| ১৫ মে ২০২৬

গ্রেফতার এড়াতে পুকুরে ঝুাঁপ দিলেন আসামি,অবশেষে…..

গ্রেফতার এড়াতে পুকুরে ঝুাঁপ দিলেন আসামি,অবশেষে…..

 

 

মনিরুল আমিনমহেশখালী

 

আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত আসামীকে ধরতে গেলেন। পুলিশ দেখে পাশ্ববর্তী পুকুরে ঝুাঁপ দেন আসামী। পরে তাকে অনেক বুঝিয়ে কূলে তুলে নিয়ে আসে পুলিশ। অবশেষে গ্রেফতার পরোয়ানা ভুক্ত আসামী।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজুল রহমানের ছেলে আবু বক্কর (৪৫)। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এরপর থেকে দীর্ঘদিন তিনি পলাতক ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তাকে গ্রেফতার করতে যায় পুলিশের একটি দল।

চকরিয়া থানা সুত্রে জানা যায়,থানার এসআই সুজন বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি দল গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আবু বক্করকে ধরতে উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগর ঘোনা এলাকায় যায়। এ সময় পুলিশ দেখে পার্শ্ববর্তী পুকুরে ঝাঁপ দেন পলাতক আসামি আবু বক্কর। ঝাঁপ দেওয়ার পর পুকুরের পানিতে সাঁতরাতে সাঁতরাতে এদিক-ওদিক ছুটতে থাকেন।

পুলিশ তাকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে কূলে তুলে আনেন। পরে তাকে ঠান্ডা থেকে বাঁচ‍াতে কাপড় পরিয়ে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

চকরিয়া থানার এসআই সুজন বড়ুয়া বলেন,আমাদের দেখে আবু বক্কর পুকুরে ঝাঁপ দেন। পুকুর থেকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে কূলে তুলে এনে গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসি। তার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।আদালতের নির্দেশে আবু বক্করকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মহেশখালী থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার- ১১

গ্রেফতার এড়াতে পুকুরে ঝুাঁপ দিলেন আসামি,অবশেষে…..

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১১ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৪ মে দিনব্যাপী মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মহেশখালী থানার পুলিশ তাদের কে গ্রেফতার করেছে ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জিআর (জেনারেল রেজিস্টার) ও সিআর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্টার) মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী হিসেবে পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইন, বন মামলা, মারামারি, চুরি ও অন্যান্য ফৌজদারি অপরাধে আদালতের পরোয়ানা ছিল।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামীদের মধ্যে রয়েছেন আবু সুফিয়ান, জেয়াসমিন আকতার, মোজাফফর আহমদ, শফি আলম, আনছার মিয়া, আহমদ উল্লাহ, আশারফ আলী, রফিক আলম, নুর মোহাম্মদ ও মোঃ দানুল হকসহ মোট ১১ জন। পুলিশের একাধিক টিম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

মহেশখালী থানা পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

অভিযান শেষে গ্রেপ্তারকৃতদের থানায় নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে তাদের কক্সবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুস সুলতান বলেন, “আইনের আওতায় সবাইকে আনতে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সন্ত্রাস, অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

পেকুয়ায় চাঁদার দাবীতে ২শ বছরের বসতঘরের দ্বি তলার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা

গ্রেফতার এড়াতে পুকুরে ঝুাঁপ দিলেন আসামি,অবশেষে…..


নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় চাদার দাবীতে দুইশ বছরের বসতঘরের দ্বি তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ১৩ মে সকাল ৯টার দিকে পেকুয়া উপজেলার টইটং আলিগ্যাপাড়ায় মনোয়ারা বেগমের বসতঘরে এঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে, রিদুয়ান আবদুল করিমের আবু জাফর মনু,
আবুল বশর, মৃত আবুল হাসেমের ছেলে ফরহাদ সহ
উশৃংখল মহিলারা
ভোগদখলীয় মনোয়ারা বেগমের দুইশ বছরের
বসতঘরের দুতলায় ছাদের ঢালাই দেয়ার সময় চাঁদার দাবীতে শ্রমিক ও বাড়ীর লোকজনের ওপর হামলা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
নির্মাণ শ্রমিক আব্বাস বলেন, দ্বি তল ভবনের ছাদ নির্মাণের ঢালাই দেয়ার সময় আবু জাফর গং তাদের নির্দেশ ছাড়া কাজ এখানে কোন কাজ হবেনা বলে বন্ধ করে দেয়। ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে গালিগালাজ করে। তাদের নির্দেশ ছাড়া কাজ করলে মারধর ও দেখেনেয়ার হুমকি দিলে আমরা কাজ করতে পারছিনা।
বাড়ীর মালিক মনোয়ারা বেগম বলেন তার নানার সময় থেকে এই ঘর বাপ চাচার পর তিনি তার মা সুত্রে বসবাস করে আসছে। তার নামে জমাভাগ খতিয়ান সৃজন হয়েছে।
১৫ বছর পূর্বে পাকা বাড়ী নির্মাণ করেন। দ্বিতলার পিলার সহ নির্মাণ করে ছাদের সেন্টারিং করেছি হঠাৎ ঢালাই দেয়ার সময় আবু জাফর মনুরা তাদের সাথে সমঝোতা করে টাকা দাবী করে নির্মাণ কাজে বাঁধা প্রদান করেছে। ৪ লাখ টাকা না দেয়ায় শ্রমিকদের ও আমাদের ওপর হামলা করে তাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় ৯০ বছরের বয়োবৃদ্ধা শামসু আরা বলেন মনুয়ারা তার নানা মায়ের বংশপরম্পরায় বসত করে আসছে পাকা ঘর নির্মাণের ১৫ বছর পর দুইতলার ছাদ দেয়ার সময় মন রিদুয়ানরা বাঁধা দিচ্ছে।
ব্যবসায়ী নাছির বলেন, বহু কাল ধরে এই ঘরে মনুয়ারার নানার আমল থেকে বসবাস করে আসছে দুইতলার ছাদ নির্মাণের সময় আবু জাফর গং বাধা দিচ্ছে। সামাজিক অনেক বিচারে মনু রিদুয়ান গং ওই জায়গার মালিকানা নাপাওয়ায় তাদের বিরোধ মিমাংসার জন্য সীমানা নির্ধারণ খুটি দেয়া হয়েছে। খুটি থেকে ৫০ ফুট অদুরে পুরাতন বসতঘরে বাধা দিচ্ছে।
মনুয়ারার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন বলেন এই বসতঘর নিয়ে কখনো বিরোধ ছিলনা ছাদ নির্মাণের সময় হঠাৎ সমঝোতার কথা বলে টাকা দাবী করায় বিপাকে পড়েন।
তিনি চাঁদাবাজদের কবল থেকে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ

গ্রেফতার এড়াতে পুকুরে ঝুাঁপ দিলেন আসামি,অবশেষে…..

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে স্থানীয়দের চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এসময় বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা প্রকল্পের ২নং গেইট বন্ধ করে দেন।

১৩ মে (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মাতারবাড়ী ইউনিয়নের সাইরার ডেইল এলাকায় প্রকল্প সংলগ্ন সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রকল্পে নিয়োজিত রুট’স (ROOTS) কোম্পানি শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতি করছে। অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় যোগ্য শ্রমিকদের বাদ দিয়ে বাইরের লোক নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে। তারা অবিলম্বে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়ার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আলী মেম্বার, মাতারবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দীন মানিক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি নাজেম উদ্দীন, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আরমানুল ইসলাম আরমান, ছাত্রনেতা সাজেদুল ইসলাম তোফায়েল, হামিদুল হক, হাবিব উল্লাহ, ছেনু আরা বেগম, ইসমত আরা, নুরুজ জাহান ও ফাতেমা বেগমসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, “মাতারবাড়ীর মানুষ নিজেদের জমি-ঘর হারিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ত্যাগ করেছে। এরপরেও চাকরির সময় স্থানীয়দের উপেক্ষা করা হচ্ছে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”

ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী মেম্বার বলেন, “স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু এখন নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। দ্রুত স্থানীয়দের চাকরির ব্যবস্থা না করলে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

যুবদল নেতা রফিক উদ্দীন মানিক বলেন, “মাতারবাড়ীর মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানাচ্ছি। দাবি আদায় না হলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

নারী অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “আমাদের পরিবারের সদস্যরা বেকার। প্রকল্প আমাদের এলাকার হলেও চাকরি পাচ্ছে বাইরের লোকজন। স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।