| ২৪ এপ্রিল ২০২৬

৩১শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪০ছাড়িয়েছে, চলছে স্বাস্থ্যসেবা

৩১শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪০ছাড়িয়েছে, চলছে স্বাস্থ্যসেবা

 

মোহাম্মদ ইউনুছ
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে রোগীর সংখ্যা।
হাসপাতালের জরুরি ও বহির্বিভাগের পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে অসংখ্য রোগী।

শুক্রবার (২৪ই এপ্রিল) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ৩১ শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে গড়ে ১৪০ রোগী আন্তঃবিভাগে ভর্তি হয়ে সেবা নিচ্ছেন। হঠাৎ রোগী বৃদ্ধিতে চাপ সামলাতে ও সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

এছাড়া, উক্ত হাসপাতালে আউটডোর ওয়ান স্টোপ, ভায়া ও এনসিডি কর্নার সার্ভিস চালু আছে। টিকেট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। চিকিৎসক দেখিয়ে সরকারি বিনামূল্যের ওষুধ সংগ্রহ করছেন রোগীরা।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ডিউটিরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাহমিদুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে ডায়রিয়া, বমি, নিউমনিয়া, জ্বর, চর্মরোগ, প্রসূতি, পেট ব্যথা ও হামসহ নানা রোগের লক্ষণ নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা আসতেছেন। জরুরি সেবা দিয়ে অসংখ্য রোগাকে বাড়িতে পাঠাচ্ছি তবেও উপচে পড়া রোগীর ভিড়।

এবিষয়ে, পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান জানান-হঠাৎ করে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার ও নার্সিং অফিসারদের ডিউটি করতে হিমসীম খেতে হচ্ছে। আজকে ইনডোরে হাম রোগীসহ ১৪০জন রোগী ভর্তি আছেন। যেভাবে রোগী ভর্তি হচ্ছেন, রোগীর চাপ আরো বাড়তে পারে। বিশেষ করে ডায়েরিয়া ও নিউমনিয়া, হদম রোগের বাচ্ছারা বেশি ভর্তি আছে। বেড সীমিত হওয়ার কারনে ফ্লোরিং করে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করছি আমরা। আমাদের ৩১শয্যা হাসপাতালে ৩১জন রোগী অনুযায়ী স্টাফ রয়েছে। তবুও স্টাফদের রোস্টার অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা চালিয়ে যাচ্ছি।

পেকুয়ায় হাসপাতালে ৮হাম রোগী ভর্তি

৩১শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪০ছাড়িয়েছে, চলছে স্বাস্থ্যসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
পেকুয়া উপজেলায় হাম আক্রান্ত হয়ে ৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া আরো চারজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, হাম রোগের সম্ভাব্য বিস্তার ঠেকাতে স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এ লক্ষ্যে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর প্রস্তুত রয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান বলেন, হাম পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু হলে আক্রান্তদের আলাদাভাবে চিকিৎসা দেওয়া সহজ হবে। পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তকরণ কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।

জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পেকুয়ার রাজাখালীতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মহিলা মেম্বারকে মারধরের অভিযোগ

৩১শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪০ছাড়িয়েছে, চলছে স্বাস্থ্যসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক
পেকুয়ায় রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি সদস্য নুরুল আবছার প্রকাশ কর্তৃক বয়োবৃদ্ধ লোককে মারধর করার প্রতিবাদ করায় মহিলা মেম্বারকেও মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে রাজাখালী ৬ নং ওয়ার্ডের নেজাম উদ্দিনের স্ত্রী একই ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগম বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।
গত ২০ এপ্রিল দুপুর ১ টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে জানা যায়, রাজাখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল আবছার বদু একই ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫,৬ নং সংরক্ষিত নির্বাচিত মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগমকে কুরুচিপূর্ণ কথা ইজ্জতহানি করে আসছে। তার অনৈতিক কার্যকলাপের কারণে মান সম্মান নিয়ে চলাফেরা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মহিলা ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগম অভিযোগ করেন-আমি একজন অসহায় মহিলা সদস্য হিসেবে বদু মেম্বারের ভীতিকর অবস্থায় থাকি। ওই ইউপি সদস্য সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সব সময় চলাফেরা করে। ঘটনার দিন ইউনিয়ন পরিষদে মৎস্য কার্ডের চাল বিতরণের সময় একজন প্রতিবন্ধীকে আগে চাল দেওয়ায় ওই ইউপি সদস্য ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে মারধর করায় আমি প্রতিবাদ করি। এ সময় বিবাদী আমার গলা চেপে ধরে গলার দুই পাশে জখম করে। তাছাড়া ইউপি সদস্য বদু মেম্বার আমার এলোপাতাড়ি কিল, ঘুসি, লাথি মারে বুকে ও তলপেটে জখম করে। বিবাদী পুনরায় লাঠি দ্বারা আমাকে আঘাত করে ডান হাতে ও মাথার বাম পাশে ফুলা জখম করে। বিবাদী আমার কাপড় ছোপড় ছিড়ে ফেলে শ্লীলতাহানি করে। এ সময় বদু মেম্বার আমার মানি ব্যাগ কেড়ে নিয়ে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ফেলে। এরপর বিবাদী আমার গলা চেপে ধরে স্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টা করে। এ সময় আশপাশে থাকা ইউপি সদস্য ও লোকজন এসে আমাকে রক্ষা করে। আমাকে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিনার এমদাদুল হক শরীফ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চকরিয়ায় বেড়িবাঁধে যুবকের মরদেহ,এলাকায় চাঞ্চল্য

৩১শয্যা পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪০ছাড়িয়েছে, চলছে স্বাস্থ্যসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক 

অলি উল্লাহ রনি, স্টাফ রিপোর্টার চকরিয়া: কক্সবাজারের চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হাজিয়ান এলাকায় মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী বেড়িবাঁধের পাশে এক যুবকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত যুবকের নাম সাকিব (২৬)। তিনি উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ হাজিয়ান আলীপাড়া এলাকার বাসিন্দা কফিল উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সকালে লোকজন বেড়িবাঁধ এলাকায় গেলে সাকিবের মরদেহ দেখতে পায়। পরে বিষয়টি দ্রুত পুলিশকে জানানো হয়। এলাকাবাসীর ধারণা,দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখে গেছে। তবে হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন দৈনিক আজকের দেশবিদেশকে বলেন,স্হানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা হাজিয়ান এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করেছি। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

এটি হত্যাকান্ড না কোন দুর্ঘটনা,তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশের পক্ষ থেকে নিহতের পরিচয় সনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। প্রত্যক্ষ দর্শীরা।