| ১২ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী

লবণ চাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে

লবণ চাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে লবণ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং স্থানীয় লবণ চাষীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার উৎপাদন খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে লবণের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে লবণ চাষীদের জীবনমান উন্নয়ন সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয় বর্তমানে লবণ চাষীদের উৎপাদন খরচ পর্যালোচনা করছে যাতে তারা তাদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পান। দেশে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও ভোজ্য লবণের চাহিদা নিরূপণ করে আমদানির যৌক্তিকতা যাচাই করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, যথাযথ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যাতে দেশ লবণ উৎপাদনে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারে এবং চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি ও সীমান্ত উত্তেজনা সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভারতের কোনো অঙ্গরাজ্যে সরকার পরিবর্তন বা অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত (যেমন কাঁটাতার নির্মাণ) তাদের নিজস্ব বিষয়।

মন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলে না। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি সার্বক্ষণিক সজাগ রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও এর প্রভাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্যের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পুরাতন ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ধরণের কোনো পরিস্থিতির সত্যতা বা নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার মতো কোনো তথ্য স্বরাষ্ট্র বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই। তিনি জনগণকে এ ধরণের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।

চকরিয়ায় একাধিক মামলার আসামী সেলিম গ্রেফতার

লবণ চাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে

মনিরুল আমিন. চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ায় হত্যা,ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামী মো: সেলিম নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাতে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট রিজার্ভ পাড়া নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত সেলিম ওই এলাকার নুরুক আজিমের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়া থানার একটি বিশেষ টিম আজ ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট রিজার্ভ পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সেলিমকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ সদস্যরা।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,আটককৃত যুবকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

চলন্ত দুবাস চালকের আলাপ চেষ্টায় মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৪

লবণ চাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহণের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটনায় চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। চলন্ত অবস্থায় দুই বাসের চালকের নিজেদের মধ্যে কথা বলার চেষ্টা করা কালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যেক্ষদর্শীর দেওয়া তথ্যমতে, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী এবং চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী মারছা পরিবহনের দুটি বাস ওই এলাকায় পৌঁছালে চলন্ত অবস্থায় দুই চালক একে অপরের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং রাস্তার দুপাশে থাকা গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নারী যাত্রী প্রাণ হারান। সংঘর্ষে বাস দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ ফিরোজ খান জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের ভেতর ও নিচে আটকে পড়া ১০ জনের বেশি যাত্রীকে উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের অনেকের হাত কিংবা পা কেটে গেছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত পদুয়া ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি সালাহ উদ্দীন চৌধুরী জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

লবণ চাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

  1. নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র, আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে মাঠে নেমেছেন পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট। এ যানজট নিরসনে নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক করে যাচ্ছেন যুবনেতা মুকুট।

স্থানীয় জনগণের ভোগান্তি লাঘব এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তিনি একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে পেকুয়ার প্রধান সড়কগুলোতে যানজট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বাজার এলাকা, স্কুল-কলেজ সংলগ্ন সড়ক এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং রোগী পরিবহনে এই যানজট বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
এ অবস্থায় যুবদল আহবায়ক নিজ উদ্যোগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাজারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিদর্শন করেন এবং যানজটের মূল কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “যানজট শুধু একটি সাময়িক সমস্যা নয়, এটি এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”
তিনি আরও জানান, অবৈধ পার্কিং, ফুটপাত দখল, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলই মূলত এই সমস্যার জন্য দায়ী। এসব নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।
যুবদল আহবায়কের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফুটপাত দখল মুক্ত এবং মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পেকুয়ার যানজট সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।
এ বিষয়ে যুবদল আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন বলেন, আমরা চাই পেকুয়া একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত হোক। যানজট নিরসনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থেই আমরা মাঠে নেমেছি এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশে পেকুয়া বাজারের অতিরিক্ত ইজারা বন্ধ করা হয়েছে। যাতে সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি পোহাতে না হয়।