| ২৪ জুন ২০২৬

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: null; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 2;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 40;

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত গত ১বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুচ চৌধুরী হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়ায় সহকারী কমিশনার ভূমি নুর পেয়ারা বেগমকে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর তিনি গ্রাম আদালতের কোন কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করেননি। নিয়মিত প্যানেল বোর্ডও আওয়ামীলীগ সমর্থিত হওয়ায় গ্রাম আদালত অকার্যকর রয়েছে। ১৫সেপ্টম্বর দুপুর ১২টার দিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতের এজলাসে পরিষদের প্রশাসক নুর পেয়ারা বেগম অভিবাসন নিয়ে কাজ করে ঋওখগঝ৪চঊঅঈঊ ঋঙটঘউঅঞওঙঘ এর কাছে নালিশকৃত একটি অভিবাসন বিরোধ নিস্পত্তির জন্য বসলে ইউপি সদস্যদের না জানানোকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্যদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইউপি সদস্যরা সরাসরি বিচার কার্যক্রমে উপস্থিত হয়ে তাদের কোন প্রকার না জানিয়ে হঠাৎ বিচার আয়োজন করায় আক্রোশ প্রকাশ করলে এসিল্যান্ড তড়িগড়ি করে বিচার কার্যক্রম মুলতবি ঘোষণা করে চলে আসেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যরা ফিল্মসফোরপিচ ফাউন্ডেশনের চকরিয়া পেকুয়া কো অর্ডিনেটর রাহাত ও শিলখালী ইউনিয়ন জিএমসির সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা কমর উদ্দিনকে ঘিরে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। তাদের অভিযোগ এসিল্যান্ড নুর পেয়ারা বেগমকে ১বছর ধরে প্রশাসক নিয়োগ করলেও তিনি একটি বিচারও করেননি। এখন চকরিয়ার একটি বিচার কাউকে না জানিয়ে এমনকি বিবাদী ৯নং ওয়ার্ড়ের বাসিন্দা হলেও স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেমকে পর্যন্ত অবগত না করে পরিষদের এজলাসে বিচারের আয়োজন করেন।
জানাযায়, চকরিয়ার সাহারবিলের দেলোয়ার হোসেন কর্তৃক পেকুয়া উপজেলার মগনামা ৯নং ওয়ার্ড়ের আবু তালেবের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন। এ বিরোধটি নিস্পত্তির জন্য উপজেলা জিএমসি সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মইনুল হোসেনে চৌধুরীর কাছে উপস্থাপন করলে ইউএনও মগনামা ইউনিয়নের প্রশাসক নুর পেয়ারা বেগমকে দায়িত্ব প্রদান করেন।
দায়িত্ব প্রাপ্ত এনজিও প্রতিনিধি রাহাত বলেন, অভিযোগটি পাওয়ার পর পূর্ব থেকে যথাযথ যোগাযোগ করে সালিশের আয়োজন করতে মগনামা ই্উনিয়ন পরিষদের প্রাশাসক ও সচিবকে বলা হয়েছে তাদের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী বাদী বিবাদীকে নিয়ে সালিশে বসা হয়েছে। কাউকে না ডেকে থাকলে সেটি পরিষদের ব্যাপার। এব্যাপারে মগনামা ইউপি সচিব আবদুররাজ্জাকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসক মহোদয় পূর্ব থেকে তাকে অবগত করেননি। এনজিও প্রতিনিধি ফোন করেছিলেন একটি অনুষ্ঠানের কথা বলে বিচারের কথা তাকে কেউ বলেননি।
মগনামা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান-১ বদিউল আলম বলেন, ১বছরধরে পরিষদে কোন প্রকার গ্রাম আদালত বসছেনা। মেম্বাররা যতটুকু পারছেন স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় বিচার সালিশ করতেছেন। গ্রাম আদালত বসিয়ে বিচার করা সম্ভব হয়নি সেক্ষেত্রে হঠাৎ করে ভিন্ন উপজেলার একটি বিষয় নিয়ে বিচারের আয়োজন করায় সবার মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ৯নং ওয়ার্ড় সদস্য আবুল কাশেম বলেন, হাজার হাজার মানুষ বিচার বঞ্চিত থাকলেও প্রশাসক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি এখন হঠাৎ বিচার করায় লোকজনের কাছে মেম্বাররা প্রশ্ন বিদ্দ হয়ে পড়েছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার ভূমি নুর পেয়ারা বেগম সুস্পষ্ট প্রমান না থাকায় উক্ত সালিশ কমিটির সমন্বয়ক রাহাতকে বাদীকে উচ্চ আদালতের শরনাপন্ন হতে পরামর্শ দিতে নির্দেশ দেন। এব্যাপারে এসিল্যান্ড নুর পেয়ারা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন প্রকার মন্তব্য করতে রাজি হননি।

৬ মাস যাবত ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই নারী!

পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়দানকারী নারী আটক

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই নারীকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশ। আটককৃত নারীর নাম হাছিনা আক্তার। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আবুল হাসেম ও বুলু আরার মেয়ে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাছিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে মগনামা এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। এ পরিচয় ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব খাটিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী ও পরিষদের সকল সদস্য সচিবকে ডিজিএফআইয়ের সদস্য পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করে আসছিল। দুজন ইউপি সদস্যকে ৫ মিনিটের ভিতর তার বাসায় গিয়ে দেখা করা চাল বিতরণের সময় বিভিন্ন অযুহাত দাড় করিয়ে চাল হাতিয়ে নেয়া বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যক্তিগত দূর্বলতা খুঁজে হয়রানি করা অভিযোগ রয়েছে ওই নারীর বিরুদ্ধে।
ওই নারী চন্দনাইশ থেকে পেকুয়ার মগনামা লঞ্চ ঘাটের পাশে রিদুয়ান নামক এক ব্যক্তির ভাড়া বাসায় ৬ মাস পূর্ব থেকে দুটি বাচ্চা সহ বসবাস করে আসছেন। তার স্বামী সেনা কর্মকর্তা দুবাই মিশনে আছেন তিনি এখানে ডিজিএফআইয়ের দায়িত্বে আছেন এমন পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, ওই নারীর চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের একপর্যায়ে ওই নারী ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন বলে নিশ্চিত হন তিনি। পরে মঙ্গলবার রাতে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অধিকাংশ ইউপি সদস্যদের এই নারী কোনো এক দূরভী মিশন বাস্তবায়নের হীন প্রচেষ্টারত ছিলেন কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। তাকে দিয়ে এখানে কোন দূষ্ঠ চক্র খেলছে কিনা তাও তদন্ত করার প্রয়োজন আছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়দানকারী এক নারীকে মগনামা থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

মনিরুল আমিন.চকরিয়া

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের পোকখালী রেড ক্রিসেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ২ টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের তালা ভেঙে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে মূল্যবান শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়।

প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন জানান,চোরেরা শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ল্যাপটপ,প্রজেক্টর, সিসিটিভি ক্যামেরা,ইন্টারনেট রাউটার,ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার সরঞ্জামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে। আজ সকালে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে তিনি দেখতে পান চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষক বলেন,এ বিষয়ে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান,একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের চুরির ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এতে শুধু সরকারি সম্পদের ক্ষতি হয়নি,বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পেকুয়ার মগনামায় এসিল্যান্ডের অভিবাসন বিচার নিয়ে ইউপি সদস্যদের হট্টগোল

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।