীকেও দীর্ঘ সময় জিম্মি করে ডাকাতির শিকার হতে হয়েছে বলে জানা গেছে।

এসব ঘটনায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। একের পর এক ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জনমনে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদারের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের বিবৃতি 

কোন নাগরিককে অধিকার বঞ্চিত করা হলেআমলা প্রশাসন কাউকে ছাড়দেয়া হবেনা

চকরিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

 

পেইচবুক ওয়াল থেকে

আসসালামু আলাইকুম।

প্রিয় চকরিয়া ও কক্সবাজারবাসী,

আমি এনামুল হক,
সভাপতি, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি।

গত ১০/০৫/২০২৬ ইং, রোজ রবিবার, আজিজনগর চেয়ারম্যান লেক এ চকরিয়া উপজেলা বিএনপি, পেকুয়া উপজেলা বিএনপি. পৌরসভার বিএনপি ও মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি পিকনিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সকল সিনিয়র নেতৃত্ববৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ এবং তৃণমূলের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই জনগণের বিরুদ্ধে কোনো আমলা বা প্রশাসনের কেউ যদি দায়িত্বহীন আচরণ করে, বিধি মোতাবেক জনগণকে সহযোগিতা না করে কিংবা সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার করে, তাহলে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া কোনো অন্যায় নয়।

দুঃখজনক হলেও সত্য, একটি কুচক্রী মহল আমার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ভিডিও তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। অথচ যারা প্রতিনিয়ত রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে এসব মহলের কোনো বক্তব্য বা নেতিবাচক সংবাদ দেখা যায় না।

গত ১৭ বছরে প্রশাসনের কিছু অসাধু চক্রের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে অবমূল্যায়ন ও হয়রানির যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, চকরিয়ার সচেতন জনগণ সেই অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণ আর মেনে নেবে না। জনগণের অধিকার, সম্মান ও ন্যায্য দাবির পক্ষে থেকেই আমার বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের দল। বিএনপি জনগণের ভোট ও ভালোবাসার শক্তিতে রাজনীতি করে। তাই জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপি সবসময় সোচ্চার থাকবে এবং জনগণের পক্ষে কথা বলবে।

আমার বক্তব্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করে একটি মহল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। চকরিয়ায় জননেতা সালাহউদ্দিন আহমদ-এর নেতৃত্বে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থানে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে বিরোধী অপশক্তি এখন মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও নোংরা রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে।

পরিশেষে বলতে চাই, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি এবং আপামর জনসাধারণ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।

আমি এনামুল হক, সভাপতি, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি জনগণই আমার শক্তি, জনগণই আমার বিশ্বাস ও আস্থা।

বিএনপির সরকার কারো দয়ায় ক্ষমতায় আসেনি , জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। তাই জনগণের পক্ষে বিএনপি কথা বলবে।

ইনশাআল্লাহ, চকরিয়ার মাটিতে কোনো পরাজিত অপশক্তি, ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী কিংবা গুপ্ত রাজনীতির নোংরা চক্রান্ত সফল হবে না।

মহেশখালীতে ইউনুচখালীতে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের মাদক-জুয়া ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ

চকরিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি মোশারফ হোসাইন বলেন, “সমাজকে মাদক-জুয়া, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে আমরা কাজ করে যাবো। ”তিনি জানান, কালারমারছড়া এলাকাকে অপরাধ, মাদক, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে জীবন বাজি রেখে কাজ করবেন এবং প্রতিটি এলাকায় সচেতনতামূলক সমাবেশ আয়োজন করা হবে।
১২ মে ( মঙ্গলবার) দুপুর ২ টায় মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ায় ইউনুচখালী নাছির উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের হল রুমে আয়োজিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও মাদক প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্টানের সভাপতি মহেশখালী অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হোবাইব সজীব বলেছেন, মাদক ও ইভটিজিং বর্তমানে সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালারমারছড়া ইউনিয়নের সবখানেই মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশের অভিযান দাবী করেন।
মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুস সোলতানের দিকনির্দেশনায় কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের আয়োজনে মহেশখালী অনলাইন প্রেসক্লাব,কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরাম ও মহেশখালীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহেশখালী অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি হোবাইব সজীব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের এএস আই মোহাম্মদ হানিফ, ইউনুচখালী নাছির উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল হাদী,মাস্টার শামসুল আলম প্রমূখ।
মহেশখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক ফরিদুল আলম দেওয়ানের পরিচালনায় সভায় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক ইয়াছিন আরাফাত অনিক, রায়হান নিশান, শাহাদাত আলী প্রমূখ। এসময় স্কুলের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যা উন্নীত করণে অনুমোদন

চকরিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

 

মনিরুল আমিন

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর ফলে হাসপাতালটিতে বর্ধিত শয্যায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালুর পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো।

আজ সোমবার (১২ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-২ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন দুইটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি ও বর্ধিত শয্যায় সেবা কার্যক্রম চালুকরণে অর্থ বিভাগের সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার অনুমোদনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ জায়নুল আবেদীন গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহামদ মহোদয়ের আন্তরিক নির্দেশনা ও প্রচেষ্টার ফলেই চকরিয়ার মানুষের বহুদিনের দাবি বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। এর ফলে স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

তিনি আরও বলেন,বর্তমানে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ অত্যন্ত বেশি। ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় প্রতিদিনই দ্বিগুণেরও বেশি রোগী ভর্তি থাকেন। শয্যা বৃদ্ধি পেলে রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজ, মানসম্মত ও কার্যকর হবে। পাশাপাশি নতুন জনবল,চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝেও এ খবরে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, ১০০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার ফলে চকরিয়া ছাড়াও আশপাশের পেকুয়া, মহেশখালী ও পার্বত্য এলাকার বিপুল জনগোষ্ঠী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

চকরিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।