| ১৩ জুন ২০২৬

উপকূলীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গঠিত হলো সিওয়াইএসডিএফ

উপকূলীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গঠিত হলো সিওয়াইএসডিএফ

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের সামাজিক উন্নয়ন, যুব ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কমিউনিটি গঠনের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে কোস্টাল ইয়ুথ অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (সিওয়াইএসডিএফ)। সম্প্রতি সংগঠনটির নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ঘোষিত নির্বাহী কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাহ মোহাম্মদ মিরাদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাশেদ খান। এছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন মো. শাহিনুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন, নারীকল্যাণ সম্পাদক সাকি জাওয়ানা চৌধুরী নিশাত।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন আব্দুল মতিন তামজিদ, নওশাদ হোসাইন নুরশেদ, জয়নাল আবেদীন (তাহাসিন) এবং মিনহাজুর রহমান রেজভী।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলা, শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্যে কাজ করবে সিওয়াইএসডিএফ।
তারা আরও বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও টেকসই সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে সংগঠনটি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

সংগঠনের নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে সকল শুভানুধ্যায়ী, সমাজসেবী ব্যক্তি, উন্নয়নকর্মী এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করা হয়েছে। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনা সম্ভব হবে।

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তি প্রস্তর. মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তি প্রস্তর. চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনালে জনসভায় ভাষন দিবেন

পেকুয়া চকরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী আজ আসছেন

উপকূলীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গঠিত হলো সিওয়াইএসডিএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান আজ (শনিবার, ১৩ জুন) কক্সবাজারের পেকুয়া চকরিয়া ও মাতামুহুরিতে সফরে আসছেন।

তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে চকরিয়া পেকুয়া ও মাতামুহুরি উপজেলা জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
ইতি মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যে সব স্থানে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি রয়েছে সে সব স্থান প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা ছাড়াও জেলা বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ স্থানীয় বিএনপি পরিদর্শন করেন। সর্বশেষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নিজেই পরিদর্শন করেন।
জনসভাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার সকাল পৌনে ১০টায় তিনি কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে মাছুয়াখালী খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। দুপুর সোয়া ১২টায় ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশব্যাপী ২৫ কোটি রকমারি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
পরে বিকেল ১টায় তিনি পেকুয়ার মেহেরনামা এলাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ছাত্রদলনেতা ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বিকেল দেড়টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বিকেল সোয়া ২টায় নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
সফরের শেষ পর্যায়ে বিকেল ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এমপি।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ এনামুল হক জানান, জনসভাকে কেন্দ্র করে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম বাহাদুর শাহ বলেন, পেকুয়া উপজেলার প্রবেশ পথ পহরচাদা মাদ্রাসা গেইট থেকে পেকুয়া চৌমুহনী মোড় পর্যন্ত মানব সারি করে প্রধানমন্ত্রীকে গন সংবর্ধনা দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
চকরিয়া- পেকুয়া সার্কেল এএসপি অভিজিৎ বলেন, নির্ধারিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব নিরাপত্তা দলও পেকুয়ায় অবস্থান করছেন।
এদিকে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ চকরিয়া পৌর বাসটার্মিনাল মাঠে জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন এবং প্রস্তুতি কার্যক্রমের পরিদর্শন শেষে তিনি পেকুয়ার নিজ বাসভবনে অবস্থান নেন।

কউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন

উপকূলীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গঠিত হলো সিওয়াইএসডিএফ

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়ার ইন্জিনিয়ার মো. জসিম উদ্দিন গতকাল বৃহস্পতিবার (১১জুন) কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬-এর ধারা ৮(২) অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (গ্রেড-২) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

এ নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে।
তিনি ২০২০ সালে যমুনা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেড থেকে দীর্ঘ চাকুরী শেষে
জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
তিনি পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা আধাখালী হাজীর বাড়ীর মরহুম মাষ্টার কামাল হোছাইনের দ্বিতীয় সন্তান।

তাঁর স্ত্রী ডা. আসমা চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের লালখান বাজার মমতা মাতৃসদন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে জয়িতা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। ছেলে আসমাত জোবায়ের ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করে একটি বিশ্বিবদ্যালয়ে পড়ছে।

প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন ছাড়াও তাঁর আরও দুজন ভাই রয়েছেন। একজন ডা. নাসির উদ্দিন। তিনি কবি ও সাহিত্যিক। দীর্ঘ সময় ইস্টার্ন রিফাইনারীর চাকরিতে কাটিয়ে অবসর নিয়েছেন। আরেক ভাই এ্যাডভোকেট বেলাল উদ্দিন ১৯৯৩ সালে ৪ ডিসেম্বর তরুন বয়সে  চকরিয়া থানা এলাকায় পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। জসিম উদ্দিনের দুই বোন রোকেয়া বেগম ও আরিফা বেগম পেশায় গৃহিণী।

এছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পরিচালক থাকা অবস্থায় ১৯৮৭ সালে মারা যান তাঁর শ্বশুর মাহবুবুল আলম।

জসিম উদ্দিন শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে এসএসসি পাস করেছিলেন বোর্ড স্ট্যান্ড কৃতিত্বের সাথে। পরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে বের হন। যমুনা অয়েলের জিএম হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল ঈর্ষানীয়।

২০ হাজার মামলা চকরিয়া আদালতে বিচারাধীন

চকরিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালত ও পেকুয়ায় পৃথক আদালত স্থাপনই হতে পারে ভোগান্তির অবসান

উপকূলীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গঠিত হলো সিওয়াইএসডিএফ

চকরিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালত ও পেকুয়ায় পৃথক আদালত স্থাপনই হতে পারে ভোগান্তির অবসান

পেকুয়া উপজেলার বয়স ২৪ বছর শেষ হলেও আদালত স্থাপন করা হয়নি।

সিভিল আদালতে ৯হাজার. জুড়িশিয়াল আদালতে ১১ হাজার মামলা. উপজেলা ভিত্তিক বিচারক থাকলেও চকরিয়া আদালতে ৩ উপজেলার জন্য ১ জন.

বাঁশখালী সাতকানিয়া পটিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম থাকলেও চকরিয়ায় এখনো নেই
বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়া পেকুয়া ও মাতামুহুরির ৯ লক্ষ নাগরিকের বিচারক সুবিধার জন্য চকরিয়া চৌকি আদালত ও সিভিল আদালত এখন ২০ হাজার বিচারাধীন মামলার জটে আবদ্ধ। নিয়মিত ধার্য্য তালিকার মামলার সংখ্যা অধিক হওয়ায় দৈনিক তালিকার মামলা গুলো পরিচালিত করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশের অন্যান্য উপজেলা ভিত্তিক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক উপজেলার একজন জুডিশিয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট অনুবলে চকরিয়া আদালতে দু জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকার কথা সেখানে কখনো একজনও নিয়মিত না থাকায় বিচার প্রার্থীদের ভোগান্তির শেষ নেই।
পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার দু যোগ অতিবাহিত হলেও এখনো পেকুয়ায় আদালত স্থাপন করা হয়নি। পেকুয়া উপজেলার দূর্গম এলাকা থেকে চকরিয়ায় গিয়ে অনেক সময় কার্যতালিকার দীর্ঘ লাইনের কারণে মামলার কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব না হলে ফেরত আসতে হচ্ছে।
একটি মামলা দায়ের করতে ২/৩ দিন যাওয়া আসা করতে গিয়ে সময় ব্যায় টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে বলেও ভোক্তভোগীরা জানান। একটি মামলার হাজিরা দিতে দিন অবদি অপেক্ষার পর দৈনিক সময় শেষ হয়ে গেলে বিফলে ফেরত হচ্ছে সেবাপ্রাপ্তিরা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ২০০৬ সালে জেলা আদালতের সাথে দূরত্ব সমীকরণ বিধিতে চকরিয়া চৌকি আদালত কক্সবাজার জেলা আদালতের সাথে সমন্বয় করার ঘোষণা দিলেও তদানিন্তন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়ার প্রত্যন্ত এলাকার বিবেচনায় চকরিয়া আদালত বহাল রাখেন। পরে চকরিয়া সিভিল জজ আদালত স্থাপন করা হয়। বর্তমানে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রায় ১১ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সিভিল আদালতে মামলা রয়েছে প্রায় ৯ হাজারের মতো।
পেকুয়া উপজেলার মামলার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও টইটং রাজাখালী মগনামা উজানটিয়ার মানুষ প্রায় ৬০/৬৫ কিলোমিটারের পথ অতিক্রম করে চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন।
পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছাফওয়ানুল করিম বলেন, পেকুয়া উপজেলার লোকজনের ভোগান্তি দূর করতে পেকুয়ায় আদালত স্থাপন করা হোক।
চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এড মিফতাহ উদ্দিন আহমদ বলেন চকোরিয়া সিভিল জজ আদালত ও জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যে পরিমাণ মামলা রয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ৩ জেলা মিলিয়ে এত মামলা নেই। এছাড়াও পটিয়া, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীতে যুগ্ম জেলা জজ আদালত থাকলেও চকরিয়ায় এ সুবিধা এখনো দেয়া হয়নি। সচেতন মানুষের বিশ্বাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রদক্ষেপ নিলে তিন চার উপজেলার মানুষের বিচারিক সুবিধা রক্ষা হবে।