| ১৫ মে ২০২৬

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

  1. নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র, আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে মাঠে নেমেছেন পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট। এ যানজট নিরসনে নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক করে যাচ্ছেন যুবনেতা মুকুট।

স্থানীয় জনগণের ভোগান্তি লাঘব এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তিনি একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে পেকুয়ার প্রধান সড়কগুলোতে যানজট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বাজার এলাকা, স্কুল-কলেজ সংলগ্ন সড়ক এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং রোগী পরিবহনে এই যানজট বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
এ অবস্থায় যুবদল আহবায়ক নিজ উদ্যোগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাজারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিদর্শন করেন এবং যানজটের মূল কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “যানজট শুধু একটি সাময়িক সমস্যা নয়, এটি এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”
তিনি আরও জানান, অবৈধ পার্কিং, ফুটপাত দখল, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলই মূলত এই সমস্যার জন্য দায়ী। এসব নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।
যুবদল আহবায়কের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফুটপাত দখল মুক্ত এবং মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পেকুয়ার যানজট সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।
এ বিষয়ে যুবদল আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন বলেন, আমরা চাই পেকুয়া একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত হোক। যানজট নিরসনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থেই আমরা মাঠে নেমেছি এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশে পেকুয়া বাজারের অতিরিক্ত ইজারা বন্ধ করা হয়েছে। যাতে সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি পোহাতে না হয়।

মহেশখালী থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার- ১১

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১১ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৪ মে দিনব্যাপী মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মহেশখালী থানার পুলিশ তাদের কে গ্রেফতার করেছে ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জিআর (জেনারেল রেজিস্টার) ও সিআর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্টার) মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী হিসেবে পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইন, বন মামলা, মারামারি, চুরি ও অন্যান্য ফৌজদারি অপরাধে আদালতের পরোয়ানা ছিল।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামীদের মধ্যে রয়েছেন আবু সুফিয়ান, জেয়াসমিন আকতার, মোজাফফর আহমদ, শফি আলম, আনছার মিয়া, আহমদ উল্লাহ, আশারফ আলী, রফিক আলম, নুর মোহাম্মদ ও মোঃ দানুল হকসহ মোট ১১ জন। পুলিশের একাধিক টিম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

মহেশখালী থানা পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

অভিযান শেষে গ্রেপ্তারকৃতদের থানায় নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে তাদের কক্সবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুস সুলতান বলেন, “আইনের আওতায় সবাইকে আনতে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সন্ত্রাস, অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পেকুয়ায় চাঁদার দাবীতে ২শ বছরের বসতঘরের দ্বি তলার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক


নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় চাদার দাবীতে দুইশ বছরের বসতঘরের দ্বি তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ১৩ মে সকাল ৯টার দিকে পেকুয়া উপজেলার টইটং আলিগ্যাপাড়ায় মনোয়ারা বেগমের বসতঘরে এঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে, রিদুয়ান আবদুল করিমের আবু জাফর মনু,
আবুল বশর, মৃত আবুল হাসেমের ছেলে ফরহাদ সহ
উশৃংখল মহিলারা
ভোগদখলীয় মনোয়ারা বেগমের দুইশ বছরের
বসতঘরের দুতলায় ছাদের ঢালাই দেয়ার সময় চাঁদার দাবীতে শ্রমিক ও বাড়ীর লোকজনের ওপর হামলা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
নির্মাণ শ্রমিক আব্বাস বলেন, দ্বি তল ভবনের ছাদ নির্মাণের ঢালাই দেয়ার সময় আবু জাফর গং তাদের নির্দেশ ছাড়া কাজ এখানে কোন কাজ হবেনা বলে বন্ধ করে দেয়। ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে গালিগালাজ করে। তাদের নির্দেশ ছাড়া কাজ করলে মারধর ও দেখেনেয়ার হুমকি দিলে আমরা কাজ করতে পারছিনা।
বাড়ীর মালিক মনোয়ারা বেগম বলেন তার নানার সময় থেকে এই ঘর বাপ চাচার পর তিনি তার মা সুত্রে বসবাস করে আসছে। তার নামে জমাভাগ খতিয়ান সৃজন হয়েছে।
১৫ বছর পূর্বে পাকা বাড়ী নির্মাণ করেন। দ্বিতলার পিলার সহ নির্মাণ করে ছাদের সেন্টারিং করেছি হঠাৎ ঢালাই দেয়ার সময় আবু জাফর মনুরা তাদের সাথে সমঝোতা করে টাকা দাবী করে নির্মাণ কাজে বাঁধা প্রদান করেছে। ৪ লাখ টাকা না দেয়ায় শ্রমিকদের ও আমাদের ওপর হামলা করে তাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় ৯০ বছরের বয়োবৃদ্ধা শামসু আরা বলেন মনুয়ারা তার নানা মায়ের বংশপরম্পরায় বসত করে আসছে পাকা ঘর নির্মাণের ১৫ বছর পর দুইতলার ছাদ দেয়ার সময় মন রিদুয়ানরা বাঁধা দিচ্ছে।
ব্যবসায়ী নাছির বলেন, বহু কাল ধরে এই ঘরে মনুয়ারার নানার আমল থেকে বসবাস করে আসছে দুইতলার ছাদ নির্মাণের সময় আবু জাফর গং বাধা দিচ্ছে। সামাজিক অনেক বিচারে মনু রিদুয়ান গং ওই জায়গার মালিকানা নাপাওয়ায় তাদের বিরোধ মিমাংসার জন্য সীমানা নির্ধারণ খুটি দেয়া হয়েছে। খুটি থেকে ৫০ ফুট অদুরে পুরাতন বসতঘরে বাধা দিচ্ছে।
মনুয়ারার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন বলেন এই বসতঘর নিয়ে কখনো বিরোধ ছিলনা ছাদ নির্মাণের সময় হঠাৎ সমঝোতার কথা বলে টাকা দাবী করায় বিপাকে পড়েন।
তিনি চাঁদাবাজদের কবল থেকে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এসময় বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা প্রকল্পের ২নং গেইট বন্ধ করে দেন।

১৩ মে (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাইরার ডেইল এলাকায় প্রকল্প সংলগ্ন সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রকল্পে নিয়োজিত রুট’স (ROOTS) কোম্পানি শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি করছে। অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় যোগ্য শ্রমিকদের বাদ দিয়ে বাইরের লোক নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। তারা অবিলম্বে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়ার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আলী মেম্বার, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দীন মানিক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নাজেম উদ্দীন, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আরমানুল ইসলাম আরমান, ছাত্রনেতা সাজেদুল ইসলাম তোফায়েল, হামিদুল হক, হাবিব উল্লাহ, ছেনু আরা বেগম, ইসমত আরা, নুরুজ জাহান ও ফাতেমা বেগমসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, “মাতারবাড়ীর মানুষ নিজেদের জমি-ঘর হারিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ত্যাগ করেছে। এরপরেও চাকরির সময় স্থানীয়দের উপেক্ষা করা হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”

ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী মেম্বার বলেন, “স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু এখন নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। দ্রুত স্থানীয়দের চাকরির ব্যবস্থা না করলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

যুবদল নেতা রফিক উদ্দীন মানিক বলেন, “মাতারবাড়ীর মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানাচ্ছি। দাবি আদায় না হলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

নারী অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “আমাদের পরিবারের সদস্যরা বেকার। প্রকল্প আমাদের এলাকার হলেও চাকরি পাচ্ছে বাইরের লোকজন। স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।