| ১৪ মে ২০২৬

পেকুয়ায় দিনব্যাপী বাগদা চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

পেকুয়ায় দিনব্যাপী বাগদা চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

 

এইচ, এম শহীদুল ইসলাম 

 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এক দিন ব্যাপী বাগদা চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭ ডিসেম্বর (রবিবার) পেকুয়া উপজেলা হল রুমে আয়োজিত ২০২৫/২৬ অর্থ রাজস্ব বাজেটের আওতায় বাগদা চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনা শীর্ষক এক দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

পেকুয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের বাস্তবায়নে বাগদা চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত ৪০ জন চিংড়ি চাষী এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

বাগদা চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয়(কুমিল্লা) মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন।

প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুব আলম মাহাবুব ও পেকুয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল আমিন।

অংশগ্রহণকারী চিংড়ি চাষীরা আগামীতে তাদের চিংড়ি খামারে চাষ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নুতন এ পদ্ধতিতে গ্রহণ করতে আশাবাদী।পেকুয়া উপকূলীয় এলাকা থেকে বাগদা চিংড়ি নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চিংড়ি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। আধুনিক পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ নিয়ে উপকূলীয় এলাকার চিংড়ি চাষীরা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে অধিক মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রশিক্ষকরা।

চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষণার্থী সহ উপজেলার মৎস্য অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পেকুয়ায় চাঁদার দাবীতে ২শ বছরের বসতঘরের দ্বি তলার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

পেকুয়ায় দিনব্যাপী বাগদা চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 


নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় চাদার দাবীতে দুইশ বছরের বসতঘরের দ্বি তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ১৩ মে সকাল ৯টার দিকে পেকুয়া উপজেলার টইটং আলিগ্যাপাড়ায় মনোয়ারা বেগমের বসতঘরে এঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে, রিদুয়ান আবদুল করিমের আবু জাফর মনু,
আবুল বশর, মৃত আবুল হাসেমের ছেলে ফরহাদ সহ
উশৃংখল মহিলারা
ভোগদখলীয় মনোয়ারা বেগমের দুইশ বছরের
বসতঘরের দুতলায় ছাদের ঢালাই দেয়ার সময় চাঁদার দাবীতে শ্রমিক ও বাড়ীর লোকজনের ওপর হামলা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
নির্মাণ শ্রমিক আব্বাস বলেন, দ্বি তল ভবনের ছাদ নির্মাণের ঢালাই দেয়ার সময় আবু জাফর গং তাদের নির্দেশ ছাড়া কাজ এখানে কোন কাজ হবেনা বলে বন্ধ করে দেয়। ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে গালিগালাজ করে। তাদের নির্দেশ ছাড়া কাজ করলে মারধর ও দেখেনেয়ার হুমকি দিলে আমরা কাজ করতে পারছিনা।
বাড়ীর মালিক মনোয়ারা বেগম বলেন তার নানার সময় থেকে এই ঘর বাপ চাচার পর তিনি তার মা সুত্রে বসবাস করে আসছে। তার নামে জমাভাগ খতিয়ান সৃজন হয়েছে।
১৫ বছর পূর্বে পাকা বাড়ী নির্মাণ করেন। দ্বিতলার পিলার সহ নির্মাণ করে ছাদের সেন্টারিং করেছি হঠাৎ ঢালাই দেয়ার সময় আবু জাফর মনুরা তাদের সাথে সমঝোতা করে টাকা দাবী করে নির্মাণ কাজে বাঁধা প্রদান করেছে। ৪ লাখ টাকা না দেয়ায় শ্রমিকদের ও আমাদের ওপর হামলা করে তাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় ৯০ বছরের বয়োবৃদ্ধা শামসু আরা বলেন মনুয়ারা তার নানা মায়ের বংশপরম্পরায় বসত করে আসছে পাকা ঘর নির্মাণের ১৫ বছর পর দুইতলার ছাদ দেয়ার সময় মন রিদুয়ানরা বাঁধা দিচ্ছে।
ব্যবসায়ী নাছির বলেন, বহু কাল ধরে এই ঘরে মনুয়ারার নানার আমল থেকে বসবাস করে আসছে দুইতলার ছাদ নির্মাণের সময় আবু জাফর গং বাধা দিচ্ছে। সামাজিক অনেক বিচারে মনু রিদুয়ান গং ওই জায়গার মালিকানা নাপাওয়ায় তাদের বিরোধ মিমাংসার জন্য সীমানা নির্ধারণ খুটি দেয়া হয়েছে। খুটি থেকে ৫০ ফুট অদুরে পুরাতন বসতঘরে বাধা দিচ্ছে।
মনুয়ারার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন বলেন এই বসতঘর নিয়ে কখনো বিরোধ ছিলনা ছাদ নির্মাণের সময় হঠাৎ সমঝোতার কথা বলে টাকা দাবী করায় বিপাকে পড়েন।
তিনি চাঁদাবাজদের কবল থেকে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ

পেকুয়ায় দিনব্যাপী বাগদা চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এসময় বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা প্রকল্পের ২নং গেইট বন্ধ করে দেন।

১৩ মে (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাইরার ডেইল এলাকায় প্রকল্প সংলগ্ন সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রকল্পে নিয়োজিত রুট’স (ROOTS) কোম্পানি শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি করছে। অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় যোগ্য শ্রমিকদের বাদ দিয়ে বাইরের লোক নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। তারা অবিলম্বে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়ার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আলী মেম্বার, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দীন মানিক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নাজেম উদ্দীন, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আরমানুল ইসলাম আরমান, ছাত্রনেতা সাজেদুল ইসলাম তোফায়েল, হামিদুল হক, হাবিব উল্লাহ, ছেনু আরা বেগম, ইসমত আরা, নুরুজ জাহান ও ফাতেমা বেগমসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, “মাতারবাড়ীর মানুষ নিজেদের জমি-ঘর হারিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ত্যাগ করেছে। এরপরেও চাকরির সময় স্থানীয়দের উপেক্ষা করা হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”

ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী মেম্বার বলেন, “স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু এখন নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। দ্রুত স্থানীয়দের চাকরির ব্যবস্থা না করলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

যুবদল নেতা রফিক উদ্দীন মানিক বলেন, “মাতারবাড়ীর মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানাচ্ছি। দাবি আদায় না হলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

নারী অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “আমাদের পরিবারের সদস্যরা বেকার। প্রকল্প আমাদের এলাকার হলেও চাকরি পাচ্ছে বাইরের লোকজন। স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের বিবৃতি 

কোন নাগরিককে অধিকার বঞ্চিত করা হলেআমলা প্রশাসন কাউকে ছাড়দেয়া হবেনা

পেকুয়ায় দিনব্যাপী বাগদা চিংড়ি চাষের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

 

পেইচবুক ওয়াল থেকে

আসসালামু আলাইকুম।

প্রিয় চকরিয়া ও কক্সবাজারবাসী,

আমি এনামুল হক,
সভাপতি, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি।

গত ১০/০৫/২০২৬ ইং, রোজ রবিবার, আজিজনগর চেয়ারম্যান লেক এ চকরিয়া উপজেলা বিএনপি, পেকুয়া উপজেলা বিএনপি. পৌরসভার বিএনপি ও মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি পিকনিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সকল সিনিয়র নেতৃত্ববৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ এবং তৃণমূলের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই জনগণের বিরুদ্ধে কোনো আমলা বা প্রশাসনের কেউ যদি দায়িত্বহীন আচরণ করে, বিধি মোতাবেক জনগণকে সহযোগিতা না করে কিংবা সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার করে, তাহলে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া কোনো অন্যায় নয়।

দুঃখজনক হলেও সত্য, একটি কুচক্রী মহল আমার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ভিডিও তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। অথচ যারা প্রতিনিয়ত রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে এসব মহলের কোনো বক্তব্য বা নেতিবাচক সংবাদ দেখা যায় না।

গত ১৭ বছরে প্রশাসনের কিছু অসাধু চক্রের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে অবমূল্যায়ন ও হয়রানির যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, চকরিয়ার সচেতন জনগণ সেই অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণ আর মেনে নেবে না। জনগণের অধিকার, সম্মান ও ন্যায্য দাবির পক্ষে থেকেই আমার বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের দল। বিএনপি জনগণের ভোট ও ভালোবাসার শক্তিতে রাজনীতি করে। তাই জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপি সবসময় সোচ্চার থাকবে এবং জনগণের পক্ষে কথা বলবে।

আমার বক্তব্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করে একটি মহল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। চকরিয়ায় জননেতা সালাহউদ্দিন আহমদ-এর নেতৃত্বে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থানে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে বিরোধী অপশক্তি এখন মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও নোংরা রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে।

পরিশেষে বলতে চাই, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি এবং আপামর জনসাধারণ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।

আমি এনামুল হক, সভাপতি, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি জনগণই আমার শক্তি, জনগণই আমার বিশ্বাস ও আস্থা।

বিএনপির সরকার কারো দয়ায় ক্ষমতায় আসেনি , জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। তাই জনগণের পক্ষে বিএনপি কথা বলবে।

ইনশাআল্লাহ, চকরিয়ার মাটিতে কোনো পরাজিত অপশক্তি, ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী কিংবা গুপ্ত রাজনীতির নোংরা চক্রান্ত সফল হবে না।